দোকানের তাকজুড়ে সারি সারি রঙিন প্যাকেট— বিস্কুট, চিপস, চানাচুর, ইনস্ট্যান্ট নুডুলস, কোমল পানীয়। ব্যস্ত জীবনে এগুলোই যেন সহজ সমাধান— সহজে পাওয়া যায়, দামও নাগালের মধ্যে। প্যাকেটজাত এসব খাবারের ওপর নির্ভরশীলতা শিশু-কিশোর, তথা তরুণ প্রজন্মের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে। তৈরি করছে দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যঝুঁকি।
অতি প্রসেসড খাবারে থাকে উচ্চমাত্রার পরিশোধিত চিনি এবং ট্রান্সফ্যাট। এগুলো শরীরে প্রবেশের পর ইনসুলিন হরমোনের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়, যাকে ‘ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স’ বলা হয়। এটি কেবল ডায়াবেটিসের ঝুঁকিই বাড়ায় না, বরং হার্টের পেশিকে দুর্বল করে দেয়।
আগ্রাসী বিপণন ও শিশুদের আসক্তি
বাংলাদেশে অতি প্রসেসড খাবারের প্রসারের পেছনে বড় কারণ হলো, কোম্পানিগুলোর আগ্রাসী বিপণন কৌশল। বিশেষ করে শিশুদের লক্ষ্য করে তৈরি করা চটকদার বিজ্ঞাপন এবং উপহারের প্রলোভন শিশুদের এ খাবারে আসক্ত করে তুলছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ খাবারগুলো এমনভাবে তৈরি করা হয় (লবণ, চিনি ও টেস্টিং সল্টের মিশ্রণে), যা মস্তিষ্কে এক ধরনের সাময়িক আনন্দ দেয়। ফলে শিশুরা একবার এ স্বাদ পেলে বাড়িতে তৈরি পুষ্টিকর খাবারের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।
দেশের বাজারে বিপণন করা প্রক্রিয়াজাত প্যাকেট খাবারের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ বা ৬১ শতাংশে নিরাপদ মাত্রার চেয়ে বেশি লবণ পাওয়া গেছে। যেখানে প্রতি ১০০ গ্রাম খাবারে সর্বোচ্চ ৭৫০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত লবণ স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ, সেখানে এসব খাবারে নিরাপদ মাত্রার চেয়ে বেশি লবণ পাওয়া গেছে। এসব প্যাকেটজাত খাবারের মধ্যে রয়েছেÑবিস্কুট, চিপস, চানাচুর, নুডুলস, ইনস্ট্যান্ট স্যুপ, ঝালমুড়ি, আচার, চাটনি ইত্যাদি। এসব খাবারে ব্যবহৃত কৃত্রিম প্রিজারভেটিভ ও কেমিক্যাল হৃদরোগের পাশাপাশি মরণব্যাধি ক্যানসারের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। এটি আমাদের শিশুদের খাদ্যাভ্যাসে এক নীরব বিপর্যয় ডেকে আনছে। টিফিনে দেওয়া চিপস বা কৃত্রিম জুস তাদের স্থূলতা ও টাইপ-২ ডায়াবেটিসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
২০২৫ সালের ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ পরিচালিত ‘অ্যাসেসমেন্ট অব সল্ট কন্টেন্ট অ্যান্ড লেবেল কমপ্লায়েন্স অব কমনলি কনজিউমড প্রসেসড প্যাকেজড ফুডস অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের (এনএইচএফবি) একটি সাম্প্রতিক সমীক্ষায় দেখা গেছে, দেশের বাজারে থাকা প্যাকেটজাত খাবারের প্রায় ৯৭ শতাংশই উচ্চ স্বাস্থ্যঝুঁকিপূর্ণ। উদ্বেগের বিষয় হলো, অনেক ক্ষেত্রে মোড়কের গায়ে ‘পুষ্টিগুণ’ বা ‘লবণের মাত্রা’ সংক্রান্ত যে তথ্য
দেওয়া থাকে, ল্যাবে পরীক্ষার পর তার সত্যতা পাওয়া যায় না। বিশেষ করে ‘সুগার ফ্রি’ বা ‘লো ফ্যাট’ দাবি করা অনেক খাবারেও হৃদযন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর কেমিক্যালের উপস্থিতি মিলেছে।
গবেষণায় দেখা যায়, দেশের প্রায় শতকরা ৯৭ ভাগ মানুষ সপ্তাহে অন্তত একবার প্যাকেটজাত খাবার খাচ্ছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে এসব পণ্যে উচ্চমাত্রার লবণ রয়েছে। আরো উদ্বেগের বিষয় হলোÑপণ্যের মোড়কে এ তথ্য সব সময় পরিষ্কারভাবে উল্লেখ থাকে না।
প্যাকেটজাত খাবার সুস্বাদু করতে এতে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম বা লবণ ব্যবহার করা হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, একটি প্যাকেটজাত চিপস বা নুডুলসে যে পরিমাণ লবণ থাকে, তা একজন মানুষের সারাদিনের প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি। অতিরিক্ত সোডিয়াম সরাসরি রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। উচ্চ রক্তচাপের কারণে হৃৎপিণ্ডকে রক্ত পাম্প করতে দ্বিগুণ পরিশ্রম করতে হয়, যা দীর্ঘমেয়াদে হার্ট ফেইলিউরের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
শিশুরা পছন্দ করে এমন এক হাজার প্যাকেটজাত শিশুখাদ্য বেছে নেওয়া হয় এ গবেষণায়। এর মধ্যে ছিল ম্যাকারনি, প্যাকেটজাত পনির, মিনি হট ডগস, কেক, ক্রেকার্স এবং প্যাকেটজাত দই। তবে এক্ষেত্রে কোনো ব্র্যান্ডের নাম উল্লেখ করেননি গবেষকরা।
গবেষণায় দেখা গেছে, প্যাকেটজাত ১০ ধরনের শিশুখাদ্যে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি লবণ ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিটি প্যাকেটে ২১০ মিলিগ্রাম লবণ ও সোডিয়াম থাকা দরকার। কিন্তু এসব প্যাকেটে রয়েছে ৩৬১ মিলিগ্রাম লবণ ও সোডিয়াম যা সাধারণ পরিমাণের তুলনায় ১ দশমিক ৫ ভাগ বেশি।
গবেষণায় বলা হয়েছে, মূলত বাংলাদেশে সরকারিভাবে প্রক্রিয়াজাত খাবারে লবণের সর্বোচ্চ কোনো সীমা নির্ধারণ করা নেই। যার ফলে কোম্পানিগুলো তাদের পণ্যে ইচ্ছেমতো লবণ যোগ করে। যদিও মোড়কাবদ্ধ খাদ্য লেবেলিং প্রবিধানমালা ২০১৭ অনুসারে প্রক্রিয়াজাত খাবারে বিদ্যমান লবণের পরিমাণ মোড়কের লেবেলে উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক।
অতি প্রসেসড খাবার রক্তে ‘হাই সেনসিটিভ সি-রিঅ্যাকটিভ প্রোটিন’ বা এইচএস-সিআরপির মাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়িয়ে দেয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এ প্রোটিনকে হৃদরোগের অন্যতম বড় পূর্বাভাস হিসেবে ধরা হয়। রক্তে এর উপস্থিতি মানেই হলো, আপনার হৃদযন্ত্র এবং রক্তনালিতে বড় ধরনের অস্থিরতা চলছে, যা যেকোনো মুহূর্তে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোক ঘটাতে পারে।
এ খাবারগুলোকে আকর্ষণীয় রঙ, স্বাদ এবং দীর্ঘস্থায়ী করতে যে ইমালসিফায়ার, প্রিজারভেটিভ এবং কৃত্রিম সুগন্ধি ব্যবহার করা হয়, সেগুলো শরীরের কোষের জন্য অপরিচিত। রক্তে এগুলো মেশার পর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এগুলোকে ‘বহিরাগত আক্রমণকারী’ মনে করে। ফলে রক্তনালির ভেতরে এক ধরনের দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ তৈরি হয়। এ প্রদাহ ধমনীর দেয়ালকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ এবং ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, আমরা বর্তমানে এক ধরনের খাদ্যবিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। আমাদের তরুণদের মধ্যে অকাল হার্ট অ্যাটাকের হার বেড়ে যাওয়ার প্রধানতম কারণ হলো, অতি প্রসেসড খাবার এবং শরীরচর্চার অভাব। মানুষ এখন বাড়ির রান্নার চেয়ে প্যাকেটজাত এবং খোলা খাবার বেশি পছন্দ করছে, যা তাদের ধমনীকে ধীরে ধীরে শক্ত বানিয়ে ফেলছে।
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের (বিএফএসএ) সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল কাইউম সরকার বলেন, দেশে অনেক প্যাকেটজাত খাবারের গায়ে পুষ্টিমান বা উপাদানের সঠিক তথ্য লেখা থাকে না। লবণের পরিমাণ আড়াল করা হয়, যা সাধারণ মানুষের অজান্তেই তাদের রক্তচাপ বাড়িয়ে দিচ্ছে।
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল ও রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, এ বাস্তবতায় একটি সহজ, কিন্তু কার্যকর সমাধান পণ্যের প্যাকেটের সামনের অংশেই স্পষ্টভাবে সতর্কবার্তায় (এফওপিএল) জানিয়ে দেওয়া—কোনো খাদ্যে অতিরিক্ত চিনি, লবণ বা স্যাচুরেটেড ফ্যাট আছে কি না। বর্তমানে পুষ্টিসংক্রান্ত তথ্য প্যাকেটের পেছনে ছোট অক্ষরে, জটিল সংখ্যায় লেখা থাকে, যা দ্রুত বোঝা প্রায় অসম্ভব। ফলে ভোক্তা অনেক সময় অজান্তেই স্বাস্থ্যঝুঁকিপূর্ণ পণ্য নিরাপদ ভেবে কিনে ফেলেন। এফওপিএল সে জটিলতাকে কমিয়ে সহজ, সরাসরি এবং দৃশ্যমান তথ্য দেয়। বাংলাদেশেও এফওপিএল চালু করা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন তিনি।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, অতি প্রক্রিয়াজাত খাবারে অতিরিক্ত সোডিয়াম, চিনি, স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও ট্রান্সফ্যাট থাকার কারণে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগসহ নানা অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। তিনি আরো বলেন, শিশুদের খাবার কেনার সময় মা-বাবাকে সতর্ক থাকতে হবে। ছোটবেলা থেকে শিশুর খাবারে সোডিয়াম ও চিনির মাত্রা সঠিক পরিমাণে থাকলে পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন রোগের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। তাই প্যাকেটের গায়ে পুষ্টির মাত্রা দেখে খাবার কেনার পরামর্শ দেন এ বিশেষজ্ঞ।
বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর প্রায় এক কোটি ১০ লাখ মানুষ অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসজনিত কারণে মারা যাচ্ছেন। বাংলাদেশেও পরিস্থিতি উদ্বেগজনকÑপ্রায় এক কোটি ৩৯ লাখ মানুষ ডায়াবেটিস ও ২৩ দশমিক ৫ ভাগ উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন এবং মোট মৃত্যুর বড় অংশই প্রায় ৭১ শতাংশ, ঘটছে এসব অসংক্রামক রোগের কারণে।
গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটরের (জিএইচএআই) বাংলাদেশ কান্ট্রি লিড মুহাম্মাদ রূহুল কুদ্দুস বলেন, এ অবস্থায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রণীত খসড়া ‘নিরাপদ খাদ্য (মোড়কাবদ্ধ খাদ্য লেবেলিং) প্রবিধানমালা, ২০২৬’ একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ, যাতে কোনো পণ্যে অতিরিক্ত চিনি, লবণ (সোডিয়াম), সম্পৃক্ত চর্বি থাকলে প্যাকেটের সামনে স্পষ্ট সতর্কবার্তা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, প্যাকেটের সামনের একটি সহজ সতর্কবার্তাই হতে পারে সচেতন সিদ্ধান্তের সূচনা।
গত ১৫ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ‘উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ ও ফ্রন্ট অফ প্যাক লেবেলিংয়ের ভূমিকা’ শীর্ষক এক কর্মশালায় জানানো হয়, দেশে প্রায় ৯৭ শতাংশ মানুষ নিয়মিত প্যাকেটজাত খাদ্য গ্রহণ করেন, তারা খাদ্যের প্রকৃত পুষ্টিমান ও স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা না নিয়েই খাদ্য নির্বাচন করেন।
কর্মশালায় আরো জানানো হয়, বিশ্বে ইতোমধ্যে ৪৪টি দেশ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশকৃত কার্যকর ও ব্যয় সাশ্রয়ী জনস্বাস্থ্য উদ্যোগ হিসেবে এফওপিএল চালু করেছে, যার মধ্যে ১০টি দেশে এটি বাধ্যতামূলক। এসব দেশে ভোক্তাদের অস্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ হ্রাস পেয়েছে। তাই একটি ছোট সতর্কবার্তা পুরো খাদ্য ও স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।
প্রগতির জন্য জ্ঞানের (প্রজ্ঞা) নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের বলেন, বাংলাদেশে উচ্চ রক্তচাপসহ অসংক্রামক রোগের প্রকোপ ক্রমবর্ধমান হারে বাড়লেও এ খাতে অর্থ বরাদ্দ অপ্রতুল। টেকসই অর্থায়নের মাধ্যমে কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়মিত ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে উচ্চ রক্তচাপসহ অন্যান্য অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সম্ভব।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)-এর পরিচালক (সিএম) সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘মানুষের দৈনিক পাঁচ গ্রাম লবণের প্রয়োজন থাকলেও আমরা গড়ে ১০ গ্রামের বেশি গ্রহণ করছি। বিশেষ করে প্যাকেটজাত চিপস বা স্ন্যাকসগুলোতে মোড়কের তথ্যের চেয়েও বেশি লবণ থাকার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, যা উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।’
তিনি জানান, বিএসটিআই মূলত একটি সার্টিফায়িং অথরিটি হিসেবে বিশেষজ্ঞ কমিটির নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী পণ্য যাচাই করে। তবে বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় তারা বড় কোম্পানিগুলোকে সাধারণ লবণের পরিবর্তে ‘লো সোডিয়াম সল্ট’ বা পটাশিয়াম যুক্ত লবণ ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন। সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা কোম্পানিগুলোকে কারিগরি সহায়তা দিতে প্রস্তুত। এছাড়া হার্ট ফাউন্ডেশনও এ ধরনের স্বাস্থ্যসম্মত পণ্যের প্রসারে আমাদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। কেবল আইন দিয়ে নয়, বরং খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে গণমাধ্যমকে আরো জোরালো ভূমিকা পালন করতে হবে। চিনি ও লবণের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি না হলে অসংক্রামক ব্যাধির এ প্রকোপ কমানো কঠিন হবে।
এমবি