বিভিন্ন মামলার জটিলতার কারণে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ কার্যক্রম স্থবির হয়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন।
বুধবার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই শিক্ষক নিয়োগ-সংক্রান্ত মামলাগুলোর জট নিরসনের চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত আপিল বিভাগে মামলাগুলো কার্যতালিকায় না আসায় নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বিভিন্ন মামলার জটিলতার কারণে শিক্ষক নিয়োগ নিরসন করতে পারছি না। আজ চার মাস হতে চলেছে দায়িত্ব নিয়েছি। প্রথম সপ্তাহ থেকেই আদালতপাড়ায় মামলার জটিলতা নিরসনের চেষ্টা করেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত আপিল বিভাগে মামলাগুলো কার্যতালিকায় আসছে না।’
তিনি জানান, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও কলেজের অধ্যক্ষ নিয়োগও মামলার কারণে ঝুলে আছে। একই সঙ্গে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরি-কাম-নাইটগার্ড নিয়োগ কার্যক্রমও আদালতের মামলার কারণে বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে এসব বিষয়ে হাজার হাজার মামলা বিচারাধীন।
শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, সারাদেশে প্রধান শিক্ষকের আরও ৩৩ হাজার পদ শূন্য রয়েছে। কিন্তু পদোন্নতি-সংক্রান্ত জটিলতা ও চলমান মামলার কারণে অনেক শিক্ষক প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতি পাচ্ছেন না।
তিনি বলেন, ‘সারা বাংলাদেশে এখনও যারা প্রধান শিক্ষক হতে পারেননি, তারা অবসরে চলে যাচ্ছেন। কিন্তু মামলার কারণে তারা প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি পাচ্ছেন না।’
এমএমআর