সংসদে রুমিন ফারহানা
আমদানি এবং রপ্তানির আড়ালে প্রতি বছর দেশ থেকে ৮ বিলিয়ন ডলারের মত টাকা বিদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।
সোমবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বাণিজ্য মন্ত্রীর কাছে করা এক সম্পূরক প্রশ্নের মাধ্যমে রুমিন ফারহানা এ অভিযোগ করেন।
উত্তরে বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর জানান, প্রায় ১৩০ বিলিয়নের আমদানি রপ্তানির অর্থনীতির মধ্যে প্রোডাক্টের মধ্যে অর্থ পাচার হচ্ছে এটা পিনপয়েন্ট করে বলা জটিল বিষয়।
প্রশ্নে রুমিন ফারহানা বলেন, আমদানি এবং রপ্তানির আড়ালে প্রতি বছর ৮ বিলিয়ন ডলারের মত টাকা বিদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে।
মন্ত্রী কি আমাদের বলবেন এই ধরণের পাচার বন্ধ করবার ক্ষেত্রে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কিছু করবার আছে কিনা? যদি থাকে সেটি কী এবং এই ব্যাপারে সরকারের কোন উদ্যোগ আছে কিনা?
এর উত্তরে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমদানি এবং রপ্তানির আড়ালে ৮ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়ে যায়। এটা একটা পারসিভড অ্যামাউন্ট।
এখন আমদানি রপ্তানির আড়ালে... আমদানির অনেকগুলির মধ্যেই ট্যারিফ আছে, সেই প্রাইস ফিক্সড আছে। অনেকের মধ্যে, অনেকগুলির মধ্যেই পিএসআই আছে, প্রি-শিপমেন্ট ইন্সপেকশনের ক্লজ আছে।
যদি এই প্রি-শিপমেন্ট ক্লজ এবং ট্যারিফ ভ্যালুর বাইরে কোন পণ্যের মধ্যে যদি এরকম কোন দুর্বলতা থাকে যেটিতে বেশি পাচার হয়ে যাচ্ছে, এটি একটি স্টাডি, গবেষণার বিষয় ৷
মন্ত্রী বলেন, এটি শুনতে বা বলতে যেরকম সোজা মনে হয়, হাজার হাজার পণ্য বাংলাদেশে আসে। বাংলাদেশে পণ্য এবং সেবা মিলে, আমি একটা ধারণা দেয়ার জন্য বলছি, গত বছর আমাদের আমদানি ছিল ৬৭ বিলিয়নের মতো। ৬৭ বিলিয়নের আমদানির মধ্যে এবং ৫৫ বিলিয়ন রপ্তানির মধ্যে, তার মানে প্রায় ১৩০ বিলিয়নের আমদানি রপ্তানির অর্থনীতি এই দেশটির। এটির মধ্যে পিনপয়েন্ট করে বলা যে ঠিক অমুক প্রোডাক্টের মধ্যে অর্থ পাচার হচ্ছে, এটা বেশ জটিল একটা বিষয় এবং একটা গবেষণাধর্মী কাজ। এই ব্যাপারে আমরা সচেতন আছি, আমরা স্টাডিও করছি। যদি আমাদের নজরে এরকম কোন বিষয় আসে, আমি হাউজকে আশ্বস্ত করতে চাই, যথাযথ ব্যবস্থা আমরা নিবো।