পবিত্র রমজানের অবশিষ্ট দিনগুলোতে কখনো বৃষ্টি, আবার কখনো তাপপ্রবাহ—এমন বৈচিত্র্যময় আবহাওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত পূর্বাভাসে সংস্থাটি জানায়, রমজানের প্রথম দিনের আবহাওয়া ছিল স্বস্তিদায়ক। কিছু এলাকায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও দিনের তাপমাত্রা ছিল সহনীয় এবং রাত ছিল হালকা ঠান্ডা ও আরামদায়ক। তবে মাসের বাকি সময়জুড়ে আবহাওয়ার ধরনে ধীরে ধীরে পরিবর্তন আসতে পারে।
প্রথম ১০ দিন: আরামদায়ক আবহাওয়া
রমজানের প্রথম ১০ দিন, অর্থাৎ ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবহাওয়া মোটামুটি স্বস্তিদায়ক থাকতে পারে। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও অধিকাংশ এলাকায় প্রতিদিন রোদের দেখা মিলবে।
২ থেকে ৪ রমজান (২০-২২ ফেব্রুয়ারি) রাজশাহী, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু এলাকায় এবং দেশের অন্যত্র দু-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এ ছাড়া ৫ ও ৬ রমজান (২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি) খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু এলাকায় এবং চট্টগ্রাম ও ঢাকা বিভাগের দু-এক স্থানে হালকা বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস দেওয়া হয়েছে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
মধ্যবর্তী ১০ দিন: রোদ বাড়ার ইঙ্গিত
১ থেকে ১০ মার্চ পর্যন্ত, অর্থাৎ রমজানের মধ্যবর্তী সময়ে আবহাওয়া মোটামুটি আরামদায়ক থাকলেও দিনের বেলায় তীব্র রোদ হতে পারে। উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা কম। এ সময়ে দিনের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রাও কিছুটা বাড়তে পারে। ফলে রাত কিছুটা স্বস্তিদায়ক থাকলেও দিনের বেলায় গরমের অনুভূতি বাড়বে, বিশেষ করে এই পর্বের শেষ দিকে।
শেষ ১০ দিন: তাপপ্রবাহের শঙ্কা, পরে বৃষ্টির সম্ভাবনা
১১ থেকে ২০ মার্চ পর্যন্ত সময়টিতে উষ্ণ ও শুষ্ক আবহাওয়া শুরু হতে পারে। অধিকাংশ এলাকায় তীব্র রোদ থাকতে পারে এবং বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। দিনের তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে, রাতের তাপমাত্রাও কিছুটা বাড়বে।
তবে মাসের শেষ দিকে আকাশ আংশিক থেকে মেঘলা হতে পারে এবং বৃষ্টি বা বৃষ্টিবলয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টি হলে তাপমাত্রা কিছুটা কমে স্বস্তি ফিরতে পারে।
সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, আবহাওয়া স্বভাবতই পরিবর্তনশীল। তাই পরিস্থিতি অনুযায়ী পূর্বাভাস আংশিক বা সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হতে পারে।
এসআর