হোম > মতামত

হে আমার দেশ আমি তোমাকে ভালোবাসি

মেজর জলিল

আমরা যুদ্ধে বিজয়ী হয়েছি

১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সকাল ১০টা। শাহপুর স্কুলে কতগুলো ছেলের সঙ্গে দাঁড়িয়ে ছিলাম। ক্যাপ্টেন হুদার জিপ এসে থামতেই সে একটি দুষ্টু ছেলের মতো লাফিয়ে পড়ে গভীর আবেগে আমাকে জড়িয়ে ধরল। এ রকম করতে তাকে আগে কখনো দেখিনি। আমি খুব বিস্মিত হলাম। সে এক রকম কাঁপতে কাঁপতে বলল, ‘অত্যন্ত সুখবর স্যার, পাকিস্তানি সৈন্যরা আত্মসমর্পণ করেছে এবং ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল জ্যাকভ ইতোমধ্যে ঢাকায় অবতরণ করেছেন।’

সংবাদটা অবিশ্বাস্য মনে হলো। কেননা, কল্পনাও করতে পারিনি যে, ওই হিংস পশুগুলো এত তাড়াতাড়ি আত্মসমর্পণ করবে। তবুও এ সংবাদে আমার সারা দেহে যেন তপ্ত রক্তস্রোত বইতে লাগল। জীবনের এক আনন্দঘন মুহূর্ত। চিৎকার করে ছেলেদের উদ্দেশে বললাম, ‘আমরা যুদ্ধে বিজয়ী হয়েছি।’

আমার স্বাধীন বাংলাকে প্রাণভরে দেখলাম

১৭ ডিসেম্বর ১৯৭১ সাল। খুলনা সার্কিট হাউসে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা শোভা পাচ্ছে। বুকটা গর্বে ভরে উঠল। সমুন্নত পতাকার দিকে এক দৃষ্টিতে চেয়ে রইলাম।

পাকিস্তানি কমান্ডাররা যখন সার্কিট হাউস থেকে মার্চ করে বেরিয়ে আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানস্থলে আসছে, তখন বাইরে অপেক্ষমাণ হাজার হাজার মানুষ আনন্দে ফেটে পড়ল। মিত্রবাহিনীর জেনারেল দলবীর সিং আত্মসমর্পণ দলিল পাঠ করলেন। তার পাশে দাঁড়িয়ে আমি দেখলাম পাকিস্তানিদের গ্লানিকর পরাজয়! ব্রিগেডিয়ার হায়াত খান মাথা নুইয়ে কম্পিত হাতে দলিলে স্বাক্ষর দিলেন। কোমরের বেল্ট খুলে মিত্রবাহিনীর কাছে অর্পণ করলেন। উৎফুল্ল জনতার স্রোতে আমি হারিয়ে গেলাম। জনতার দিকে শূন্য দৃষ্টি মেলে দিয়ে আমার স্বাধীন বাংলাকে প্রাণভরে দেখে নিলামÑ

মেজর (অব.) এম এ জলিল ৯ নম্বর সেক্টরের মুক্তিবাহিনীর অধিনায়ক

(মেজর জলিলের লেখা সীমাহীন সমর গ্রন্থের বিজয় অভিযান থেকে)

স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি : জিয়া থেকে তারেক

পাকিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সহযোগিতার সম্ভাবনা

তদবির সংস্কৃতি ও অধিকারবঞ্চিত মানুষ

প্রতিরোধ আন্দোলন দমনে ফিলিস্তিনি অভিজাতদের ভূমিকা

বিপ্লব অস্বীকার করলে ক্ষমতার ন্যায্যতা থাকবে না

বিরোধী রাজনীতিতে জামায়াতের নতুন সমীকরণ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ থেকে বাংলাদেশের শিক্ষা

দুবাইয়ের খাঁচায় এক ‘ফ্রাংকেনস্টাইন’ এবং একটি চিঠির হাহাকার

রিজার্ভ চুরি : আর কত সময়ক্ষেপণ

স্মৃতির পাতায় শিল্পের মহিরুহ মুস্তাফা মনোয়ার