হোম > মতামত > উপসম্পাদকীয়

কোরবানি ও হজের বহুমাত্রিক তাৎপর্য

ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন

কোরবানি ও হজ মুসলমানদের অন্যতম প্রধান উৎসব। মুসলমানদের জন্য ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত পরম আনন্দের দিন। মক্কায় অবস্থানরত হজযাত্রীসহ সারা বিশ্বের মুসলমানরা ঈদুল আজহায় মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ও করুণা লাভের জন্য পশু কোরবানি দিয়ে থাকেন। আল্লাহর কাছে হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর পূর্ণ আত্মসমর্পণ ও হজরত ইসমাইল (আ.)-এর সুমহান ত্যাগের স্মৃতিবিজড়িত পবিত্র ঈদুল আজহা ও হজ। হজ ও কোরবানির মহিমা আমাদের অন্তর্লোকের সংকীর্ণতা ধুয়ে দেয়। ইসলামের এই চেতনাকে ধারণ করে ত্যাগ, ধৈর্য ও তিতিক্ষার ভেতর দিয়ে পরিপূর্ণ মানুষ হয়ে ওঠার শিক্ষায় আমরা ব্যক্তি, সমাজ ও জাতীয় জীবনকে গৌরবান্বিত করে তুলতে পারি।

প্রকৃতপক্ষে পবিত্র জিলহজ মাসে হজ, কোরবানি ও ঈদ পরস্পর সম্পর্কিত। আমরা যখন ঈদ ও কোরবানি উৎসব উদযাপনের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করছি, তখন পবিত্র মক্কা নগরীতে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত হতে আগত লাখ লাখ মুসলমান হজব্রত পালনে ব্যস্ত সময় পার করছেন। প্রত্যেকে কোরবানির মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য হাসিলের সুযোগ পাচ্ছেন।

সুস্থ মস্তিষ্ক, প্রাপ্তবয়স্ক, মুকিম (মুসাফির নন—এমন ব্যক্তি) ব্যক্তিই ১০ জিলহজ ফজর হতে ১২ জিলহজ সন্ধ্যা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে নিসাব (সাড়ে সাত তোলা সোনা অথবা সাড়ে ৫২ তোলা রূপা অথবা সে পরিমাণ নগদ অর্থ) পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়, তবে তার ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব।

কোরবানি ওয়াজিব হওয়ার জন্য জাকাতের নিসাবের মতো সম্পদের এক বছর অতিবাহিত হওয়া শর্ত নয়। বরং যে অবস্থায় সাদাকায়ে ফিতর ওয়াজিব হয়, ওই অবস্থায় কোরবানিও ওয়াজিব হবে।

আজ থেকে পাঁচ হাজার বছর আগে হজরত ইব্রাহিম (আ.) স্বপ্নাদিষ্ট হয়েছিলেন প্রিয়তম বস্তু তথা তার পুত্র ইসমাইলকে কোরবানি করার জন্য। সে অনুযায়ী তিনি পরম করুণাময় আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য প্রিয় পুত্রকে কোরবানি দিতে উদ্যত হন। কিন্তু মহান আল্লাহর ইচ্ছায় তাঁকে আর শেষ পর্যন্ত পুত্রকে কোরবানি দিতে হয়নি। ইসমাইলের পরিবর্তে কোরবানি হয় একটি পশু। মহান আল্লাহর এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন হজরত ইব্রাহিম (আ.)। এই সর্বোচ্চ ত্যাগের মহিমাকে তুলে ধরাই ঈদুল আজহার পশু কোরবানির প্রধান মর্মবাণী। হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর পদাঙ্ক অনুসরণ করে মুসলিম সমাজে পশু কোরবানির প্রবর্তন হয়েছে। এটা আল্লাহর প্রেম ও তার কাছে আত্মনিবেদনের এক অনন্য প্রতীক। এ প্রসঙ্গে নবী করিম (সা.) ইরশাদ করেন, ‘সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যে কোরবানি করবে না, সে যেন ঈদগাহের সন্নিকটবর্তী না হয়।’

আমাদের দেশে কোরবানির ঈদে নতুন করে সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত হয়। গ্রামাঞ্চলে বিভিন্ন পাড়া বা গোষ্ঠীভিত্তিক সংঘবদ্ধ হওয়ার চিত্র লক্ষ করা যায়। ঈদুল আজহা এলেই তারা সব ভেদাভেদ ভুলে ও পূর্বশত্রুতা মিটমাট করে এক হয়ে যায়। নানা সামাজিক কর্মকাণ্ডেও তাদের এ সংঘবদ্ধতার প্রভাব থাকে। ইসলামের বিধান অনুযায়ী কোরবানির মাংসের বিলিবণ্টন ন্যায়সংগত হওয়া উচিত। যারা কোরবানি দিতে পারবেন না, তাদের আনন্দে শামিল করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা থাকতে হবে। এটা দীন-দুঃখী, গরিব-মিসকিনসহ যত বেশি অভাবী মানুষকে দেওয়া যায়, ততই উত্তম। মনে রাখতে হবে, কোরবানি আল্লাহর হুকুম ও কোরআন-সুন্নাহর নির্দেশিত ইবাদত। এটি কোনো রসম বা প্রথা নয়। তাই কোরবানির নামে উচ্চদামের পশু কিনে বাহ্যিক আড়ম্বরতা প্রদর্শন বা বাহবা কুড়ানোর প্রবণতা দোষণীয় এবং তা অবশ্যই বর্জিত।

মুসলমানদের জীবনে ঈদুল আজহার গুরুত্ব ও আনন্দ অপরিসীম। উৎসব হিসেবে পবিত্র ধর্মীয় অনুভূতি এর সঙ্গে সম্পৃক্ত। ইসলামে জীবন আর ধর্ম একই সূত্রে গাঁথা। তাই ঈদ শুধু আনন্দের উৎস নয়; বরং এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে কর্তব্যবোধ, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ। সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সম্পৃক্তি এখানে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এলাকার লোকেরা ঈদের নামাজের জন্য নির্দিষ্ট ঈদগাহে সমবেত হন। এতে সবার মধ্যে একাত্মতা ও সম্প্রীতি ফুটে ওঠে, ইসলামের ভ্রাতৃত্ববোধে সবাই উদ্দীপ্ত হয়। পরস্পর কোলাকুলির মাধ্যমে সব বিভেদ ভুলে গিয়ে পরস্পর ‘ভাই’ বলে গৃহীত হয়। ধনী-গরিবের ব্যবধান তখন প্রাধান্য পায় না। ঈদের আনন্দ সবাই ভাগ করে নেন। এর ফলে ধনী-গরিব, শত্রু-মিত্র, আত্মীয়-স্বজন সবাই পরস্পর ভ্রাতৃত্বের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে থাকে। ঈদ মানুষে মানুষে ভেদাভেদ ভোলার জন্য, মানুষের মধ্যে প্রীতির বন্ধন সৃষ্টি হওয়ার জন্য পরম মিলনের বাণী নিয়ে আসে। ঈদুল আজহায় যে কোরবানি দেওয়া হয়, তার মাধ্যমে মানুষের মনের পরীক্ষা হয়, কোরবানির রক্ত-মাংস কখনই আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না। শুধু দেখা হয় মানুষের হৃদয়। ঈদের মধ্যে আছে সাম্যের বাণী, সহানুভূতিশীল হৃদয়ের পরিচয়। পরোপকার ও ত্যাগের মহান আদর্শে অনুপ্রাণিত হয় মানুষের মন।

কোরবানি আরবি শব্দ, আরবিতে কোরবানুন শব্দটি কুরবুন শব্দ থেকে নির্গত, যার অর্থ নৈকট্য, উৎসর্গ, বিসর্জন, ত্যাগ ইত্যাদি। শরিয়তের পরিভাষায়, আল্লাহতায়ালার সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশে জিলহজ মাসের ১০, ১১, ১২—এ তিনটি দিনে আল্লাহর নামে নির্দিষ্ট নিয়মে হালাল পশু জবাই করা হলো কোরবানি। ত্যাগ, তিতিক্ষা ও প্রিয়বস্তু আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য উৎসর্গ করাই কোরবানির তাৎপর্য। প্রচলিত কোরবানি হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর অপূর্ব আত্মত্যাগের ঘটনারই স্মৃতিবহ। হাদিসে বর্ণিত : ‘রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে সাহাবিরা জিজ্ঞাসা করলেন, হে আল্লাহর রাসুল, এ কোরবানি কী? তিনি বললেন, এটা তোমাদের পিতা ইবরাহিম (আ.)-এর সুন্নত। তাঁরা বললেন, এতে আমাদের কি কল্যাণ আছে? তিনি বললেন, এর প্রত্যেকটি পশমের বিনিময়ে একটি করে নেকি রয়েছে। তাঁরা পুনরায় জিজ্ঞাসা করলেন, বকরির পশমেও কি তাই? জবাবে তিনি বললেন, বকরির প্রতিটি পশমের বিনিময়েও একটি করে নেকি আছে।’ মুসলিম জাতির পিতা হজরত ইবরাহিম (আ.) থেকে অব্যাহতভাবে চলে আসছে কোরবানির ঐতিহ্য ধারা।

অতএব, আমাদের একান্ত কর্তব্য, খাঁটি নিয়তসহকারে কোরবানি করা এবং তা থেকে শিক্ষা অর্জন করা। নিজেদের আনন্দে অন্যদের শরিক করা ঈদুল আজহার শিক্ষা। কোরবানিকৃত পশুর গোশত তিন অংশে ভাগ করে এক অংশ নিজের জন্য সংরক্ষণ, দ্বিতীয় অংশ আত্মীয়-স্বজনকে প্রদান এবং তৃতীয় অংশ সমাজের অভাবগ্রস্ত ও দরিদ্র মানুষের মাঝে বিলিয়ে দেওয়া ইসলামের বিধান। কোরবানিকৃত পশুর চামড়া অনাথ আশ্রম, এতিমখানা ও মাদরাসায় পড়ুয়া দরিদ্র শিক্ষার্থীদের ভরণ-পোষণের জন্য প্রদান করলে দ্বিবিধ সওয়াব হাসিল হয়। এক দুঃখী মানুষের সাহায্য, দ্বিতীয় দ্বীনি শিক্ষার বিকাশ। প্রকৃতপক্ষে কোরবানিদাতা কেবল পশুর গলায় ছুরি চালান না বরং তিনি ছুরি চালান সব ধরনের প্রবৃত্তির গলায়, আল্লাহর প্রেমে পাগলপারা হয়ে। এটিই কোরবানির মূল নিয়ামক ও প্রাণশক্তি। এ অনুভূতি ব্যতিরেকে যে কোরবানি করা হয়, তা হজরত ইবরাহিম (আ.) ও ইসমাইল (আ.)-এর সুন্নত নয়, এটা এক রসম তথা প্রথা মাত্র। এতে গোশতের ছড়াছড়ি হয় বটে; কিন্তু ওই তাকওয়া হাসিল হয় না—যা কোরবানির প্রাণশক্তি।

পবিত্র হজ বিশ্বমুসলিমের মহাসম্মিলন

ইসলাম ধর্মের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ এবং বিশ্বমুসলিমের মহাসম্মিলন হলো পবিত্র হজ। এটি কেবল একটি শারীরিক বা আনুষ্ঠানিক ইবাদতই নয়, এর পেছনে রয়েছে গভীর আধ্যাত্মিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক তাৎপর্য। হজের মূল ভিত্তিই হলো আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ। হজের মাধ্যমে একজন মুমিন তার অতীতের সব গুনাহ থেকে মুক্তি লাভ করে নিষ্পাপ শিশুর মতো পবিত্র হয়ে বাড়ি ফিরে আসেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হজ করল এবং অশ্লীল ও গুনাহের কাজ থেকে বিরত থাকল, সে যেন সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশুর মতো নিষ্পাপ হয়ে ফিরে এলো।’ (বুখারি, ৩ খণ্ড,পৃষ্ঠা ৪৪৭-৪৪৮)। ইহরামের কাপড় পরিধান করা, লাব্বাইক ধ্বনি দেওয়া এবং হজের প্রতিটি হুকুম পালনের মাধ্যমে বান্দার মনে আল্লাহর প্রতি গভীর ভালোবাসা ও ভয় (তাকওয়া) জাগ্রত হয়।

হজ হলো বৈশ্বিক সমতার সবচেয়ে বড় বাস্তব উদাহরণ। আরাফাতের ময়দানে একই সময়ে রাজা-প্রজা, ধনী-দরিদ্র, সাদা-কালো এবং আরব-অনারবের কোনো ভেদাভেদ থাকে না। সবাই একই রঙের, একই ডিজাইনের সামান্য দুই টুকরা সাদা কাপড় (ইহরাম) পরিধান করেন। পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে ভিন্ন ভিন্ন ভাষা, সংস্কৃতি ও জাতীয়তার মানুষ এক মাঠে, এক ইমামের পেছনে ইবাদত করেন। লৈঙ্গিক ও ভৌগোলিক পরিচয় ভুলে যখন শ্বেতাঙ্গ, কৃষ্ণাঙ্গ, এশীয়, আফ্রিকান মুসলমানরা পাশাপাশি দাঁড়ান, তখন কৃত্রিম সব দেয়াল ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। সবার মুখে তখন একই প্রতিধ্বনি ‘লাব্বাইক, আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ (হাজির হে আল্লাহ, আমি হাজির)। এই একাত্মতা প্রমাণ করে, ভৌগোলিক সীমানা বা ভাষার ভিন্নতা থাকলেও মুসলিম উম্মাহর চেতনা ও হৃৎস্পন্দন মূলত একটাই। এটি মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, সংহতি ও পারস্পরিক সৌহার্দকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়।

হজের প্রতিটি পর্যায় মুসলিমদের ইতিহাসের গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

ইব্রাহিমি ঐতিহ্যের পুনরুজ্জীবন

হজরত ইব্রাহিম (আ.), বিবি হাজেরা এবং হজরত ইসমাইল (আ.)-এর চরম ত্যাগ, আল্লাহর প্রতি অবিচল আস্থা ও আনুগত্যের ইতিহাস জড়িয়ে আছে হজের প্রতিটি আমলে। সাফা-মারওয়া সাঈ করা, মিনায় শয়তানকে পাথর মারা এবং কোরবানি করার মাধ্যমে মুমিনরা সেই ঐতিহাসিক ত্যাগকে স্মরণ ও ধারণ করেন। আরাফাতের ময়দান মুসলিমদের স্মরণ করিয়ে দেয় প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ঐতিহাসিক বিদায় হজের ভাষণকে, যা ছিল মানব জাতির জন্য প্রথম পূর্ণাঙ্গ মানবাধিকারের ঘোষণা। হজ কেবল ধর্মীয় আচার নয়, এটি মুসলিম উম্মাহর একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন। বিশ্বের সমসাময়িক পরিস্থিতি, মুসলিম উম্মাহর সংকট ও সম্ভাবনা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করার এবং উম্মাহর ঐক্যকে সুদৃঢ় করার এক মোক্ষম সুযোগ এনে দেয় এই হজ।

জামারাতে পাথর নিক্ষেপের প্রতীকী বিধানটি কেবল শয়তানকে তাড়াই নয়, বরং বাস্তব জীবনে সব অন্যায়, জুলুম ও অসত্যের বিরুদ্ধে মুসলিমদের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার শিক্ষা দেয়। সামর্থ্যবানদের জন্য হজ ফরজ করার পেছনে একটি বড় অর্থনৈতিক ভারসাম্য ও শৃঙ্খলার দিক রয়েছে। হজের মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর রাস্তায় নিজের কষ্টার্জিত অর্থ ব্যয় করতে শেখে, যা অন্তরের কৃপণতা দূর করে। হজ মৌসুমে বিশ্বজুড়ে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিমান চলাচল ও সেবা খাতের ব্যাপক প্রসার ঘটে। এছাড়া কোরবানির পশুর চামড়া ও গোশত মক্কা ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দরিদ্র মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়, যা একটি কল্যাণমুখী অর্থনীতি গঠনে ভূমিকা রাখে।

পবিত্র হজ হলো একজন মুসলমানের সামগ্রিক জীবনের এক মহাপ্রশিক্ষণ। হজের এই বহুমাত্রিক শিক্ষা যদি একজন হাজি তার ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে প্রতিফলিত করতে পারেন, তবেই হজের প্রকৃত উদ্দেশ্য সফল হয় এবং সমাজ ও রাষ্ট্র একটি সুন্দর, বৈষম্যহীন ও শান্তিপূর্ণ জনপদে পরিণত হতে পারে।

লেখক : সাবেক উপদেষ্টা, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়, অন্তর্বর্তী সরকার

drkhalid09@gmail.com

ঈদুল আজহার সেকাল ও একাল

হজের অর্থনীতি : হজ তহবিল কেন প্রয়োজন

কোরবানি : ত্যাগের আনন্দ, হারানোর প্রাপ্তি

জেলজীবনের ঈদ

বাঙ্গলার প্রধান পার্বণ কোরবানীর ঈদ

বিচারের দীর্ঘসূত্রতায় বাড়ছে অপরাধ

গরু রাজনীতিতে ভারতের অর্থনৈতিক বিপর্যয়

বাজেটে কর্মসংস্থান এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ

মানবিক মূল্যবোধ আর কত নিচে নামবে

সভ্যতার মুখে রক্তাক্ত শিশুদের আর্তনাদ