হোম > মতামত > উপসম্পাদকীয়

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক ও ভূরাজনৈতিক কৌশল

ড. মোহাম্মদ আবদুর রব

ড. মোহাম্মদ আবদুর রব

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের রয়েছে গভীর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক। সেভেন সিস্টারস, শিলিগুড়ি করিডোর ইত্যাদি কারণে বাংলাদেশ ভারতের কাছে ভূকৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে সার্বভৌম প্রতিবেশী ও অংশীদার হিসেবে বিবেচনার বদলে ভারতের কাছে বাংলাদেশ ছিল একটি ক্লায়েন্ট স্টেট। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ওপর ভারতের একচেটিয়া আধিপত্য খর্ব হয়েছে। অতীতে বাংলাদেশে নানা সময়ে নানা কায়দায় সরকার বদল হয়েছে, তবে এবারের মতো প্রতিক্রিয়া ভারত আগে কখনো দেখায়নি। এর থেকে স্পষ্ট, বাংলাদেশে ভারতের স্বার্থ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুধু বাংলাদেশ নয়, দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে ভারতের সঙ্গে তার প্রতিবেশী দেশগুলোর সম্পর্ক এক গভীর অবিশ্বাস ও চাপের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এর মূল কারণ প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে ভারতের প্রতি বাড়তে থাকা অবিশ্বাস, যা জন্ম নিয়েছে ভারতের দিক থেকে আসা অহেতুক নিরাপত্তাকেন্দ্রিক ভীতি, প্রোপাগান্ডা, হিন্দুত্ববাদের উত্থান এবং বিজেপির আগ্রাসী নেতৃত্বের ভাষা থেকে।

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতন ও ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক মুখ থুবড়ে পড়ে। গত দেড় বছরের ঘটনাপ্রবাহ দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক, বাণিজ্যিক, সাংস্কৃতিক সম্পর্ক ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে গিয়ে ঠেকেছে। অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে একের পর এক ষড়যন্ত্র, অভিযোগ, প্রোপাগান্ডা চালিয়ে যাচ্ছে। ২৪-এর অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের যে অবনতি হয়েছে, তা ঐতিহাসিকভাবে খুবই বিরল। ১৯৭৫ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পরও বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এতটা শীতল ছিল না। সে সময় ভারত কোনো ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেয়নি, বাণিজ্যেও বাধা সৃষ্টি করেনি। সামরিক শাসনামলেও সম্পর্ক স্বাভাবিক ছিল। অথচ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বর্তমানে ভিসাপ্রক্রিয়া প্রায় সম্পূর্ণরূপে বন্ধ, প্রয়োজনীয় খাদ্য ও চিকিৎসাপণ্য রপ্তানি বাধার মুখে পড়ছে। সংখ্যালঘু নিপীড়নে বিশ্বের অন্যতম সমালোচিত দেশ ভারতে একের পর এক মুসলিম সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। সেটির সমাধান না করে প্রতিবেশী দেশের সংখ্যালঘু ইস্যু নিয়ে অপরাজনীতিতে মেতেছে ভারত। এ নিয়ে ভারত একের পর এক যে নৈরাজ্যপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি করছে। ভিয়েনা কনভেনশনের ২২ নম্বর ধারা লঙ্ঘন করে আগরতলায় বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনে হামলা চালিয়েছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন হিন্দু সংঘর্ষ সমিতি। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনটির নেতাকর্মীরা সহকারী হাইকমিশনের ভেতরে ঢুকে সন্ত্রাসী তৎপরতা চালালেও সেখানকার নিরাপত্তারক্ষীরা নিষ্ক্রিয় থাকা এবং উন্মাদের মতো রাগ-ক্ষোভ ঝাড়ার ধরন দেখে বোঝা যাচ্ছে, অভ্যুত্থান ঘটানো ছাত্র-জনতা ভারতের কলোনি থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করেছে। এর আগে নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, আফগানিস্তানে প্রভাব হারিয়েছে ভারত। বাংলাদেশই ছিল ভারতের সর্বশেষ দাদাগিরিস্থল। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের ফলে গত ৫ আগস্ট সেটিও ছুটে গেছে। বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ভারতের উন্মাদের মতো কূটনীতিবহির্ভূত এলোমেলো আচরণ দেখে এটা স্পষ্ট যে, তারা একে মেনে নিতে পারেনি। ভারতের নীতিনির্ধারকরা মুখে বন্ধুত্বের কথা বললেও বাস্তবে তাদের অনেকের মধ্যে বৈরী আচরণই বেশি লক্ষণীয়।

বাংলাদেশে যে একটি বড় পরিবর্তন হয়েছে, তা মেনে না নেওয়ার কোনো সুযোগ ভারতের নেই কিন্তু তাতেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ভারতের পররাষ্ট্রনীতির কোনো মৌলিক বদল হয়নি। বাংলাদেশের ওপর ভারতের আধিপত্য বজায় রাখার বর্তমান চেষ্টা দেখলেই বোঝা যায়। শান্তি, সংলাপ ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার পক্ষে অবস্থান নিয়ে নিরপেক্ষ কূটনৈতিক নীতি অনুসরণের চেষ্টা করার পরও ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে সম্ভব হয়নি। তাই বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় মিথস্ক্রিয়া তলানিতে। আফগানিস্তান ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার অন্য কোনো দেশের সঙ্গেই ভারতের সম্পর্ক স্বাভাবিক নেই। দক্ষিণ এশিয়ায় নিরাপত্তাহীনতা, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও রাজনৈতিক অবিশ্বাসের পেছনে বড় কারণ ভারতের দাদাগিরি। অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের মতো কঠোর চাপ সৃষ্টির কৌশল প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে ভারতের প্রতি সন্দেহ ও অবিশ্বাসের মনোভাব বাড়িয়েছে। বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপে প্রকাশ্য স্বৈরতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে ভারত ভূমিকা রেখেছে। এর ফলে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো ক্রমেই বিকল্প কৌশল খুঁজছে এবং বহুমুখী শক্তির ভারসাম্যের পথে হাঁটছে।

ভারতের আধিপত্যবাদ এবং তার বিপরীতে যে প্রতিক্রিয়া তৈরি হচ্ছে, তার সবচেয়ে পরিষ্কার উদাহরণ দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশে। ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশকে দিল্লির প্রভাব থেকে সরিয়ে নিরপেক্ষ ও স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির দিকে নিয়ে যাচ্ছেন বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এই উদ্যোগ কারণহীন নয়। প্রতিবেশীর সঙ্গে বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক সম্পর্কে চলছে ঘোরতর অস্বস্তি ও আস্থাহীনতা। অথচ বাংলাদেশের বর্তমান আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন, পুরোনো ও স্বল্পপাল্লার। তুরস্কের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তি এখন প্রায় শেষপর্যায়ে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে। এই চুক্তির আওতায় ঢাকা পেতে যাচ্ছে তুরস্কের তৈরি দূরপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা (এসআইপিইআর)। পাশাপাশি সম্ভাবনা রয়েছে যৌথভাবে তুর্কি যুদ্ধ ড্রোন তৈরিরও। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে তুরস্কের তৈরি অত্যাধুনিক ১৮টি রকেট লঞ্চার সংগ্রহ করেছে, যা দেশের সেনাবাহিনীর ক্ষমতা অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে।

বাংলাদেশ সম্প্রতি পাকিস্তানের কাছ থেকে ‘জেএফ-১৭ ব্লক থ্রি’ যুদ্ধবিমান কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এই যুদ্ধবিমান বিক্রির বিষয়ে দুই দেশ এখনো কোনো চুক্তিতে পৌঁছায়নি, তবে বাংলাদেশ কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। পাকিস্তান ইতোমধ্যে আজারবাইজার, মিয়ানমার ও নাইজেরিয়ার কাছে এই যুদ্ধবিমান বিক্রি করেছে। ৬ জানুয়ারি পাকিস্তান বিমানবাহিনী প্রধানের সঙ্গে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী প্রধানের বৈঠকে এ আলোচনা হয়েছে। এ সময় পাকিস্তান বিমানবাহিনী প্রধান বাংলাদেশকে সুপার মুশশাক প্রশিক্ষণ বিমান দ্রুত সরবরাহ এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ সহায়তার বিষয়েও আশ্বাস দিয়েছেন। বৈঠকে প্রশিক্ষণ, সক্ষমতা বৃদ্ধি ও মহাকাশ খাতে গুরুত্ব দেওয়া হয়। এছাড়া সামরিক ড্রোন কারখানা স্থাপনে চীনের সঙ্গে ৬০৮ কোটি টাকার চুক্তি স্বাক্ষর করবে বাংলাদেশ। দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সামরিক ড্রোন কারখানা স্থাপনে চীনের সঙ্গে জি-টু-জি (গভর্নমেন্ট-টু-গভর্নমেন্ট) ভিত্তিতে চুক্তির পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ এক যুগসন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে, তাই পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক ভাবনাটি আগেভাগে ভেবে রাখা জরুরি। বাংলাদেশ যখন প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার কৌশল নির্ধারণ করবে, তখন তা শুধু কূটনৈতিক সুবিধা নয়, বরং আদর্শিক, ভূরাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত বিবেচনায়ও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ভারতসহ প্রতিবেশীদের সঙ্গে কিছু সুনির্দিষ্ট পলিসি নির্ধারণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

১. সার্ক পুনরুজ্জীবন

আগামী নির্বাচনে নির্বাচিত নতুন সরকারের প্রথম ও প্রধান কূটনৈতিক কর্মসূচি হওয়া উচিত দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) পুনরুজ্জীবন ও কার্যকরীকরণের উদ্যোগ। সার্ক পুনরুজ্জীবনের উদ্যোগ নিলে সেটিই হবে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বাস্তব পদক্ষেপ।

২. জাতীয় নিরাপত্তা রূপরেখা প্রণয়ন

বাংলাদেশের কোনো ‘ন্যাশনাল সিকিউরিটি ডকট্রিন (National Security Doctrine) নেই, যা জাতীয় সংকটের সময় জাতিকে দিকনির্দেশনা দেবে। এমনকি দেশে কোনো বিশেষজ্ঞ কমিটি নেই। এখন শুধু যুদ্ধ নয়, বরং আলোচনার মাধ্যমেও দেশগুলো তাদের শক্তি ও প্রভাব বাড়ায়। তাই বাংলাদেশকে একটি ‘জাতীয় নিরাপত্তা রূপরেখা’ তৈরি করতে হবে।

৩. নিরপেক্ষ ও বহুমাত্রিক পররাষ্ট্রনীতি

‘নিরপেক্ষ’ ও ‘বহুমাত্রিক’ পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করতে হবে। বাংলাদেশ ভারতসহ অন্য দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক ভারসাম্যপূর্ণভাবে পরিচালনা করবে। UN, SAARC, BIMSTEC, OIC এবং জাতিসংঘের মাধ্যমে বহুমাত্রিক সম্পর্ক বজায় রাখার কৌশল অবলম্বন করতে হবে।

৪. প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা নীতির উন্নয়ন

বাংলাদেশকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শক্তিগুলোর মধ্যকার নিরাপত্তা প্রতিযোগিতায় সরাসরি যুক্ত না হয়ে স্বাধীনতা এবং জাতীয় স্বার্থ বজায় রেখে কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে। এটি বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক অবস্থান, সামরিক সক্ষমতা, অর্থনৈতিক চাহিদা এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারত্বকে সমন্বয় করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি ‘স্মার্ট’ প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা কূটনীতি হিসেবে বিবেচিত হবে।

৫. চুক্তি পুনঃপর্যালোচনা

হাসিনা আমলের সব চুক্তি পুনঃআলোচনা করতে হবে। কারণ, সেগুলোর বেশির ভাগই ছিল একতরফা এবং বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী।

৬. সীমান্ত ও নিরাপত্তা ইস্যু

সীমান্ত হত্যা শূন্যে নামানো—শুধু প্রতিবাদ নয়, যৌথ নজরদারি ও জবাবদিহি ব্যবস্থা করতে হবে। সীমান্তে ড্রোন ও প্রযুক্তিগত সমন্বয় বাড়াতে হবে।

৭. পানি ও নদী ব্যবস্থাপনা

তিস্তা চুক্তি বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক ফোরাম ও নদী আইন (UN Watercourses Convention) ব্যবহার করতে হবে। এছাড়া সব অভিন্ন নদীর জন্য বেসিনভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানের চুক্তি করতে হবে।

৮. অলটারনেটিভ সাপ্লাই চেইন তৈরি

ভারতের ওপর নির্ভরশীল আমদানি পণ্য বিকল্প রাষ্ট্র থেকে আমদানির ব্যবস্থা করা জরুরি। এর জন্য বাংলাদেশের একটি কার্যকর ‘অলটারনেটিভ সাপ্লাই চেইন’ কৌশল নির্ধারণ করা প্রয়োজন, যা ভারতের সম্ভাব্য অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা থেকে বাংলাদেশকে সুরক্ষিত রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

পরিশেষে, ভারতকে কোনো নির্দিষ্ট দলের সঙ্গে নয়, বরং রাষ্ট্রের সঙ্গে রাষ্ট্রের সম্পর্ক মাথায় নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে হবে। দুই প্রতিবেশী দেশের জনগণের সম্পর্ক, যোগাযোগ, ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষি ও উৎপাদনের স্বার্থে বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্কটি হতে হবে মর্যাদাপূর্ণ। এই সম্পর্ক হওয়া উচিত পারস্পরিক সম্মান, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং সহযোগিতামূলক মনোভাবের ওপর ভিত্তি করে। তাহলেই আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা ও ভূরাজনৈতিক ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হবে।

লেখক : এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর, সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড স্টাডিজ অ্যান্ড থটস (কাস্ট)

নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের প্রশ্ন

পিপিপি ও জি-টু-জি মডেল বন্দর ব্যবস্থাপনার টেকসই আধুনিকায়ন

বাংলাদেশের নির্বাচনে ঐতিহাসিক ঘটনাবলি

কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন এখন ভারতের গলার ফাঁস

সৈকতে দানবের সঙ্গে দুর্গন্ধও দূর হোক

বিপন্ন স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও সংস্কার কমিশন প্রতিবেদন

কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটই গণতন্ত্রের শেষ সুযোগ

বেহেশতের টিকিট বনাম দুনিয়ার রাজনীতি

ঋণখেলাপি এবং দ্বৈত নাগরিক সব ভবিষ্যৎ আইনপ্রণেতা

২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান ও ডিপ স্টেট