হোম > রাজনীতি > এবি পার্টি

‘গুমের তদন্ত অভিযুক্ত বাহিনীর হাতে নয়, স্বাধীন প্রতিষ্ঠানের অধীনে দিতে হবে’

স্টাফ রিপোর্টার

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন এবং সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিল নিয়ে গভীর উদ্বেগ ও কিছু সুনির্দিষ্ট প্রত্যাশার কথা জানিয়েছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)। দলটি মনে করে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রীয় গুম, নির্যাতন, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং নাগরিকের সম্পত্তি ও আবাসনের নিরাপত্তাহীনতার স্থায়ী অবসান নিশ্চিত করতে প্রস্তাবিত আইনগুলোকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করা প্রয়োজন।

দলটির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এক যৌথ বিবৃতিতে এই অভিমত ব্যক্ত করেন।

এবি পার্টির নেতারা বলেন, গুমের অভিযোগের তদন্ত এমন কোনো বাহিনী বা প্রতিষ্ঠানের হাতে রাখা উচিত নয়, যাদের সদস্যদের বিরুদ্ধেই অতীতে গুমের অভিযোগ উঠেছে। গুমের তদন্তে কোনো বাহিনীর ওপর একচ্ছত্র নির্ভরতা দূর করে সম্পূর্ণ স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও বিশেষায়িত তদন্ত ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

তারা বলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে সরকারের প্রভাবমুক্ত ও প্রকৃত অর্থে স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। কমিশনকে নিজস্ব তদন্ত ক্ষমতা, পর্যাপ্ত জনবল, স্বাধীন বাজেট এবং অবাধ পরিদর্শনের ক্ষমতা দিতে হবে। সম্ভাব্য গোপন আটককেন্দ্রসহ দেশের সব হেফাজতস্থলে পূর্বানুমতি ছাড়া পরিদর্শনের সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

নেতারা আরও বলেন, গুমের মতো গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে শুধু সরাসরি জড়িত ব্যক্তিদের নয়, বরং নির্দেশদাতা, পরিকল্পনাকারী, সহযোগী এবং কমান্ড দায়ে জড়িত ব্যক্তিদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের সত্য জানার অধিকার, ন্যায়বিচার, ক্ষতিপূরণ এবং পুনর্বাসনের অধিকার আইনে সুস্পষ্টভাবে নিশ্চিত করতে হবে।

সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিল প্রসঙ্গে এবি পার্টির নেতারা বলেন, বাবা-মা বা কোনো দাতার জীবদ্দশায় সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর করলেও তাদের ব্যবহার ও ভোগের অধিকার সংরক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি করার উদ্দেশ্য মানবিক। তবে এই আইনের বিষয়ে মুসলিম আইন বা শরিয়ার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিছু আছে কি না, তা বিবেচনার জন্য ওলামায়ে কেরামের মতামতকে প্রাধান্য দিতে হবে।

তারা সতর্ক করে বলেন, মালিকানা ও ভোগাধিকার পৃথক হয়ে গেলে ভবিষ্যতে সম্পত্তি বিক্রি, বন্ধক, ভাড়া দেওয়া, রক্ষণাবেক্ষণ, কর প্রদান এবং উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে নতুন বিরোধ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে আইনটি বাস্তবায়নের আগে এসব বিষয়ে সুস্পষ্ট বিধান থাকা জরুরি। দান, হেবা, উত্তরাধিকার এবং সম্পত্তি হস্তান্তরসংক্রান্ত বিদ্যমান আইনের সঙ্গে নতুন বিধানের সামঞ্জস্য স্পষ্ট করার পাশাপাশি বাবা-মায়ের সম্পত্তি ও আবাসনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তারা।

মজিবুর রহমান মঞ্জু ও ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, রাষ্ট্রের কোনো বাহিনী, কর্মকর্তা কিংবা রাজনৈতিক ক্ষমতাধর ব্যক্তি আইনের ঊর্ধ্বে থাকতে পারেন না। নতুন বাংলাদেশে রাষ্ট্র হবে জনতার এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের শিকার মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই হবে আইনের প্রধান উদ্দেশ্য।

ওবায়দুল করিমের বিদেশযাত্রা ঠেকাতে উচ্চ আদালতে দুদক

সংসদে আরো চার কমিটি গঠন, সভাপতির পদে নেই বিরোধী দলের কেউ

হরমুজে নতুন নৌপথ ও উপসাগরে নিষিদ্ধ এলাকা ঘোষণা করবে ইরান

ইয়াবা উদ্ধারে বিএনপি নেতাসহ চারজনের নামে মামলা, গ্রেপ্তার ৩

দরিদ্রদের বাদ দিয়ে নগর উন্নয়ন নয়: মঈন খান

জবির দ্বিতীয় ক্যাম্পাস এলাকায় পুকুরে ডুবে দুই নারীর মৃত্যু

যুক্তরাষ্ট্রে সাইফুজ্জামান-রুকমিলার সম্পদের রেকর্ড পেয়েছে দুদক

ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামি বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা

পেট্রোবাংলার নতুন চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান

সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিল: গেজেটে যা আছে