হোম > রাজনীতি

১৭ বছর পরে শ্বশুরবাড়ি গেলেন তারেক রহমান

আতিকুর রহমান নগরী

দীর্ঘ ১৭ বছর পর রাজধানীর ধানমন্ডিতে শ্বশুরবাড়ি মাহবুব ভবনে গেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) বিকেলে গুলশানের বাসভবন থেকে সড়কপথে তিনি সেখানে পৌঁছান।

দলীয় সূত্র জানায়, শনিবার বিকেল ৪টা ২৫ মিনিটে তারেক রহমানকে বহনকারী গাড়িবহর গুলশান এভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসভবন ত্যাগ করে ধানমন্ডির মাহবুব ভবনের উদ্দেশে রওনা দেয়।

ধানমণ্ডির মাহবুব ভবনে পৌঁছে ওই বাড়ির কয়েকটি বিড়ালকে আদর করছেন তারেক রহমান— এমন একটি ছবি বিএনপির মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে পোস্ট করা হয়। আর ক্যাপশনে লেখা হয়—‘প্রাণিপ্রেমী তারেক রহমান।

ওই ছবিতে দেখা যায়, বিড়ালগুলো ছোট একটি ঘরের মতো, সেখানে আছে। ঘরটির সামনের দিক নেট দিয়ে আটকানো। নেটের ফাঁক দিয়ে হাত দিয়ে বিড়ালগুলোকে আদর করছেন তারেক রহমান।

দীর্ঘ নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে গত ২৫ ডিসেম্বর যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে দেশে ফেরেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেদিন বেলা ১১টা ৩৯ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজে তিনি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। পরে জুলাই-৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে আয়োজিত গণসংবর্ধনায় লাখো কর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন।

সেখানে সংবর্ধনা শেষে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেন তিনি।

এর আগে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া শেষে বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। পরে সেখানে উপস্থিত নেতাদের সঙ্গে তিনি কুশল বিনিময় ও আলিঙ্গন করেন।

সরকারি বাসভবনে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন বিরোধীদলীয় নেতা

দলীয় প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে সরকার গণতান্ত্রিক রীতি ভঙ্গ করেছে

অনবরত বন্ধুত্বের পরিচয় দিয়েই চলেছে চীন: জামায়াত আমির

ক্ষমতার লেজুড়বৃত্তিতে বিলীয়মান বাম রাজনীতি

‘আমি মারা যাইনি’ ফেসবুক পোস্টে তাসনিম জারা

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পরিবর্তে সরকার ধোঁয়াশা তৈরি করছে: ড. আবদুল কাদের

সরকার পুরোনো পথে হাঁটছে: নাহিদ ইসলাম

প্রতিটি শিক্ষার্থী হবে এক একজন যোদ্ধা, টঙ্গীতে জামায়াত আমির

গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতেই হবে: আব্দুস সবুর ফকির

দেশজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে শিবিরের গভীর উদ্বেগ