হোম > রাজনীতি

‘মায়ের স্নেহ স্পর্শের আকাঙ্ক্ষা যেকোনো সন্তানের মতো আমারও আছে’

পোস্টে তারেক রহমান

আমার দেশ অনলাইন

ফাইল ছবি

এমন সংকটকালে মায়ের স্নেহ স্পর্শ পাবার তীব্র আকাঙ্ক্ষা যেকোনো সন্তানের মতো আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সবার মতো এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয় বলে—উল্লেখ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন—বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ ও সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন। তাঁর রোগমুক্তির জন্য দল মত নির্বিশেষে দেশের সব স্তরের নাগরিক আন্তরিকভাবে দোয়া অব্যাহত রেখেছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা তার রোগমুক্তির জন্য দোয়ার সাথে সাথে চিকিৎসার সর্বত্র সহায়তার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।

দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, সর্বজন শ্রদ্ধেয়া বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি সবার আন্তরিক দোয়া ও ভালোবাসা প্রদর্শন করায় জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে সবার প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। একই সাথে বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তির জন্য সবার প্রতি দোয়া অব্যাহত রাখার জন্য ঐকান্তিক অনুরোধ জানাচ্ছি।

তারেক রহমান বলেন, এমন সংকটকালে মায়ের স্নেহ স্পর্শ পাবার তীব্র আকাঙ্ক্ষা যেকোনো সন্তানের মতো আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সবার মত এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। স্পর্শকাতর এই বিষয়টি বিস্তারিত বর্ণনার অবকাশও সীমিত। রাজনৈতিক বাস্তবতার এই পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে উপনীত হওয়া মাত্রই, স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে আমার সুদীর্ঘ উদ্‌বিগ্ন প্রতীক্ষার অবসান ঘটবে বলেই আমাদের পরিবার আশাবাদী।

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দুই মামলায় খালেদা জিয়াকে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছিল। দুই বছরের বেশি সময় তিনি কারাবন্দি ছিলেন। ২০২০ সালের ২৫ মার্চ তৎকালীন সরকার নির্বাহী আদেশে তার সাজা স্থগিত করে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেয়। এরপর ছয় মাস পরপর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তার সাজা স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ বাড়াচ্ছিল সরকার। যদিও চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশ যেতে দেয়া হয়নি।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর খালেদা জিয়া মুক্তি পান। গত ৮ জানুয়ারি চিকিৎসার জন্য তিনি যুক্তরাজ্যে যান। চার মাস পর ৬ মে তিনি দেশে ফেরেন। তারপর থেকে দেশেই চিকিৎসা নিচ্ছিলেন খালেদা জিয়া।

খালেদা জিয়া গণতান্ত্রিক সংগ্রামের অনুপ্রেরণা : নাহিদ

খালেদা জিয়ার অবস্থা ক্রিটিক্যাল, তবে কথা বলতে পারছেন

এভারকেয়ার হাসপাতালে ভিড় না করে দোয়া করার আহ্বান রিজভীর

খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে মামুনুল হক

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা জমিয়তের

হাসিনার ফাঁসি পর্যন্ত আল্লাহ যেন খালেদা জিয়াকে বাঁচিয়ে রাখে

খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ দল পাঠাতে আগ্রহী চীন

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা লেবার পার্টির ইরানের

সিলেটের ছয় আসনের চারটিতেই অগোছালো বিএনপি

খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে হাসনাত-জারা-নাসীর