হোম > রাজনীতি

জুলাই জাদুঘর থেকে হেফাজত নেতাকর্মীদের ভাস্কর্য অপসারণের দাবি জমিয়তের

আমার দেশ অনলাইন

ছবি: সংগৃহীত

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর থেকে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নেতাকর্মীদের ভাস্কর্য অপসারণের দাবি জানিয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ।

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে জমিয়ত ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সম্মেলন ও কাউন্সিল অধিবেশনে এ দাবি জানান দলের নেতারা।

জমিয়ত নেতারা বলেন, কোনো ব্যক্তি বা ইসলামিক দলের নেতাকর্মীদের‌ই ভাস্কর্য হোক সবই ইসলামি শরিয়া মোতাবেক অবৈধ।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুফতি মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে এবং মুফতি বশীরুল হাসান খাদিমানী ও মুফতি নুরুল আলম ইসহাকীর সঞ্চালনায় অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন দলের সভাপতি শাইখুল হাদিস মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা আবদুর রব ইউসুফী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা বাহা উদদীন যাকারিয়া, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মতিউর রহমান গাজীপুরী, মাওলানা আব্দুল হক কাওসারী, মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরী, সহকারী মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মুফতি মকবুল হোসাইন কাসেমী, মাওলানা জিয়াউল হক কাসেমী, মাওলানা জয়নুল আবেদীন, প্রচার সম্পাদক মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী প্রমুখ।

অধিবেশনে মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ও জনগণের প্রত্যাশার আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে দেশের সব রাজনৈতিক দলই একমত। তবে জুলাই সনদ প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে দেওয়া নোট অব ডিসেন্ট যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি।

তিনি বলেন, জুলাই সনদ নিয়ে এ ধরনের ধাক্কাধাক্কির এবং হলগুলোতে ছাত্রদের মারামারির ফলে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার পথ সুগম হচ্ছে। এ মুহূর্তে বিভেদ ও বিরোধে না জড়িয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

মহাসচিব মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক দল বা পক্ষকে উপেক্ষা করা যাবে না। সনদ প্রণয়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামত ও আপত্তিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।

তিনি বলেন, আলী রীয়াজের নেতৃত্বাধীন কমিশন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে দেওয়া নোট অব ডিসেন্টের যথাযথ মূল্যায়ন করেনি। বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন। একটি কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য রাজনৈতিক সংস্কারের জন্য সব পক্ষের মতামতের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে।

মাওলানা আফেন্দী বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল মানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার, সুশাসন ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা। তাই শুধু রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংস্কারের আলোচনা করলেই হবে না; একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার সংকটও সমাধান করতে হবে।

বক্তারা বলেন, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। জনগণের ওপর নতুন করে অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে কোনো সংস্কারই টেকসই হবে না। বাজার সিন্ডিকেট, মজুতদারি ও অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

তারা বলেন, দেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নানা সংকট ও দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। জনগণের শোক, দুঃখ ও কষ্ট উপলব্ধি করে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে হবে। জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে তাদের জীবন ও জীবিকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান দায়িত্ব হওয়া উচিত।

কাউন্সিলে মুফতি মাহবুবুল আলমকে সভাপতি, মুফতি নুরুল আলম ইসহাকীকে সাধারণ সম্পাদক, মাওলানা আনোয়ার হামিদীকে সাংগঠনিক সম্পাদক ও মুফতি শাব্বির আহমদকে প্রচার সম্পাদক করে ৬১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এমই

রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহ যাত্রীদের নিরাপত্তা চাইলেন মামুনুল হক

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার সুনিশ্চিত করতে হবে: এমপি মিলন

রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের সদস্যসচিব আয়াসের মুক্তি দাবি জামায়াতের

সৌদিতে আহত বাংলাদেশিদের খোঁজ নিলেন এনসিপি নেতারা

আইনশৃঙ্খলার অবনতি রোধে দৃশ্যমান পদক্ষেপের দাবি নেজামে ইসলাম পার্টির

স্পেনের জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে জামায়াত সেক্রেটারির অংশগ্রহণ

গুপ্ত ও ফ্যাসিবাদী শক্তি দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করছে: আমান উল্লাহ আমান

জনগণকে প্রতিপক্ষ বানিয়ে কেউ সফল হতে পারে না: প্রতিমন্ত্রী

পুরোনো ফ্যাসিবাদ নতুন করে ফিরে আসছে: সাদিক কায়েম

সরকার সব সময় শিক্ষার্থীদের দমিয়ে রাখার চেষ্টা করে: ছাত্রশিবির সেক্রেটারি