হোম > রাজনীতি

হাদি হত্যার নেপথ্যের চক্র উন্মোচনের দাবি ইনকিলাব মঞ্চের

বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার

শহীদ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে মূল শুটার গ্রেপ্তার হলেও এর পেছনের পরিকল্পনাকারী ও অর্থদাতাদের এখনো গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে অভিযোগ করেছে ইনকিলাব মঞ্চ। একইসঙ্গে চলমান তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে আস্থা না থাকার কথা জানিয়ে হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে জাতিসংঘের অধীনে পৃথক তদন্তের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

সোমবার (৯ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদকে ভারতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে তারা তথ্য পেয়েছেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার সঙ্গেও তার কথা হয়েছে এবং তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। প্রায় ৮৭ দিন পর হত্যাকাণ্ডে জড়িত শুটার গ্রেপ্তার হওয়াকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

তবে জাবের বলেন, “শুধুমাত্র যে ব্যক্তি গুলি করেছে সে-ই একমাত্র হত্যাকারী নয়। শহীদ ওসমান হাদির হত্যার পেছনে যারা পরিকল্পনা করেছে, শুটার ভাড়া করেছে এবং পুরো অপারেশন পরিচালনা করেছে- তাদের এখনো দৃশ্যমান করা হয়নি।”

তিনি অভিযোগ করেন, এর আগে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) মাধ্যমে হওয়া তদন্তে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। বর্তমানে মামলাটির তদন্তভার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) গ্রহণ করেছে এবং তারা তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

জাবের জানান, সিআইডির তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে তার কথা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, মূল শুটারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে হত্যার পেছনে জড়িতদের শনাক্ত করে বিচারের মুখোমুখি করার চেষ্টা চলছে।

তদন্তে অগ্রগতির জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে ধন্যবাদ জানালেও তিনি সতর্ক করে বলেন, এই গ্রেপ্তারকে ঘিরে যেন কোনো ধরনের রাজনৈতিক দরকষাকষি না হয়।

তিনি বলেন, “শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া যেন কোনোভাবেই দীর্ঘায়িত না হয়। রেড নোটিশসহ আন্তর্জাতিক আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করে তাদের দেশে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।”

হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের সম্পৃক্ততার দাবিও পুনর্ব্যক্ত করেন ইনকিলাব মঞ্চের এই নেতা।

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার এ বিষয়ে জাতিসংঘের কাছে চিঠি পাঠিয়েছিল বলে তাদের জানানো হয়েছিল। এখন বর্তমান সরকারের উচিত সেই প্রক্রিয়ার অগ্রগতি সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করা।

জাবের বলেন, “জাতিসংঘ এই তদন্তভার নিতে সম্মত হয়েছে কিনা, হলে সরকার কী ধরনের সহযোগিতা দেবে- এসব বিষয় জনসম্মুখে প্রকাশ করা প্রয়োজন। নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে তদন্ত অত্যাবশ্যক হয়ে দাঁড়িয়েছে।”

সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু রাজনৈতিক দল ও তাদের অনলাইন কর্মীরা বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালাচ্ছে এবং হাদি হত্যাকাণ্ডে ন্যায়বিচার দাবি করা ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে।

তিনি বলেন, “কিছু রাজনৈতিক শক্তি মিডিয়া ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়াকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই বিভিন্ন পক্ষের ওপর দায় চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা বিচার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে।”

সরকারকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, এ ধরনের অপপ্রচার বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার যে প্রতিশ্রুতি সরকার বারবার দিয়েছে, তা বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

জনগণের অধিকার হরণ হলে প্রতিরোধ করব

২০৪২ সাল পর্যন্ত তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী থাকবেন: জয়নুল আবদিন ফারুক

ছাত্রদলের ১১৮৮ কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে সরকারের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে

ঢাকায় জামায়াতের এমপি কর্নেল বাতেনের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

আল-আরাফাহ ব্যাংকের ইভিপি আবদুর রহিমের জানাজায় জামায়াত আমির

ঢাবি ইনকিলাব মঞ্চের নতুন কমিটির যাত্রা শুরু

নারীর ক্ষমতায়নে বিএনপি সব সময় কাজ করেছে

বিএনপিকে ধন্যবাদ জানালেন পাটওয়ারী

জামায়াতের দুই নেতার ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ