হোম > রাজনীতি

ভারতের দ্বিতীয় দালাল জাতীয় পার্টির কবর

নির্বাচনে ২০০ আসনে প্রার্থী দিলেও জয় পায়নি একটিতেও

স্টাফ রিপোর্টার

বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের পর ভারতের দ্বিতীয় দালাল হিসেবে পরিচিত এরশাদের জাতীয় পার্টির (জাপা) রাজনৈতিক মৃত্যু হয়েছে। এক সময় বৃহত্তর রংপুর ছিল জাতীয় পার্টির দুর্গ। এবারের নির্বাচনে দলটি সারা দেশে ২০০ আসনে প্রার্থী দেয়। কিন্তু একটি আসনেও জয়লাভ করতে পারেনি।

রংপুর বিভাগের ৩৩টি আসনের মধ্যে ৩০টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল জাপা। কিন্তু রংপুর, কুড়িগ্রাম ও নীলফামারীতে কোনো আসনেই জিততে পারেনি। সবকটি আসনে জয়ী হয়েছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট। দাঁড়িপাল্লার কাছে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়েছে লাঙ্গল। দুটি আসনে ভাগ বসিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শাপলা কলি। প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে জামায়াত জোটের সঙ্গে বিএনপির।

১৯৯০ সালে জেনারেল এরশাদের স্বৈরশাসনের পতনের পর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জাপা বৃহত্তর রংপুরে একচেটিয়া জয় পায়। পরের নির্বাচনগুলোতেও জয়ের ধারা অব্যাহত থাকে লাঙ্গলের। কিন্তু গত ১৭ বছর আওয়ামী লীগের সঙ্গে নির্বাচনি জোটে থাকায় জাপা ২০২৪ সালের আগস্টের পর অস্তিত্ব সংকটে পড়ে।

আওয়ামী লীগ, শেখ হাসিনা ও ভারতের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সখ্য এবং ‘গৃহপালিত বিরোধী দল’ হিসেবে ভাবমূর্তি জাতীয় পার্টির রাজনৈতিক মৃত্যু ঘটায়। সারা দেশই শুধু নয়, এরশাদের এলাকা হিসেবে পরিচিত বৃহত্তর রংপুরে দলটির কবর রচিত হয়। দলটির চার দশকের ইতিহাসে এবার একটি আসনেও জিততে পারেনি। দলটির মধ্যে কোন্দল এখন চরম পর্যায়ে। এরশাদের ভাই জিএম কাদের ও রওশন এরশাদ ছাড়াও আনিসুল ইসলাম মাহমুদের গ্রুপও আলাদা হয়ে গেছে। দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলও দলকে দুর্বল করে দিয়েছে। বিগত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগের সঙ্গে ভাগাভাগি করে জাতীয় পার্টি আসন নিয়েছে। ২০২৪ সালের ১২তম নির্বাচনে জাপাকে ১১টি আসন দিয়েছিল আওয়ামী লীগ।

জাতীয় পার্টির বর্তমান চেয়ারম্যান জিএম কাদের স্বঘোষিত ‘ভারতীয় দালাল’ হিসেবে পরিচিত। ২০২৩ সালের আগস্টে ভারত সফর শেষে দেশে ফিরে জিএম কাদের সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ভারত সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে তার খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘ভারতের অনুমতি ছাড়া সফর সম্পর্কে কিছু বলা সম্ভব নয়।’ তিনি আরো বলেন, ভারত বাংলাদেশে একটি ‘ভালো নির্বাচন’ দেখতে চায়। সেই সময় আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকা নিয়ে ভারতের সমর্থনের যে গুঞ্জন ছিল, তার পরিপ্রেক্ষিতে জিএম কাদের এই মন্তব্য করেন। জিএম কাদের অবশ্য ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ২০২৪ সালের নির্বাচনে অংশ নিতে তার দলকে আওয়ামী লীগ ‘ব্ল্যাকমেইল’ করেছিল। তিনি বর্তমানে দেশের স্বার্থে কাজ করছেন বললেও জনগণ তাকে এবং তার দলকে বিশ্বাস করেনি। ফলে জাপা কোনো আসন পায়নি এবং তাদের প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

ভারতের সঙ্গে গোপন আঁতাত করছে সরকার: নাহিদ ইসলাম

‘স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করাই সরকারের জন্য সম্মানজনক হবে’

ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ জামায়াতের, সেনা মোতায়েনের দাবি

এ সরকার অবৈধ, জনগণের ৭০ শতাংশ রায়কে অবমাননা করেছে তারা: নাহিদ ইসলাম

ইসলামকে বিজয়ী করতে হবে, এর মাধ্যমেই কেবল বৈষম্যহীন সমাজ সম্ভব: মামুনুল হক

জাতীয় উলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের ১০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

সাভারের সেই মহিলা মাদ্রাসা পরিদর্শন, শাস্তি নিশ্চিতে ভূমিকার আশ্বাস কওমি আলেমদের

আইনশৃঙ্খলার অবনতি রাষ্ট্রের জন্য অশনিসংকেত: নেজামে ইসলাম পার্টি

আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনতে যা যা করা প্রয়োজন, সবই করছে বিএনপি: নাহিদ

আশঙ্কা ছিল, সংস্কারের কোনো এজেন্ডাই বাস্তবায়ন করবে না বিএনপি, সেটিই সত্য হয়েছে