হোম > রাজনীতি

আলোচিত নেতাদের পরাজয়

ইসমাঈল হোসাইন সোহেল

দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনমুক্ত বাংলাদেশে এবার ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রকৃত অর্থে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশের মানুষ। আওয়ামী লীগের আমলের বিনা ভোটের নির্বাচন, নিশিরাতের ভোট ও আমি-ডামি নির্বাচনের নেতিবাচক অভিজ্ঞতার কারণে একটা সময় মানুষ ভোটকেন্দ্রে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল। মাইক দিয়ে ডেকেও ভোটারদের কেন্দ্রে নেওয়া যেত না। সর্বোপরি আওয়ামী লীগের ভেঙে দেওয়া ভোট ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের যাত্রা ছিল এবারের নির্বাচন।

এই নির্বাচনে প্রথমবার প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নেওয়া ও কম পরিচিত প্রার্থীদের অনেকেই নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে আলোচিত ও হেভিওয়েট নেতাদের অনেকের পরাজিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এদের মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী যেমন রয়েছেন তেমনি রয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থীরা। আবার দল দুটির জোটের আলোচিত প্রার্থী ছাড়াও রয়েছে অন্য ছোট দলের প্রার্থী। তাদের কেউ কেউ জামানতও হারিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফলে এই তথ্য জানা গেছে।

নির্বাচনে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর তিন হেভিওয়েট প্রার্থীর পরাজয়। দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি মোহাম্মদ শিশির মনির নিজ নিজ আসনে হেরে গেছেন।

এর মধ্যে খুলনা-৫ আসনে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের চেয়ে ২ হাজার ৭০২ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ আলি আসগার লবি। বিএনপির সাবেক এমপি ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক সভাপতি আলি আসগার লবি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৬৫৮ ভোট। অন্যদিকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে জামায়াতের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) গোলাম পরওয়ার পেয়েছেন ১ লাখ ৪৪ হাজার ৯৫৬ ভোট।

কক্সবাজার-২ আসনে বিএনপি প্রার্থীর কাছে বড় ব্যবধানে হেরে গেছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৬৩৪ ভোট। বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ২৬২ ভোট। হামিদুর রহমান আযাদ ২০০৮ সালের নির্বাচনে এই আসন থেকে এমপি হন।

সুনামগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী নাছির চৌধুরীর কাছে পরাজিত হয়েছেন জামায়াতের মোহাম্মদ শিশির মনির। নির্বাচনে শিশির মনির পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৮৫৮ ভোট। বিএনপির নাছির পান ৯৭ হাজার ৭৯০ ভোট। সে অনুযায়ী ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ৩৯ হাজার ৯৩২ ভোট বেশি পেয়েছেন।

সেলিম উদ্দিন

সিলেট-৬ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ও দলের ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মো. সেলিম উদ্দিনকে পরাজিত করে বিজয়ী হন বিএনপির এমরান আহমদ চৌধুরী। এমরান চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ৬২২ ভোট। সেলিম উদ্দিনের প্রাপ্ত ভোট ৯৭ হাজার ৭৩৭। ১০ হাজার ৮৮৫ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছে ধানের শীষ।

মো. এনায়েত উল্লাহ

ঢাকা-৭ আসনে ১ লাখ ৪ হাজার ৬৬৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী হামিদুর রহমান। তার নিকটতম প্রার্থী জামায়াতের প্রার্থী মো. এনায়েত উল্লা পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৪৮৩ ভোট। ভোটের ব্যবধান ৬ হাজার ১৮৩।

এস এম খালিদুজ্জামান

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ঢাকা-১৭ আসনে বেশ আলোচিত ছিলেন জামায়াতের প্রার্থী ডা. এস এম খালিদুজ্জামান। এই আসনে তারেক রহমান ৭২ হাজার ৬৯৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। খালিদুজ্জামান পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৩০০ ভোট।

শামীম সাঈদী

পিরোজপুর-২ আসনে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে হিসেবে বেশি আলোচিত ছিলেন তার বড় ছেলে শামীম সাঈদী। তবে বিএনপির প্রার্থী আহম্মদ সোহেল মনজুর এক লাখ পাঁচ হাজার ১৮৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। আর শামীম পান ৯৬ হাজার ৮৯৭ ভোট। তবে পিরোজপুর-১ আসনে সাঈদীর ছোট ছেলে মাসুদ সাঈদী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে এক লাখ ৩২ হাজার ৬৫৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

দেলাওয়ার হোসেন

আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সময়ে জেলে নিষ্ঠুর নিপীড়নে শিকার ঠাকুরগাঁও-১ আসনের জামায়াত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এই প্রতিদ্বন্দ্বী শুরু থেকেই আলোচনায় ছিলেন। তবে ৭২ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন মির্জা ফখরুল। আর দেলাওয়ার পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৪০২ ভোট।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

ঢাকার নির্বাচনি আসনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচিত ঢাকা-৮। এই আসনে বেশ আলোচিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। আসনটিতে নাসীরুদ্দীন মাত্র ৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে হেরে যান। এখানে মির্জা আব্বাস পান ৫৯ হাজার ৩৬৬ ভোট আর নাসীরুদ্দীন ৫৪ হাজার ১২৭ ভোট পেয়েছেন।

সানজিদা ইসলাম তুলি

ঢাকা-১৪ আসনে দুই হেভিওয়েট প্রার্থী ছিলেন গুম-খুন নিয়ে কাজ করা সংগঠন মায়ের ডাকের সানজিদা ইসলাম তুলি ও গুমফেরত জামায়াতের প্রার্থী ব্যারিস্টার আহমদ বিন কাসেম আরমান। তবে আসনটিতে ব্যারিস্টার আরমানের কাছে পরাজিত হন বিএনপির প্রার্থী তুলি। তিনি পেয়েছেন ৮০ হাজার ৯২৭ ভোট। আর ব্যারিস্টার আরমান ৯৬ হাজার ৭৮৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। ভোটের ব্যবধান ১৫ হাজার ৮৫৭।

মামুনুল হক

ঢাকা-১৩ আসনের আলোচিত প্রার্থী মজলুম আলেম ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক। তিনি বিএনপির প্রার্থী ববি হাজ্জাজের কাছে হেরে যান। ধানের শীষ প্রতীকে ববি পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৮৭ ভোট। আর জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে রিকশা প্রতীকে মামুনুল হক পান ৮৬ হাজার ৬৭ ভোট। তাদের ভোটের ব্যবধান ২ হাজার ৩২০।

সারজিস আলম

জুলাই বিপ্লবের প্রথম সারির নেতা হিসেবে ভোটের মাঠেও আলোচনায় ছিলেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি পঞ্চগড়-১ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে বিএনপি প্রার্থী নওশাদ জমিরের কাছে হেরে যান। নওশাদ ধানের শীষে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৪৩০ ভোট পেয়েছেন। শাপলা কলির সারজিস পান ১ লাখ ৬৬ হাজার ১২৬ ভোট। ব্যবধান ৮ হাজার ৩০৪ ভোটের।

তাসনিম জারা

ঢাকা-৯ আসনে বেসরকারি ফলাফলে হেরেছেন স্বতন্ত্র নির্বাচন করা সাবেক এনসিপি নেত্রী তাসনিম জারা। ফুটবল প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৬৮৪ ভোট। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রশিদ ধানের শীষ প্রতীকে মোট এক লাখ ১১ হাজার ২১২ ভোট পেয়েছেন। তিনি জারার চেয়ে ৬৬ হাজার ৫২৮ ভোট বেশি পেয়েছেন। এই আসনে ফলাফলে জারার অবস্থান তৃতীয়।

হারুনুর রশীদ হারুন

বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি হারুনুর রশীদ হারুনকে হারিয়ে জয় তুলে নিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে জামায়াত প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল। বুলবুল পেয়েছেন ১ লাখ ৮৯ হাজার ৬১৩। আর হারুন পেয়েছেন ১ লাখ ২৬ হাজার ৯৯৭ ভোট। ভোটের ব্যবধান ৬২ হাজার ৬১৬।

আমিনুল হক

আলোচিত প্রার্থীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক ও ধানের শীষের প্রার্থী আমিনুল হক। তিনি জামায়াতের আব্দুল বাতেনের কাছে হেরে যান। বাতেন ৮৮ হাজার ৮২৮ ভোট এবং আমিনুল ৮৫ হাজার ৪৬৭ ভোট পান।

নজরুল ইসলাম মঞ্জু

খুলনা-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৭৮৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আলোচিত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু ধানের শীষ প্রতীকে ৮৮ হাজার ১৯৭ ভোট পেয়ে পরাজিত হন।

কৃষ্ণ নন্দী

খুলনা-১ আসনে ৫০ হাজার ৪৩৪ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন জামায়াতের আলোচিত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের আমীর এজাজ খান ১ লাখ ২০ হাজার ৯২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। কৃষ্ণ নন্দী পান ৬৯ হাজার ৬৫৮ ভোট।

তানভীর আহমেদ রবিন

ঢাকা-৪ আসনে পরাজিত হন বিএনপির সম্ভাবনাময় প্রার্থী তানভীর আহমেদ রবিন। তিনি ৩ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন জামায়াতের প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীনের কাছে। দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে মোট ৭৭ হাজার ৩৬৭ ভোট পেয়েছেন জয়নুল। রবিন পান ৭৪ হাজার ৪৪৭ ভোট।

মাহমুদুর রহমান মান্না

নানা চড়াই-উতরাইয়ের পর বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ পান নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি প্রত্যাশিত ফল করতে পারেননি। কেটলি প্রতীকে তার প্রাপ্ত ভোটসংখ্যা মাত্র ৩ হাজার ৪২৬। এই আসনে তিনি জামানতও হারিয়েছেন।

ফয়জুল করীম

বরিশাল-৫ ও বরিশাল-৬ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করীম। এছাড়া বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ-কাজিরহাট) আসনের প্রার্থী তার ভাই সৈয়দ ইছহাক মুহাম্মাদ আবুল খায়ের পরাজিত হন। আরেক ভাই ঢাকা-৪ আসনে মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানীও পরাজিত হন। হাতপাখা প্রতীকে মোসাদ্দেক বিল্লাহ মাত্র ছয় হাজার ৫১৮ ভোট পেয়ে জামানত হারান।

যদিও জামায়াত জোট থেকে বের হয়ে যাওয়া ইসলামী আন্দোলন এবারের নির্বাচনে ২৫৩‌টি আস‌নে প্রার্থী দেয়। এর ম‌ধ্যে একমাত্র বরগুনা-১ আসন ছাড়া বাকি সব আসনেই তাদের হাতপাখার প্রার্থীরা পরাজিত হন।

এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সহ-সভাপতি জুনায়েদ আল হাবীব, ফেনী-২ আসনে ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী ও এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, গণঅধিকার পরিষদ ছেড়ে সদ্য বিএনপিতে যোগ দেওয়া ঝিনাইদহ-৪ আসনের রাশেদ খান, বরিশাল-৩ আসনে এবি পার্টির প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ভূইয়া ফুয়াদ, পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুন, ঢাকা-১২ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, নরসিংদী-২ আসনে এনসিপি নেতা সারোয়ার তুষার নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন।

৫৩ আসনে ১০ হাজারের কম ব্যবধানে হেরেছেন জামায়াত জোটের প্রার্থীরা

ডেথ সেল থেকে সংসদে জামায়াত নেতা আজহার

জনগণ বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে

বিরোধীদলীয় সমর্থকদের ওপর বিএনপি নেতাকর্মীদের হামলার প্রতিবাদ শিবিরের

চট্টগ্রামে গণমুখী প্রার্থী দেওয়ায় সুবিধা পেয়েছে বিএনপি

নবীন-প্রবীণদের নিয়ে মন্ত্রিসভা গঠনের পরিকল্পনা বিএনপির

দেশজুড়ে হামলা-অগ্নিসংযোগ না থামলে কঠোর আন্দোলন: ১১ দলীয় জোট নেতারা

‘পরিকল্পিত কারচুপি’ ও নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ এনসিপির

বিএনপি জোট জুলাই সনদের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে এগিয়ে নেবে

তিন আসনে এনসিপির প্রার্থীর রিভিউ আবেদন