হোম > রাজনীতি

গুম অধ্যাদেশ বাতিল করে দুর্বল আইন করে জড়িতদের রক্ষার পথ খুলছে সরকার

এবি পার্টির আলোচনা সভায় বক্তারা

স্টাফ রিপোর্টার

গুম অধ্যাদেশ বাতিল করে সরকার যে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে, তা গুমের মতো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচার নিশ্চিত করার পরিবর্তে গুমকারীদের(জড়িতদের) দায়মুক্তির সুযোগ তৈরি করতে পারে। গুমের সংস্কৃতির অবসান ঘটাতে হলে শক্তিশালী ও কার্যকর আইন, স্বাধীন তদন্ত ব্যবস্থা এবং নির্দেশদাতাসহ প্রত্যেক দায়ী ব্যক্তির বিচারের আওতায় আসা নিশ্চিত করতে হবে।

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের তোফাজ্জল হোসাইন মানিক মিয়া হলে এবি পার্টির আয়োজিত এক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।

বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের মূল সমাধান হচ্ছে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন। এ সংকট সমাধানে জাতীয় কমিটি গঠনকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, শুধু কমিটি গঠন করলেই হবে না; রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্য ও সমন্বয় থাকতে হবে।

গুম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা গুমের সংস্কৃতির অবসান চাই। আমরা আর সেই জায়গায় ফিরে যেতে চাই না। দুর্বল পুলিশি ব্যবস্থা দিয়ে গুমের মতো গুরুতর অপরাধের কার্যকর তদন্ত ও বিচার সম্ভব নয়।

এফএসডিএসের চেয়ারম্যান ফজলে এলাহী আকবর বলেন, গুমের বিষয়টি তদন্তে বর্তমান সরকারের কমিটি গঠনকে তিনি স্বাগত জানান। তবে শুধু কমিটি গঠন করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। বাংলাদেশের ইতিহাসে বিভিন্ন ইস্যুতে গঠিত কমিটির ব্যর্থতার বহু নজির রয়েছে। তিনি রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কার্যকর ও শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আমি খুবই লজ্জিত যে আমাদের ডিফেন্সের লোকজন গুম-খুনে জড়িত ছিল, যা বিগত হাসিনা রেজিমে ঘটেছে। তিনি আরও বলেন, যখন একটি দেশের সেনাবাহিনী জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, তখন আর রাষ্ট্র থাকে না। আমাদের দেশে জবাবদিহিতার ঘাটতি, বিচারহীনতার সংস্কৃতি এবং লাগামহীন দুর্নীতি রয়েছে। এখান থেকে আমাদের বের হতে হবে।

বিএনপির সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী বলেন, প্রস্তাবিত গুমবিরোধী আইন নিয়ে বিভিন্ন ধরনের গুজব ছড়ানো হয়েছে। আইন প্রণয়নের আগে ব্যাপক গবেষণা করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, যার বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ উঠবে, সেই বাহিনীকে দিয়ে তদন্ত করা হবে না। একই সঙ্গে গুমের নির্দেশ দাতারাও যাতে বিচারের আওতায় আসে, সে বিষয়টি আইন প্রণয়নে বিবেচনা করা হয়েছে।

নিজের গুমের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূইয়া বলেন, গুম শুধু একজন ব্যক্তিকে নিখোঁজ করে না; এর সঙ্গে একটি পরিবারকে দীর্ঘদিন আতঙ্ক, অনিশ্চয়তা ও মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে ফেলে দেওয়া হয়।

সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল মামুন রানা, আমিনুল ইসলাম এফসিএ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুল হালিম খোকন, মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক সেলিম খান, ইঞ্জিনিয়ার শাহেদ আলম প্রমুখ।

হেফাজত-এনসিপির ‘মহব্বত’ অটুট রাখার অঙ্গীকার

চাঁদাবাজি, দমন-পীড়ন, লুটপাট ও দলীয়করণ আবার ফিরে এসেছে: গোলাম পরওয়ার

ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তরের নতুন কমিটির শপথ

সংসদমুখী পদযাত্রা সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্যের আহ্বান

ছিনতাইকারীর হাতে শিক্ষিকার মৃত্যুতে সেলিম উদ্দিনের উদ্বেগ

ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে হাফেজদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে

‘জুলাই জাদুঘরে আংশিক প্রদর্শনী, ইতিহাস বিকৃতির পাঁয়তারা’

২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব উপজেলায় আহ্বায়ক কমিটি গঠনের নির্দেশ এনসিপির

গণরায় উপেক্ষায় রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছি: আজহার

কোরআনের বিধান কায়েমে আলেমদের এগিয়ে আসতে হবে