হোম > রাজনীতি

প্রেস ক্লাবের নাগরিক শোকসভায় যোগ দেবেন তারেক রহমান

স্টাফ রিপোর্টার

মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে নাগরিক শোকসভা অনুষ্ঠিত হবে। এই সভায় যোগ দেবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার প্রেস ক্লাবের নেতারা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেস ক্লাব ব্যবস্থাপনা কমিটির নেতারা সমবেদনা জানাতে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে যান। এ সময় প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে নাগরিক শোকসভায় উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানানো হয়। তিনি তাতে সম্মতি জানান। শোকসভার তারিখ পরে ঠিক করা হবে বলে কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়।

সাক্ষাৎকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের প্রতিনিধিরা তারেক রহমানকে সমবেদনা জানান। প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন—জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ, সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া, ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য কবি আবদুল হাই শিকদার, সৈয়দ আবদাল আহমদ, কাদের গনি চৌধুরী, কে এম মহসীন ও জাহিদুল ইসলাম রনি।

গতকাল প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। এতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের রাজনীতির কিংবদন্তি তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে ক্লাব ব্যবস্থাপনা কমিটি গভীর শোকাভিভূত। আমরা এই মহান নেত্রীর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবাররের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। একই সঙ্গে মহান আল্লাহতায়ালার কাছে প্রার্থনা করছি, তিনি যেন আমাদের আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়াকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করেন।’

তার অবদানের কথা উল্লেখ করে বলা হয়, ‘খালেদা জিয়া ছিলেন সাংবাদিক সমাজের একজন অকৃত্রিম বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষী। সাংবাদিক সমাজ ও গণমাধ্যমের জন্য তার অবদান অপরিসীম। এই ক্লাবকে তিনি আলাদা নজরে দেখতেন। কারণ এটির সঙ্গে তার যেমন : সুদৃঢ় সম্পর্ক ছিল, তেমনি এই ক্লাব তার স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানেরও স্মৃতি বিজড়িত। স্বৈরাচারী এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় বহুবার তিনি এই ক্লাবে এসেছেন এবং আন্দোলনের কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। এ ছাড়া তিনি বহুবার ক্লাবে এসেছেন এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। জাতীয় প্রেস ক্লাবের অর্ধেক জায়গা প্রেসিডেন্ট জিয়া ৩৩ বছরের জন্য লিজ দিয়েছিলেন। ক্লাবের ভবন নির্মাণে প্রেসিডেন্ট জিয়া জাতীয় বাজেট থেকে অর্থ অনুমোদন দিয়েছেন। ২০০৪ সালে ক্লাবের ৩৩ বছরের লিজের মেয়াদ শেষ হয়। এ বছর ছিল প্রেস ক্লাবের সুবর্ণজয়ন্তী। ক্লাবের সুবর্ণজয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন এবং পুরো ক্লাবের ২ দশমিক ১ একর জমি ৯৯ বছরের জন্য স্থায়ী লিজ করে দেন মাত্র ১ লাখ ১ টাকায়।

শোকবার্তায় প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে বলা হয়, বেগম জিয়া ক্লাবের জন্য বহুতল মিডিয়া কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করেন। তিনি দুবার ক্লাবের আধুনিকায়নে ৫০ লাখ টাকা করে অনুদান দিয়েছিলেন। তার সরকার প্রেস ক্লাবের চারদিকের বাউন্ডারি এবং টেনিস কোর্টও নির্মাণের ব্যবস্থা করেন।

এতে আরও বলা হয়, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালে ক্ষমতায় আসার পর গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অবারিত হয়। শত ফুল ফোটার মতো সংবাদপত্র প্রকাশিত হয়। তিনি সাংবাদিকদের আবাসিক সংকট সমাধানে মিরপুরে ৭ একর জায়গা বরাদ্দ করেন। সেই জায়গায় তিন শতাধিক সাংবাদিকের জন্য ফ্ল্যাট নির্মাণের প্রকল্প রয়েছে। এর আগে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সাংবাদিকদের জন্য মিরপুরের কালশীতে আবাসিক এলাকার জন্য জমি বরাদ্দ করেছিলেন। এই মহানুভব নেত্রী খালেদা জিয়াকে সাংবাদিক সমাজ এবং জাতীয় প্রেস ক্লাবের সদস্যরা কখনোই ভুলবেন না।’

আসন্ন নির্বাচনে সর্বোচ্চসংখ্যক পর্যবেক্ষক পাঠাবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

চার দিনের লম্বা সফরে ঢাকার বাইরে যাচ্ছেন তারেক রহমান

এনসিপিকে ১০ আসন ছাড়ের খবর, যা বললেন ডা. তাহের

অতীতের মতো পাতানো নির্বাচন হলে ধ্বংসের দিকে যাবে দেশ

তারেক রহমানের নিরাপত্তা টিমে তিন সাবেক সেনা কর্মকর্তা নিয়োগ

আসন্ন নির্বাচনের পর বাংলাদেশের উন্নয়নে ইইউ’র সহযোগিতা চায় বিএনপি

তারেক রহমানের সঙ্গে ইইউ প্রতিনিধি দলের বৈঠক

প্রশাসনের ‘কিবলা’ একটি দলের পার্টি অফিসে: আসিফ মাহমুদ

প্রশাসনের পক্ষপাতিত্বে ইসির সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে: আসিফ মাহমুদ

জামায়াত আমিরের সঙ্গে ইইউ কূটনীতিকের বৈঠক বুধবার