বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমদ বলেছেন, জনরোষ সৃষ্টির আগেই অনতিবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত লংমার্চে যে জনজোয়ার সৃষ্টি হবে, তা উপেক্ষা করার সুযোগ সরকারের থাকবে না।
তিনি বলেন, গ্যাস ও জ্বালানি সংকট, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি, শিল্প-কলকারখানা বন্ধসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারের ব্যর্থতা ইতোমধ্যে জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। এমন পরিস্থিতিতে গণভোটের রায় উপেক্ষা করা হবে সরকারের জন্য একটি অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্ত।
মঙ্গলবার রাজধানীর পুরানা পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরী উত্তর ও দক্ষিণের যৌথ উদ্যোগে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আগামী ৫ সেপ্টেম্বরের লংমার্চ বাস্তবায়ন উপলক্ষে আয়োজিত দায়িত্বশীল সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জালালুদ্দীন আহমদ আরো বলেন, জনগণ সংবিধান সংশোধন ও সংবিধান সংস্কারের পার্থক্য সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন। তাই সংবিধান সংশোধনের নামে জনগণের সঙ্গে ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ দেওয়ার কোনো চেষ্টা করা উচিত নয়। জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে তা দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।
কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও লংমার্চ বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান মাওলানা আতাউল্লাহ আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান হেলাল, মাওলানা এনামুল মুসা, মাওলানা ফয়সাল আহমদ, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মাওলানা আনোয়ার হোসেন রাজী, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুরশিদ সিদ্দিকী, সহ-সভাপতি মাওলানা এহসানুল হক ও মাওলানা আব্দুল কাদের সিরাজী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা সানাউল্লাহ আমিনী, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা রাকিবুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মাওলানা ইলিয়াস হামিদীসহ মহানগরীর নির্বাহী সদস্যবৃন্দ ও বিভিন্ন থানা শাখার দায়িত্বশীলরা।
সভায় আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে অনুষ্ঠিতব্য লংমার্চ সফল করতে ঢাকা মহানগরীর সর্বস্তরের জনশক্তিকে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ এবং গণসংযোগ ও প্রচার-প্রচারণা জোরদার করার আহ্বান জানানো হয়।