হোম > রাজনীতি

কখনো কখনো বাজেট ছিল লুটপাটের হাতিয়ার

বাজেট আলোচনায় মিয়া গোলাম পরওয়ার

অর্থনৈতিক রিপোর্টার

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বাজেট ছিল ৭৮৬ কোটি টাকা। সেই বাজেট ক্রমেই বাড়তে বাড়তে আসন্ন বাজেট ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হচ্ছে। কিন্তু স্বাধীনতার ৫৫ বছরে বাজেটের আয়তন বাড়লেও জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেনি, ভাগ্য ও জীবনমানের উন্নয়ন হয়নি। বরং কখনো কখনো দেখা গেছে বাজেট ছিল লুটপাটের হাতিয়ার। আসন্ন বাজেট যাতে দুর্নীতি ও লুটপাটের হাতিয়ার হতে না পারে, এজন্য সরকারকে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা তুলে ধরার আহ্বান জানাচ্ছি।

রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর পল্টনের ইকোনোমিকস রিপোর্টাস ফোরামের অডিটরিয়ামে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে অর্থনৈতিক সাংবাদিকদের সঙ্গে ‘জাতীয় বাজেট ভাবনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতিতে গতিশীলতা আনতে জামায়াতে ইসলামী সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। বিরোধী দল কেবল সংসদে কথা বলে চলে আসবে বিষয়টি তা নয়। দেশের উন্নয়নে সরকার ও বিরোধীদলকে সমান ভূমিকা রাখতে হয়। জামায়াতে ইসলামী একটি আদর্শিক সংগঠন হিসেবে নীতিগত ও আদর্শিক দায়িত্ব পালনে বরাবরই অটল। দেশ ও জাতির প্রয়োজনে জামায়াতে ইসলামী অতীতে যেভাবে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছে, আগামীতেও তার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদের সভাপতিত্বে ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দের পরিচালনায় সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকস বিভাগের ডিন অধ্যাপক ড. একেএম ওয়ারেসুল করিম।

অন্যদের মাঝে আরো বক্তব্য দেন, জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি ও জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য নুরুন্নিসা সিদ্দীকা, আইন ও মানবসম্পদ বিভাগীয় সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নি এমপি, সাবেক সিনিয়র সচিব খ. ম খবিরুল ইসলাম, দৈনিক নয়া দিগন্তের নির্বাহী সম্পাদক মাসুমুর রহমান খলিলী, ডেইলি স্টারের রাকায়েত উল্লাহ মৃধা, সিপিডি’র পরিচালক (অতিরিক্ত গবেষণা) তৌহিদুল ইসলাম খান, সাংবাদিক লুৎফর কবির সাদী, এসএ টিভির নিউজ এডিটর সালাহউদ্দিন বাবলু প্রমুখ।

জামায়াতের ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, বাজেট তৈরির প্রক্রিয়া হচ্ছে নতুন সরকার কোন খাতে কত টাকা বরাদ্দ বাড়াবে। কিন্তু যারা বাজেট তৈরি করেন, তারা অনেক ক্ষেত্রে বাস্তবতা উপলব্ধি করতে পারেন না। বাজেট তৈরিতে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণও অনেক সময় অনুপস্থিতি দেখা যায়। সরকারের উদ্যোগে ট্রেডিশনাল পদ্ধতির বাজেট তৈরি থেকে বেরিয়ে এসে সর্বজনীন বাজেট তৈরি করতে হবে। বাজেট তৈরির লক্ষ্য হতে হবে জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচন। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ব্যতিত আমাদের উন্নত দেশের অবস্থানে পৌঁছানো সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, দুর্নীতি মুক্ত হতে না পারলে বাজেটের আয়তন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দুর্নীতির আয়তনও বৃদ্ধি পাবে। নিজেদের পায়ে দাঁড়ানোর চিন্তাভাবনা এড়িয়ে গিয়ে বৈদেশিক ঋণের ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়ে বাজেট তৈরি হলে অর্থনীতিতে গতি আসবে না। তাই দেশীয় সম্পদের অনুসন্ধান ও খনিজ সম্পদ উত্তোলনে বাজেটে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা রাখতে হবে।

জামায়াত নেতাদের সঙ্গে এএনএফআরইএল প্রতিনিধি দলের বৈঠক

ক্ষমতার অপব্যবহার কখনো স্থায়ী হয় না: হাসনাত আবদুল্লাহ

উন্নয়ন বাজেটের অর্ধেকই দুর্নীতিতে চলে যায়: ইউসুফ আশরাফ

রামিসার পরিবারের সঙ্গে খেলাফত মজলিস নারী এমপির সাক্ষাৎ

ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় কোরবানির শিক্ষা অনুপ্রেরণা জোগায়

ঢাবিতে ছাত্র ইউনিয়নের কমিটি, সভাপতি দুর্জয় সম্পাদক মোস্তাকিম

চীনে কয়লাখনি বিস্ফোরণে বহু হতাহতের ঘটনায় জামায়াতের শোক

রামিসা হত্যাকারীর ফাঁসি জনসম্মুখে কার্যকর করতে হবে: লেবার পার্টি

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীকে আসিফ মাহমুদের চ্যালেঞ্জ

নারী-শিশু নির্যাতন ও হত্যার ধারাবাহিক ঘটনা জাতিকে আতঙ্কিত করছে