হোম > রাজনীতি > বিএনপি

নির্বাচনি প্রচারে ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহারের অভিযোগ বিএনপির

স্টাফ রিপোর্টার

নির্বাচনি প্রচারে একটি রাজনৈতিক দল ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। বুধবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহাদী আমীন এ অভিযোগ করেন।

মাহাদী আমীন বলেন, ২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত যে দলটি নিজেই সরকারের অংশ ছিল তাদের দুজন মন্ত্রী ও বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য ছিল, সরকারে থাকা অবস্থায় তখন দুর্নীতির বিষয়ে তাদের কোনো মন্তব্য শোনা যায়নি। কিন্তু বর্তমানে তারা নির্বাচনি মাঠে এসে ফ্যাসিবাদী প্রোপাগান্ডার সে ধারাবাহিকতাকে ধরে রেখেছে। আমরা এ ভূমিকাকে রাজনৈতিক দ্বিচারিতা হিসেবে দেখছি।

তিনি আরো বলেন, উপরন্তু এটি আজ স্পষ্ট, ভোট চাইতে গিয়ে সে নির্দিষ্ট দলটি ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহার, জান্নাতের প্রলোভন, কোরআন শরীফে শপথ করানোÑএমনকি বিকাশ নম্বরে টাকা দেওয়ার বিভিন্ন প্রস্তাব দিয়ে বেড়াচ্ছে। ফলে যারা নিজেরাই টাকা দিয়ে ভোটারদের ভোট কেনার চেষ্টা করছে, আবার তারাই যখন দুর্নীতির গল্প শোনাচ্ছে—সেটি তাদের তথাকথিত সততাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

এ সময় নির্বাচন আচরণবিধি মেনে চলার জন্য সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

মাহাদী আমীন বলেন, আমরা লক্ষ করেছি, একটি নির্বাচনি জনসভায় সেই রাজনৈতিক দলটির আমির বগুড়ায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন এবং বগুড়া পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছেন। বাস্তবতা হলো—এ দুটি বিষয়ই ইতোমধ্যে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে অনুমোদিত এবং এ লক্ষ্যে প্রশাসনিক কার্যক্রম বহমান রয়েছে। সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগও সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, অতএব বিদ্যমান একটি সরকারি সিদ্ধান্তকে নতুন করে দলীয় প্রতিশ্রুতি হিসেবে উপস্থাপন করে বগুড়াবাসীকে বিভ্রান্ত করার যে অপচেষ্টা করা হচ্ছে, তা কেন—সেটিই প্রশ্ন জাগাচ্ছে।

মাহাদী আমীন আরো বলেন, আমরা জানতে পেরেছি যে, নওগাঁর সাপাহাড় উপজেলার একটি মসজিদের মুয়াজ্জিন আল আমিন চৌধুরীকে ধানের শীষের পক্ষে প্রচারে অংশ নেওয়ার কারণে একটি নির্দিষ্ট দলের নেতাকর্মীদের চাপে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এটি নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের একটি বাজে দৃষ্টান্ত।

তিনি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, প্রত্যেকের পেশা, ধর্ম ও স্বাধীনতা সম্পূর্ণ অক্ষুণ্ন রাখার নিশ্চয়তা দিতে অবিলম্বে তাকে পুনঃবহালের দাবি জানাচ্ছি।

এছাড়া গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিও প্রসঙ্গে মাহাদী আমীন বলেন, সিলেটে একজন প্রার্থীর বক্তব্যে শোনা যাচ্ছে—সেই রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি বলছেন, নির্বাচিত হলে তাকে জিজ্ঞাসা না করে কারও বাড়িতে পুলিশ যেতে পারবে না। এটি নিঃসন্দেহে অসাংবিধানিক এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী।

তিনি বলেন, একজন সংসদ সদস্য প্রার্থী যদি এ ধরনের বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পান, তাহলে গুরুতর প্রশ্নের সৃষ্টি হয়। আমরা বিশ্বাস করি, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার স্বার্থে কাউকে বিনা অপরাধে গ্রেপ্তার করা কোনোভাবেই সমীচীন নয়। কিন্তু তাই বলে গ্রেপ্তার করতে হলে কোনো সংসদ সদস্য প্রার্থী বা সংসদ সদস্যের অনুমতি লাগবে—এ ধরনের বক্তব্য সে ফ্যাসিবাদী মনোভাবেরই শামিল।

এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান বিএনপির এ নেতা।

রংপুরে জিএম কাদেরকে ঘিরে উত্তেজনা, সংঘাতের আশঙ্কা

আ. লীগ ভারতে বসে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়: মেজর হাফিজ

উত্তরাঞ্চলে নির্বাচনি প্রচার শুরু করছেন তারেক রহমান

১৭ বছর ধরে দেশটাকে লুটপাট, দমন-পীড়নে জাহান্নামে পরিণত করা হয়েছিল

শেরপুর জেলা বিএনপির ৪১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি স্থগিত

পবিত্র সংসদকে অপবিত্র করেছিল আওয়ামী লীগ

বগুড়ায় বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান

তারেক রহমানকে নিয়ে টাইম ম্যাগাজিনের বিশেষ প্রতিবেদন

নির্বাচন হলেই বিএনপির জয় নিশ্চিত, তাই ষড়যন্ত্র হচ্ছে: সালাম

ভাইরাল ভিডিও নিয়ে যা বললেন ছাত্রদল সভাপতি রাকিব