রাজধানীর গুলশানে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন পার্কে তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার দুপুর ২টায় মতবিনিময় সভা শুরু হবে।
এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহাদী আমীন।
তিনি বলেন, বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত ‘আমার ভাবনায় বাংলাদেশ’ জাতীয় রিল-মেকিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল। এ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের সঙ্গে একান্ত আলাপের উদ্দেশ্যে ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট উইথ তারেক রহমান’ অনুষ্ঠিত হবে আজ দুপুর ২টায়, গুলশানের বিচারপতি শাহাবুদ্দিন পার্কে।
তিনি বলেন, এতে আরো অংশ নেবেন তাঁর কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান, ইতোমধ্যে যিনি বাংলাদেশের নীতি প্রণয়নের কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তরুণ প্রজন্মের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে প্রতিফলিত করেছেন, যা দেশব্যাপী সমাদৃত হয়েছে।
আগামীর বাংলাদেশ নিয়ে জনগণের ভাবনা ও প্রস্তাবকে রাষ্ট্র গঠনের প্রক্রিয়ায় যুক্ত করার লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ ১১টি বিষয়ের ওপরে এক মিনিটের রিলস বানানোর এই প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় আড়াই হাজার প্রতিযোগী অংশ নেন, যাদের মধ্য থেকে জনমত (৩০ শতাংশ মার্ক) ও জুরি বোর্ডের মূল্যায়নে (৭০ শতাংশ মার্ক) ১০ জনকে বিজয়ী নির্বাচিত করা হয়। এই ১০ জন তারেক রহমান ও ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের সাথে সাক্ষাৎ ও আলাপচারিতার সুযোগ পাচ্ছেন।
তিনি জানান, বিএনপি দেশের নাগরিকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ জোরদার এবং নির্বাচনসংক্রান্ত আইন, বিধিমালা ও নির্দেশিকা সম্পর্কে তথ্য দেওয়ার পাশাপাশি ভোটারদের অভিযোগ, পর্যবেক্ষণ ও গঠনমূলক মতামত গ্রহণের উদ্দেশ্যে বিএনপির পক্ষ থেকে ইলেকশন হটলাইন ১৬৫৪৩ এবং হোয়াটসঅ্যাপ হটলাইন +৮৮০১৮০৬-৯৭৭৫৭৭ আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করেছে। শহর ও গ্রাম উভয় পর্যায়ের নাগরিকদের সম্পৃক্ত করে একটি স্বচ্ছ, গ্রহণযোগ্য ও নাগরিকবান্ধব নির্বাচনি পরিবেশ গড়ে তোলাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। ইতোমধ্যেই এই হটলাইনের মাধ্যমে অসংখ্য মানুষ আমাদের সাথে যোগাযোগ করেছেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে সমাধান পেয়েছেন।
মাহাদী আমীন বলেন, একটি প্রতারক চক্র বিতর্ক সৃষ্টির লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড দেওয়ার নামে টাকা চাচ্ছে। বিএনপির চেয়ারম্যান নারীর ক্ষমতায়ন ও কৃষকের সমৃদ্ধির জন্য ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড প্রদানের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন, যা ইতোমধ্যে দেশব্যাপী আলোচিত হয়েছে। বিএনপি যদি জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে যায়, তখন সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে এবং যথাযথ ব্যক্তির হাতে কার্ডগুলো পৌঁছে দেওয়া হবে। যদি কেউ এ বিষয়ে কোনো অসাধু উদ্দেশ্য হাসিলের চেষ্টা করে, সে ক্ষেত্রে আপনারা আমাদের অবহিত করবেন এবং অবশ্যই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শরণাপন্ন হবেন।