নারায়ণগঞ্জের বন্দরে সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের বন্দর থানা শাখার সহসভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম বুলবুলের কবর জিয়ারত করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম।
মঙ্গলবার তিনি বুলবুলের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁদের প্রতি সমবেদনা ও সহমর্মিতা জানান।
এসময় শায়েখে চরমোনাই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যারা বুলবুলকে হত্যা করেছে তারা চিহ্নিত সন্ত্রাসী। তাদের বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয়ও গ্রহণ করেছিলো আমাদের বুলবুল। কিন্তু প্রশাসনের গাফিলতি ও অবহেলার কারণে আমাদের বুলবুলকে জীবন দিতে হলো। হত্যাকাণ্ডের পরে পুলিশ অপরাধীদের আটক করেছে সেজন্য তাদেরকে সাধুবাদ জানাই কিন্তু তারা যদি আরো আগেই সক্রিয় হতো তাহলে তরুণ বুলবুলকে জীবন দিতে হতো না। তার ছোট ছোট সন্তানরা এতিম হতো না। এখন যা কিছুই করেন না কেন বুলবুল আর ফিরে আসবে না, তার সন্তানরা আর তাদের বাবাকে ফিরে পাবে না। এর দায় কে নেবে?
আমরা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বকে বলবো, মামলার পরেও যারা শেখ সিফাত নামীয় সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় নাই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর সতর্ক করে বলেন, আমরা এই মামলার দিকে নজর রাখবো। বুলবুলের হত্যাকারীকে শাস্তি পেতেই হবে। যদি বিচারে হেলাফেলা করা হয়, যদি আইনের কোন ফাকফোকর বের করে অপরাধীকে কোন ধরণের সুযোগ দেয়া হয় তাহলে তার পরিণতি ভালো হবে না।
শায়েখে চরমোনাই এর সাথে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা নেছার উদ্দিন, সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আব্দুল কাইয়ুমসহ নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।