অস্ট্রেলিয়া সফরে ব্যাটিংটা কিছুতেই ভালো করতে পারেননি বিরাট কোহলি। তারওপর ফিল্ডিংয়ের সময় মাথাগরম করে ফেলেছেন বেশ কয়েকবার। মাঠের বাইরেও উত্তেজিত হয়ে ছিলেন। মেলবোর্ন বিমানবন্দরে নেমেই অস্ট্রেলিয়ার এক নারী সাংবাদিককে তো রীতিমতো ধমক দিয়ে ফেলেছিলেন। বক্সিং ডে টেস্টে অভিষিক্ত অজি ক্রিকেটার স্যাম কনস্টাসকে কাঁধ দিয়ে ধাক্কা দিয়ে সমালোচনার বিষ হজম করেন।
সিডনি টেস্ট হারের দিন বাউন্ডারির কাছে ফিল্ডিংয়ের সময় ট্রাউজারের পকেট বের করে অস্ট্রেলিয়ার সমর্থকদের দেখিয়ে দেন, তার পকেটে শিরিষ কাগজ থাকে না। ২০১৮ সালে কেপটাউন টেস্টে অজিদের স্যান্ডপেপার গেট কেলেঙ্কারি স্মরণ করিয়ে দিতেই রেগে গিয়ে এমনটা করেন কোহলি।
ব্যাট হাতে ফর্মে নেই কোহলি। তারকা এ ব্যাটারকে এতসব ঝামেলা এড়িয়ে ব্যাটিংয়ে মনোযোগ বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন এবি ডি ভিলিয়ার্স। ব্যাটিংয়ে কঠিন সময় দূর করতে কোহলিকে ‘রিসেট বাটন’ চাপতে বলেছেন। তার মানে সবকিছু নতুন করে শুরু করার পরামর্শ দিয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ভিডিও বার্তায় ডি ভিলিয়ার্স বলেন, ‘আমার মনে হয় তার মনকে নতুন করে স্থির করতে হবে। সে লড়াই করতে ভালোবাসে। কিন্তু তুমি যখন ক্যারিয়ারের সেরা ফর্মে নেই, তখন এসব থেকে দূরে থাকাই ভালো হবে। ব্যাটসম্যান হিসেবে প্রতিটি বলেই মনকে রিসেট করতে হবে এবং মনে করতে হবে একেকটি বল একেকটি ইভেন্ট। কে বল করছে, তা ভুলে যাও।’
অস্ট্রেলিয়া ট্যুরে এবার কোহলি জামেলা পাঁকিয়েছেন একটু বেশিই। দক্ষিণ আফ্রিকার এ সাবেক ক্রিকেটার বলেন, ‘আমার মনে হয় বিরাট (কোহলি) তার লড়াকু মনোভাব ও স্বভাবগত কারণে মাঝেমধ্যে ভুলে যায় (এমনটা করা উচিত নয়) এবং ঝামেলায় জড়িয়ে পড়ে। সমগ্র ভারতকে দেখাতে চায় তাদের হয়ে লড়াই করার জন্য সে আছে। তার দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও খ্যাতি এ ক্ষেত্রে কোনো বিষয় নয়। কখনো কখনো প্রতিটি বলের পরই এমনটা দেখা যায়। হয়তো কখনো কখনো সে অতিমাত্রায় (ঝামেলায়) জড়িয়ে পড়ে।’