ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মুখোমুখি সিলেট টাইটান্স ও রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। প্লে অফের এই ম্যাচে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ শুরু পেয়েছিল রাজশাহী। তবে শুরুর ওই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে ব্যর্থ রাজশাহীর মিডল অর্ডার। প্রায় ধ্বংসস্তূপে থাকা রাজশাহীর ব্যাটিং লাইনআপের হাল ধরেন দুই কিউই কেন উইলিয়ামসন ও জিমি নিশাম। তাতে ভর করে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে ৯ উইকেটে ১৬৫ রান তোলে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ ৪৫ রান করেন নিউজিল্যান্ডের ব্যাটার কেন উইলিয়ামসন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৪ রান আসে জিমি নিশামের ব্যাটে।
আগে ব্যাটিংয়ে নেমে পাওয়ার প্লেতে আগ্রাসী শুরু পায় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। এমন ব্যাটিংয়ে মনে হচ্ছিল হয়তো বড় সংগ্রহের ভিত পাবে দলটি। পাওয়ার প্লে শেষে স্কোরবোর্ডে দলটির রান ছিল এক উইকেটে ৬১! অর্থাৎ, ওভারপ্রতি ১০ রানের বেশি রান তোলে দলটি। রাজশাহীর ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ২১ বলে ২৬ রান করে ফিরলে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। এ জুটিতে ৪১ রান তোলে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। ফারহানের সঙ্গে ওপেনিংয়ে নামা তানজিদ তামিম ১৫ বলে ৩২ রান করে ফেরেন প্যাভিলিয়নে।
এরপরই হাল ধরেন কেন উইলিয়ামসন। এক প্রান্ত আগলে রাখা এই ব্যাটারকে রেখে আউট হন নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম ও মেহেরব হোসেন। তাতে মুহূর্তেই স্কোরবোর্ডে রাজশাহীর রান দাঁড়ায় পাঁচ উইকেটে ৮০। খাদের কিনারায় থাকা দলকে টেনে তুলতে উইলিয়ামসনের সঙ্গী হন জিমি নিশাম। দুই স্বদেশি মিলে ৬ষ্ঠ উইকেটে যোগ করেন ৫০ বলে ৭৭ রান। এতেই মূলত রাজশাহী পায় বড় সংগ্রহের ভিত। ২৬ বলে ৪৪ রান করে উইলিয়ামসন ফিরলে ভাঙে এই জুটি। তার বিদায়ের পর আব্দুল গাফফার সাকলাইন, তানজিম সাকিব কিংবা মোহাম্মদ রুবেলরা দেখাতে পারেননি কোনো চমক। এক প্রান্ত আগলে রাখা উইলিয়ামসনের ৩৮ বলে ৪৫ রানে ভর করে পায় ১৬৫ রানের সংগ্রহ।
সিলেট টাইটান্সের হয়ে সালমান ইরশাদ ২৩ রানে নেন তিন উইকেট। এছাড়া মেহেদি হাসান মিরাজ ও নাসুম আহমেদ শিকার করেন দুটি করে উইকেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
রাজশাহী ওয়ারিয়র্স : ১৬৫/৯, ২০ ওভার (উইলিয়ামসন ৪৫*, নিশাম ৪৪, সালমান ৩/২৩)।