চীনের সাংহাইয়ে হবে আর্চারি বিশ্বকাপ স্টেজ-২ আসর। এই বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে বাংলাদেশ থেকে যাচ্ছে ২০ সদস্যের আর্চারি বহর। এর মধ্যে ১৩ জন খেলোয়াড়, চারজন কোচ ও তিনজন কর্মকর্তা রয়েছে। রিকার্ভ ও কম্পাউন্ড বিভাগের নারী, পুরুষ, দলগত এবং মিশ্র মোট ১০টি ইভেন্টের সবকটিতেই লড়বেন বাংলাদেশের আর্চাররা।
এবারের বিশ্বকাপ যাত্রায় সবার আলাদা নজর কেড়েছেন রিকার্ভ আর্চার নাসরিন আক্তার। ১৩ মাসের সন্তানকে বাড়িতে রেখে দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন তিনি। আজ বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ) মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান নাসরিন। তিনি বলেন, ‘একজন মা হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়াটা চরম কঠিন। আমার বাচ্চাটা এখনো একেবারেই ছোট ও অবুঝ, কিছুক্ষণ পরপরই সে তার মাকে খুঁজবে।
বিশ্বকাপ নিয়ে নিজেদের পরিকল্পনার কথা জানাতে গিয়ে আর্চারি কোচ মার্টিন ফ্রেডরিক জানান, এই টুর্নামেন্ট মূলত তাদের আসন্ন এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতির বড় একটি অংশ। পাশাপাশি এই বৈশ্বিক আসর থেকেও ভালো ফলাফলের প্রত্যাশা করছেন তিনি। গত মাসেই থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপে কম্পাউন্ড পুরুষ দলগত ইভেন্টে স্বর্ণ জিতেছিল বাংলাদেশ। সেই সাফল্যের কারণে কম্পাউন্ড দলের ওপর এবার প্রত্যাশার পারদটাও বেশ উঁচুতে। ৫-১০ মে সাংহাইয়ে হবে আসন্ন বিশ্বকাপ আর্চারি প্রতিযোগিতা।
দেশের ক্রীড়াঙ্গনে আর্চারি থেকে বেশ সাফল্য আসছে। টানা দুই অলিম্পিকে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন করে আর্চাররা। তবে সম্প্রতি আর্চারি ফেডারেশন কর্মকর্তাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। যা পরবর্তী সময়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের হস্তক্ষেপে সমাধান হয়। সংবাদ সম্মেলনে এ প্রসঙ্গে আর্চারি সভাপতি মোখলেসুর রহমান জানান, বিষয়টিকে নিছক ভুল বোঝাবুঝি (মিসকমিউনিকেশন) ছিল। সমস্যার পুরোপুরি সমাধান হয়ে গেছে।