পাকিস্তান সফরের আগেই বড় ধাক্কা খেল অস্ট্রেলিয়া। অ্যাঙ্কেলের চোটে ওয়ানডে সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন স্ট্যান্ড-ইন অধিনায়ক মিচেল মার্শ। এতে শুধু পাকিস্তান সিরিজই নয়, বাংলাদেশের বিপক্ষে আসন্ন সিরিজ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে অজি শিবিরে।
আগামী ৯ জুন মিরপুরে শুরু হবে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। এরপর ১৭ জুন শুরু হবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। তবে এই সফরে মার্শ খেলতে পারবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। ফলে বাংলাদেশ সফরের জন্যও নতুন অধিনায়ক ভাবতে হচ্ছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে।
প্যাট কামিন্স ও ট্রাভিস হেড আইপিএল প্লে-অফে ব্যস্ত থাকায় পাকিস্তান সফরে ছিলেন না। সেই কারণে মার্শের হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু চোটের কারণে পাকিস্তানেই যেতে পারেননি তিনি। তার বদলে পাকিস্তান সিরিজে অধিনায়কত্ব করবেন জশ ইংলিস।
২০২৪ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে একটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টিতে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা আছে ইংলিসের। তবে বাংলাদেশ সফরে মার্শ ফিরতে না পারলে ইংলিসকেই আবার নেতৃত্বে দেখা যেতে পারে। বিকল্প হিসেবে আছেন অ্যালেক্স ক্যারিও।
অস্ট্রেলিয়ার জন্য মার্শের অনুপস্থিতি বড় ধাক্কা, বিশেষ করে ব্যাটিং অর্ডারে। আইপিএলের শেষদিকে দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন তিনি। শেষ চার ইনিংসে করেছিলেন ১১১, ১০, ৯০ ও ৯৬ রান। পুরো আসরে তার স্ট্রাইক রেট ছিল ১৬৩.১৮।
আগামী বছরের বিশ্বকাপ সামনে রেখে ট্রাভিস হেড ও মার্শকে প্রথম পছন্দের ওপেনার হিসেবে ভাবছে অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু দুজনের একজন না থাকায় নতুন কম্বিনেশন নিয়ে ভাবতে হচ্ছে নির্বাচকদের। পাকিস্তান সিরিজে ম্যাথিউ শর্টের সঙ্গে নতুন একজন ওপেনার খেলতে পারেন। একই পরিকল্পনা বাংলাদেশ সফরেও দেখা যেতে পারে।
বাংলাদেশ সিরিজের স্কোয়াডে কুপার কনোলি, জেভিয়ার বার্টলেট, বেন ডোয়ারশুইস ও ট্রাভিস হেডকে রাখা হয়েছে। এছাড়া তরুণ ব্যাটার অলি পিককে মিডল অর্ডারে সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনাও আছে অস্ট্রেলিয়ার।
কোচ অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড জানিয়েছেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সিরিজে ক্যামেরন গ্রিনকে মিডল অর্ডারে আরও বেশি সুযোগ দিয়ে পরীক্ষা করা হবে। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের বিকল্প খুঁজতেই এই পরিকল্পনা অস্ট্রেলিয়ার।