বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলামকে ইংলিশ কাউন্টি ক্রিকেটে খেলার অনাপত্তিপত্র দেয়নি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। জাতীয় দলের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ এবং খেলোয়াড়ের ওয়ার্কলোড ব্যবস্থাপনাকে প্রাধান্য দিয়েই বিসিবি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
শরিফুল সম্প্রতি হ্যামস্ট্রিং চোট থেকে সেরে উঠেছেন। বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্সের ইনচার্জ শাহরিয়ার নাফীস জানান, চোট থেকে ফেরার পরপরই কাউন্টির মতো দীর্ঘ ও তীব্র টুর্নামেন্টে অংশ নিলে শারীরিক চাপ বাড়বে এবং পুনরায় চোটের ঝুঁকি তৈরি হবে।
আগামী তিন মাসে বাংলাদেশ দলের অত্যন্ত ব্যস্ত আন্তর্জাতিক সূচি রয়েছে। এই সময়ে জাতীয় দলকে ৫টি টেস্ট, ৭টি টি-টোয়েন্টি এবং ৬টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলতে হবে।
শরিফুল জাতীয় দলের তিন ফরম্যাটেই অপরিহার্য বোলিং অস্ত্র। তাই তাকে সতেজ ও সম্পূর্ণ ফিট রাখতে মেডিকেল টিম ও ম্যানেজমেন্ট বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছে।
শরিফুলকে অনুমতি না দিলেও বিসিবি অন্য পেসার খালেদ আহমেদকে কেন্টের হয়ে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে খেলার সুযোগ দিয়েছে। সম্পূর্ণ ফিট থাকা এবং সাম্প্রতিক সময়ে পর্যাপ্ত ম্যাচ না খেলার কারণে খালেদের জন্য কাউন্টি ক্রিকেটকে কার্যকর প্রস্তুতি হিসেবে দেখছে বোর্ড।
খেলোয়াড়দের দীর্ঘমেয়াদি পারফরম্যান্স ও ফিটনেস নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই বিসিবি শরিফুলের ক্ষেত্রে এই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে।