হোম > খেলা > ক্রিকেট

আত্মবিশ্বাস, অভিজ্ঞতা ও অর্জনের টুর্নামেন্ট

জিডি ট্রফি

স্পোর্টস রিপোর্টার

বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের মানোন্নয়ন এবং তরুণ ক্রিকেটারদের বড় মঞ্চে পারফর্ম করার সুযোগ করে দিতেই শুরু হয়েছিল বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট ট্রফি। টুর্নামেন্ট শেষে সেই লক্ষ্যে ঠিক কতটা সফল হতে পেরেছে বিসিবি, এমন একটা প্রশ্ন থেকেই যায়।

মোটাদাগে জিডি ট্রফিকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, অনূর্ধ্ব-১৯ এবং অনূর্ধ্ব-১৭ দলের ক্রিকেটারদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে বেশ কাজে এসেছে জিডি ট্রফি। টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া তিন দলের বয়সসীমার মধ্যে বেশ পার্থক্য থাকলেও অনূর্ধ্ব-১৯ এবং ২৩ দল বেশ সমানতালেই লড়েছে। অন্যদিকে, অনূর্ধ্ব-১৭ দল বাকি দুদলের মতো লড়তে না পারলেও দলটির কিছু কিছু খেলোয়াড় ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে নজর কেঁড়েছেন।

কাগজে-কলমে জিডি ট্রফির সবচেয়ে ভালো দল যে অনূর্ধ্ব-২৩, সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। দলটির কয়েকজন খেলোয়াড় ইমার্জিং এবং হাইপারফরম্যান্স দলের হয়ে খেলেছেন। দেশ এবং দেশের বাইরে বড় মঞ্চে খেলে তারা বেশ অভিজ্ঞ। তবে সুসজ্জিত এই দলটির চেয়ে জিডিতে পরিসংখ্যান কিংবা অর্জনে কোনো অংশে পিছিয়ে ছিল না অনূর্ধ্ব-১৯ দল। সিনিয়রদের বিপক্ষে অনূর্ধ্ব-১৯-এর এই পারফরম্যান্স দলটির আসন্ন সফরগুলোতে আত্মবিশ্বাস জোগাতে বেশ ভালোভাবেই কাজ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জিডি ট্রফিতে সবচেয়ে বেশি রান করেছেন জারিফ সিয়াম। ৪ ইনিংসে ১৮০ রান করেছেন এই তরুণ। এর মধ্যে আছে ৯৯ রানের ইনিংসও। এমন অনবদ্য পারফরম্যান্স যে তাকে ঠিক কতটা আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে, সেটা বোঝা পুরস্কার বিতরণীতে তার বক্তব্যে।

জারিফ বলছিলেন, ‘এই টুর্নামেন্টে যে ম্যাচগুলোতে ভালো করেছি, সেখান থেকে অনেক কিছু শিখছি। খারাপ করেছি, সেখান থেকেও শিখছি। সব মিলিয়ে অনেক কিছু শেখা হয়েছে। যে অভিজ্ঞতাগুলো হয়েছে, যে ভুলগুলো করেছি, পরেরবার কোনো বড় টুর্নামেন্টে ব্যাটিং করার সময় এগুলো আমাকে অনেক কাজে দেবে।’

ব্যাটিংয়ের লিডারবোর্ডে দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন অনূর্ধ্ব-১৯-এর আহসান আল মুনিম। ৪ ইনিংসে তার রান ১৬৩। শীর্ষ পাঁচে আছেন অনূর্ধ্ব-১৯-এর আরো দুই ব্যাটার। অনূর্ধ্ব-২৩ থেকে থাকা দুই ব্যাটার হলেন মো. আব্দুল্লাহ এবং আহরার আমিন।

বোলিংয়ে যৌথভাবে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হয়েছেন অনূর্ধ্ব-১৯-এর তাফিউল তামিম এবং অনূর্ধ্ব-২৩-এর শেখ পারভেজ জীবন। দুজনেই নিয়েছেন ১০টি করে উইকেট। বোলিংয়ের শীর্ষ পাঁচে অবশ্য অনূর্ধ্ব-২৩-এরই আধিক্য। স্বাধীন ইসলাম ৯টি, আহরার আমিন ৬টি এবং মাহফুজুর রাব্বি ৫ উইকেট নিয়েছেন।

পরিসংখ্যানে দুই দল সমানে সমান হলেও ম্যাচ জয়ে খানিকটা এগিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯। ৫ ম্যাচ খেলে ৩টিতে জিতেছে তারা। অন্যদিকে, ৫ ম্যাচ খেলে দুটিতে জয় অনূর্ধ্ব-২৩-এর। অবশ্য তাদের দুটো ম্যাচ বৃষ্টির কারণে ভেস্তে গেছে। ফাইনাল ম্যাচও বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়ায় গ্রুপ পর্বে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জিতে বাইলজ অনুযায়ী চ্যাম্পিয়ন হয়েছে অনূর্ধ্ব-১৯।

২০২৮ সালে আগামী অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ। ওই বিশ্বকাপে জন্য এখন থেকেই দলকে প্রস্তুত করছেন কোচ হান্নান সরকার। সামনে এই দলটির দেশের বাইরে বেশকিছু সিরিজও রয়েছে। সেসবের আগে জিডি ট্রফির এই দাপুটে পারফরম্যান্স যুবাদের আত্মবিশ্বাস জোগাবে বলে বিশ্বাস কোচ হান্নানের।

এ প্রসঙ্গে হান্নান বলেন, ‘আমাদের দলের অধিকাংশ খেলোয়াড় প্রথমবার মিরপুরে খেলার সুযোগ পেয়েছে। এই অভিজ্ঞতা তাদের পরবর্তী সময়ে সাহায্য করবে। পাশাপাশি সিনিয়রদের সঙ্গে খেলার সুযোগ পেল। আমাদের এই ব্যাচের বেশির ভাগ খেলোয়াড় তৃতীয় বিভাগে খেলে। অনেক খেলোয়াড় আছে, এখন পর্যন্ত কোনো লিগেই খেলেনি। তাদের জন্য চ্যালেঞ্জ ছিল অনূর্ধ্ব-২৩ দলের সঙ্গে খেলা, যেখানে সব খেলোয়াড় প্রিমিয়ার লিগের। তাদের সঙ্গে খেলার মাধ্যমে যে সাহস আর অভিজ্ঞতাটা, সেটা ভবিষ্যতে কাজে দেবে।’

জিডির মতো টুর্নামেন্ট তরুণদের জন্য কতটা জরুরি, সেটা জানাতে গিয়ে এই কোচ বলেন, ‘টুর্নামেন্ট আর প্রীতি ম্যাচের মধ্যে কিন্তু পার্থক্য থাকে। টুর্নামেন্টে নিশ্চিতভাবেই আলাদা একটা প্রতিদ্বন্দ্বিতার আবহ থাকে এবং সেখানে অনূর্ধ্ব-১৭ হয়তো একটু ছোট ছিল, তবে তবু তাদের জন্য এটা একটা বড় অভিজ্ঞতা ছিল। আর আমাদের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের জন্য এটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ, এই জন্য যে, অনূর্ধ্ব-২৩ দলের সঙ্গে খেলা নিশ্চিতভাবেই আমাদের জন্য একটা বড় অভিজ্ঞতা।’

তবুও হারের দুয়ারে পাকিস্তান

মহানবীকে (সা.) কটূক্তির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ

সরকারি ছুটির বাইরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘অফ ডে’ থাকবে না: ত্রাণমন্ত্রী দুলু

৬৩ বিদেশি নাগরিকের কাছে যা পাওয়া গেল, তদন্তে সিটিটিসি

ক্লাব ফর্টিসের কাছে হারল জাতীয় ফুটবল দল

সিংহাসন-মুকুট রেখে ফুটবল বেছে নিলেন উগান্ডার কামুরাসি

বিশ্বকাপ স্বপ্ন শেষ বাংলাদেশের

শুধু নারীর অধিকার নয়, দায়িত্ব সম্পর্কেও জানতে হবে

মাসুদ-বাবরের ব্যাটে লড়ছে পাকিস্তান

জুলাই ও ঢাবির ইতিহাস নিয়ে ডাকসুর ৩ বই