চোট কাটিয়ে দলে ফিরেই নিজের ক্যারিয়ারের সেরা বোলিংটাই করলেন শরিফুল ইসলাম। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাকাইয়ে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে দুর্দান্ত বোলিং করে টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো পাঁচ উইকেটের দেখা পেয়েছেন বাংলাদেশের বাঁহাতি এই পেসার। একই সঙ্গে গড়েছেন বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় দ্রুততম ফাইফারের রেকর্ড।
ডারউইন টেস্টে বাংলাদেশের পেস আক্রমণের নেতৃত্বে ছিলেন হাসান মাহমুদ। তার সঙ্গে এবাদত হোসেনও সুযোগ পেয়েছিলেন শরিফুলের চোটের কারণে। তবে চোট কাটিয়ে ম্যাকাই টেস্টে একাদশে ফিরেই নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়েছেন শরিফুল।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এই ম্যাচের আগে টেস্টে এক ইনিংসে শরিফুলের সেরা বোলিং ফিগার ছিল ২৮ রানে ৩ উইকেট। আর এক টেস্টের দুই ইনিংস মিলিয়ে তার সেরা বোলিং ছিল ৫৬ রানে ৫ উইকেট। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এক ইনিংসেই নিজের দুই রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছেন তিনি।
মাত্র ৮.৫ ওভার বল করেই পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন শরিফুল। এরপর মিচেল স্টার্ককে বোল্ড করে নিজের শিকার সংখ্যা ছয়ে নিয়ে যান তিনি। ফলে অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে প্রথম আট উইকেটের ছয়টিই গেছে শরিফুলের দখলে।
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে দ্রুততম পাঁচ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড অবশ্য এখনো তাইজুল ইসলামের। ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে মাত্র ৬.৫ ওভারে ফাইফার নিয়েছিলেন বাঁহাতি এই স্পিনার। শরিফুলের লেগেছে ৮.৫ ওভার। ফলে দ্রুততম ফাইফারের তালিকায় তাইজুলের পর দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন তিনি।
এটি টেস্ট ক্রিকেটে শরিফুলের প্রথম পাঁচ উইকেট। একই সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্টে পাঁচ উইকেট নেওয়া বাংলাদেশের দ্বিতীয় পেসারও হলেন তিনি। এর আগে ডারউইন টেস্টে প্রথমবারের মতো পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন হাসান মাহমুদ। সেই ম্যাচে ৬ উইকেট শিকার করেছিলেন ডানহাতি এই পেসার।