টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চলতি আসরে সুপার এইটের লড়াই জমে উঠেছে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ মাঠে নামবে নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ড। বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মাঠে নামবে দুদল। এই ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের লক্ষ্য সেমিফাইনাল নিশ্চিত করা। অন্যদিকে ইংল্যান্ড আছে নির্ভার। নিউজিল্যান্ড জিতলেই সেমিফাইনালে উঠে যাবে। হারলেও আশা বেঁচে থাকছে সমীকরণের মারপ্যাঁচে।
শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ৬১ রানে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে আছে নিউজিল্যান্ড। তাদের সামনে সমীকরণও সহজ। কেবল ইংল্যান্ডকে হারালেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত। ইংল্যান্ডকে হারাতে পারলেই কিউইদের পয়েন্ট হবে চার; ফলে আগামীকাল নিজেদের শেষ ম্যাচে মাঠে নামা পাকিস্তান জিতলেও কোনো লাভ হবে না। জয় পেলেও তিন পয়েন্ট নিয়ে আসর শেষ করবে তারা। তবে হারলেও নিউজিল্যান্ডকে তাকিয়ে থাকতে হবে পাকিস্তানের ফলাফলের দিকে, বিশ্বকাপের মতো আসরে যা সব সময়ই স্নায়ুচাপের।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচে দলের লড়াকু মনোভাবের পেছনে বড় অবদান ছিল মিচেল স্যান্টনার ও কোল ম্যাককনচির জুটি। মাঠের অসম বাউন্ডারির সুবিধা কাজে লাগিয়ে তারা স্বাগতিকদের হাত থেকে ম্যাচ ছিনিয়ে নেয়। সেই ম্যাচ থেকে শিক্ষা নিয়ে অন্য ব্যাটাররাও এবার একই কৌশল অনুসরণ করতে চাইবে। তদুপরি স্পিনের বিপক্ষে তাদের রেকর্ড ভালো। ৬২ মিটারের বাউন্ডারিতে আদিল রশিদ, লিয়াম ডসন ও উইল জ্যাকসের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক খেলাই কিউইদের লক্ষ্য।
অন্যদিকে ইতোমধ্যেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করা ইংল্যান্ডকে ভুগতে হচ্ছে ব্যাটিং সংকটে। হ্যারি ব্রুক পাকিস্তানের বিপক্ষে অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলেই দলকে জিতিয়েছিলেন; কিন্তু অন্য ব্যাটাররা ধারাবাহিকভাবে ব্যর্থ। এ বিশ্বকাপে জস বাটলারের ওপর আস্থা বহুবার প্রকাশ করা হলেও টানা চার ম্যাচে এক অঙ্কের রান করায় সেই আস্থা ক্ষীণ হয়ে আসছে। অন্যদের পারফরম্যান্সও আশাব্যঞ্জক নয়। পরের ধাপে দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ অথবা ভারতের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে ইংল্যান্ডের। ফলে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেই ব্যাটিং ঝালিয়ে নেওয়ার মোক্ষম সুযোগ, বাকিটা মাঠে দেখা যাবে।