হোম > খেলা > ফুটবল বিশ্বকাপ

নকআউটের লড়াইয়ে মরক্কোর সামনে হাইতি

স্পোর্টস রিপোর্টার

আগামী বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় ভোর চারটায় আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে ‘সি’ গ্রুপে নিজেদের শেষ ম্যাচে পরস্পরের মুখোমুখি হচ্ছে মরক্কো ও হাইতি। এ ম্যাচে নকআউট পর্বের খেলার সমীকরণ মেলাতে চাইবে মরক্কো। এর আগে ব্রাজিলের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্রয়ের পর স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জিতেছে তারা (১-০ গোলে)। গ্রুপে দুই ম্যাচে তাদের পয়েন্ট চার। অন্যদিকে, গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচে হেরে (ব্রাজিলের কাছে ৩-০ আর স্কটল্যান্ডের কাছে ১-০ গোলে) বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জের দেশ হাইতির। কোনো কিছু হারানোর নেই বলেই মরক্কোর সামনে নির্ভার থাকবে হাইতি।
গত বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছিল মরক্কো। এবারের বিশ্বকাপেও ব্রাজিল ম্যাচে যে পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছে তারা, সেটি বার্তা দিল- আরো শক্তিশালী হয়ে এসেছে তারা। তাই হাইতির জন্য ম্যাচটি কঠিন পরীক্ষারই হতে যাচ্ছে। তাদের রক্ষণভাগের জন্য মরক্কোর ফরোয়ার্ড ইসমাইল সাইবারি বড় আতঙ্কের নাম হতে পারেন। কেননা ব্রাজিল ম্যাচে ২১ মিনিটে সাইবারির গোলেই এগিয়ে যায় মরক্কো। আর স্কটল্যান্ড ম্যাচে মাত্র ৭০ মিনিটে গোল করে দলকে আনন্দের উপলক্ষ এনে দেন এই তরুণ। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৬০১টি পাস আদান-প্রদান করে পুরো ম্যাচে আধিপত্য বিস্তারের রেকর্ড গড়েছে মরক্কো। হাইতি ম্যাচেও যে তারা দাপট দেখাতে চাইবে, সেটি আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে আগের দুই ম্যাচে হারলেও লড়াই করেছে হাইতি। কোনো কিছু না হারানোর মানসিকতা নিয়েই মরক্কোর ম্যাচে ঝাঁপিয়ে পড়ে দলটি। শেষ ম্যাচে পয়েন্ট নিয়ে বাড়ি ফেরার লক্ষ থাকবে তাদের। এর আগে মরক্কো ও হাইতি কোনো ফুটবল ম্যাচ খেলেনি। বিশ্বমঞ্চে এই প্রথম দেখা হচ্ছে দুদলের। দুরন্ত মরক্কোর চেনা ছন্দের জয় নাকি হাইতির শেষ চমক- সেটিই দেখার অপেক্ষা।

নকআউটের আগে ‘বেঞ্চ টেস্টে’ আর্জেন্টিনার, বিশ্রামে থাকতে পারেন মেসি

শীর্ষস্থানের লড়াইয়ে নেইমারকে ছাড়াই মাঠে নামছে ব্রাজিল

নির্ভার মেক্সিকোর মুখোমুখি চেক প্রজাতন্ত্র

মুখ ঢেকেও লাল কার্ড নয়, বেলিংহামের ঘটনায় ব্যাখ্যা ফিফার

ব্রাজিলের চোখ নকআউটে, স্কটল্যান্ডের দৃষ্টি ইতিহাসে

কঙ্গোকে হারিয়ে পর্তুগালকে টপকে নকআউটে কলম্বিয়া

গোল্ডেন বুটের দৌড়ে তিন সুপারস্টার

নকআউট পর্বে টিকিটের লড়াইয়ে দ. আফ্রিকা-দ. কোরিয়া

রঙিন রোনালদো, পর্তুগালের গোলোৎসব

‘আমাকে তো অবসরপ্রাপ্তই বানিয়ে ফেলেছিল’