ইউরোপীয় ফুটবলের সেরা হওয়ার লড়াইয়ে ৩৬ দলের নতুন ফরম্যাটের চ্যাম্পিয়নস লিগের লিগ পর্বের ড্র সম্পন্ন হয়েছে। নতুন এই টুর্নামেন্টে শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। একইসঙ্গে ট্রফি পুনরুদ্ধারের মিশনে থাকা রেকর্ড ১৫ বারের চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদকেও কঠিন প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন পিএসজিকে হোম ম্যাচে লড়তে হবে লুইস এনরিকের সাবেক ক্লাব বার্সেলোনার বিরুদ্ধে। পাশাপাশি ম্যানচেস্টার সিটি ও অ্যাস্টন ভিলার মাঠে গিয়ে খেলার চ্যালেঞ্জ রয়েছে তাদের সামনে। অন্যদিকে, রিয়াল মাদ্রিদের বড় ম্যাচগুলোর মধ্যে রয়েছে ইন্টার মিলানের বিপক্ষে ঘরের মাঠের লড়াই এবং আর্সেনালের বিপক্ষে লন্ডনে অ্যাওয়ে ম্যাচ। বার্সেলোনার হোম ম্যাচে মুখোমুখি হতে হবে ম্যানচেস্টার সিটির, আবার তারা অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলবে পিএসজির মাঠে।
এবারের আসরে প্রথমবারের মতো অংশ নিচ্ছে চারটি নতুন দল—ইতালির কোমো (কোচ সেস ফেব্রিগাস), অস্ট্রিয়ার এলএএসকে, নরওয়ের ভাইকিং এবং আজারবাইজানের সাবাহ।
ম্যাচ সংখ্যা: ৩৬টি দল ৪টি আলাদা সিডিং পট থেকে নির্ধারিত ৮টি ভিন্ন দলের বিরুদ্ধে খেলবে (৪টি হোম ও ৪টি অ্যাওয়ে ম্যাচ)।
নকআউট সমীকরণ: লিগ পর্ব শেষে টেবিলের শীর্ষ ৮টি দল সরাসরি মার্চ মাসের ‘রাউন্ড অব ১৬’-এ উন্নীত হবে। ৯ থেকে ২৪তম স্থানে থাকা দলগুলো ফেব্রুয়ারিতে প্লে-অফ খেলে বাকি ৮টি স্থান নির্ধারণ করবে। আর ২৫ থেকে ৩৬তম স্থানে থাকা দলগুলো টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেবে।
অংশগ্রহণকারী ৩৬টি দলের জন্য মোট ২.৫ বিলিয়ন ইউরো (প্রায় ২.৯ বিলিয়ন ডলার) প্রাইজমানি নির্ধারণ করা হয়েছে।
আগামী ৮–১০ সেপ্টেম্বর শুরু হয়ে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রথম ছয় পর্বের খেলা চলবে। জানুয়ারিতে শেষ দুটি ম্যাচডে শেষে ২৭ জানুয়ারি লিগ পর্ব শেষ হবে।
প্লে-অফ ম্যাচগুলো ১৬–২৪ ফেব্রুয়ারি, শেষ ১৬ মার্চে, কোয়ার্টার ফাইনাল এপ্রিলে এবং সেমিফাইনাল এপ্রিল-মে মাসে অনুষ্ঠিত হবে।
আগামী ৫ জুন ২০২৭ সালের ইউরোপের শ্রেষ্ঠত্বের এই আসরের পর্দা নামবে।