হোম > বিশ্ব > আফ্রিকা

লিবিয়ার রাজনৈতিক সংকট নিরসনে প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষগুলোর সমঝোতা

আমার দেশ অনলাইন

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংকট কাটিয়ে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের পথ তৈরি করতে দুই বছরের একটি রোডম্যাপে সম্মত হয়েছে লিবিয়ার প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক পক্ষগুলো। জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় রোববার রাজধানী ত্রিপোলিতে এ সমঝোতা হয়।

জাতিসংঘের লিবিয়া সহায়তা মিশনের (ইউএনএসএমআইএল) কার্যালয়ে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে দেশটির প্রধান রাজনৈতিক ও সামরিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এর মধ্যে ছিল জাতীয় ঐক্য সরকার, হাই কাউন্সিল অব স্টেট, হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস এবং লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি।

সমঝোতা অনুযায়ী, সর্বোচ্চ ২৪ মাসের মধ্যে প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্ট নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচনি আইন নিয়ে বিরোধ মীমাংসা এবং জাতীয় নির্বাচন কর্তৃপক্ষের সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। নির্বাচন একটি একক নির্বাহী কর্তৃপক্ষ ও ঐক্যবদ্ধ জাতীয় প্রতিষ্ঠানের অধীনে আয়োজনের কথা বলা হয়েছে।

লিবিয়ার রাজনীতি ও যোগাযোগবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ওয়ালিদ এলাফি বলেন, আইনসভা ও প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ২৪ মাসের বেশি সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত। অন্যদিকে লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির প্রতিনিধি শিবানি আবুহামুদ বলেন, চুক্তি বাস্তবায়নের বিষয়গুলো এগিয়ে নিতে চার পক্ষের প্রতিনিধিরা জাতিসংঘের সঙ্গে কাজ করবেন এবং এক মাসের মধ্যে একটি কাঠামো তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তবে চুক্তিটি বাস্তবায়নে বাধাও রয়েছে। লিবিয়ার হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস ও হাই কাউন্সিল অব স্টেট এক মাসের মধ্যে চুক্তিটি অনুমোদন করতে ব্যর্থ হলে বৃহত্তর জাতীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এটিকে সাংবিধানিক দলিল হিসেবে গ্রহণের চেষ্টা করা হবে। এ ক্ষেত্রে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের আন্তর্জাতিক সমর্থন নেওয়ার কথাও রয়েছে।

লিবিয়ায় ২০১১ সালে দীর্ঘদিনের শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকে স্থিতিশীলতা ফেরেনি। ২০১৪ সালে দেশটি পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলভিত্তিক প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তিতে বিভক্ত হয়ে পড়ে। ২০২০ সালের যুদ্ধবিরতির পর বড় ধরনের যুদ্ধ কমলেও রাজনৈতিক বিভাজন অব্যাহত রয়েছে।

এর আগে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে জাতীয় নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রেসিডেন্ট প্রার্থীদের যোগ্যতা নিয়ে বিরোধের কারণে শেষ মুহূর্তে নির্বাচন ভেস্তে যায়। এরপর থেকে দেশটিতে নির্বাচন আয়োজনের নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও রাজনৈতিক মতবিরোধের কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি।

জাতিসংঘের নেতৃত্বাধীন সাম্প্রতিক উদ্যোগটি তাই লিবিয়ার দীর্ঘ রাজনৈতিক সংকট সমাধানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে আগের উদ্যোগগুলোর মতো এবারও মূল চ্যালেঞ্জ হবে সমঝোতাকে বাস্তবে রূপ দেওয়া এবং প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষগুলোর মধ্যে আস্থা বজায় রাখা।

সূত্র: ডেইলি সাবাহ ও রয়টার্স

ক্ষমতায় থাকার মেয়াদ বাড়াবেন না সিসি, ২০৩০ সালেই বিদায়

এক বছরে আমাজনে বন উজাড় কমেছে ৪২ শতাংশ

গাম্বিয়ার উপকূলে অভিবাসীবাহী নৌকা ডুবে নিহত ১২

ইবোলা ঠেকাতে তৎপর কেনিয়া, রাজধানীর বাইরে প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন

এক দ্বীপেই কচ্ছপ ১ লাখ ৮০ হাজার

অভিবাসনপ্রত্যাশীদের নৌকাডুবি, নিহত ১৩৯

জাতীয় ঐক্য ও নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা লিবিয়ায়

আফ্রিকার নারীদের স্বার্থ বিবেচনায় বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা সংস্কারের আহ্বান

নোবেল পুরস্কারের খবর বিশ্বাসই করতে পারেননি পিল্লাই, ভেবেছিলেন কৌতুক

ট্রাম্পের সঙ্গে নোবেল ভাগাভাগি নিয়ে রসিকতা করলেন পিল্লাই