তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরানের একটি বিদ্যালয়ে হামলার জন্য সম্ভবত মার্কিন বাহিনীই দায়ী ছিল। হোয়াইট হাউসও এই সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়নি। ভয়াবহ ওই হামলায় ১৬৫ শিশুর প্রাণহানি ঘটে।
সিএনএনের এক প্রতিবেদেন বলা হয়, স্যাটেলাইট চিত্র, স্থানীয় ভিডিও, মার্কিন কর্মকর্তাদের বিবৃতি এবং সমরাস্ত্র বিশেষজ্ঞদের পর্যালোচনা থেকে জানা যায়, ২৮ ফেব্রুয়ারি মিনাবের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যখন হামলা হয়, প্রায় একই ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নৌঘাঁটিতেও হামলা চালিয়েছিল মার্কিন বাহিনী।
ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) একজন মুখপাত্র শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, তিনি ‘ওই অঞ্চলে আইডিএফের হামলা সম্পর্কে অবগত নন।’
গত শনিবার দক্ষিণ ইরানের মিনাব এলাকার সেই প্রাথমিক বিদ্যালয়টিতে হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, নয়তো ইসরাইলি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। জেনেভায় নিযুক্ত ইরানের জাতিসংঘ রাষ্ট্রদূত আলি বাহরাইনি শুরুতে জানিয়েছিলেন, হামলায় ১৫০ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। পরবর্তীতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬৫ জনে দাঁড়ায়।
গত সপ্তাহে ওই হামলায় নিহত স্কুলছাত্রী ও কর্মীদের জন্য ইরানে এক বিশাল জানাজা ও শোকসভার আয়োজন করা হয়।
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো স্কুল, হাসপাতাল বা যেকোনো বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো যুদ্ধাপরাধ।