হোম > বিশ্ব

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক চালু, বাণিজ্যযুদ্ধ আরো বাড়ছে

আতিকুর রহমান নগরী

বিশ্বের অনেক দেশের ওপর নতুন করে যেসব শুল্ক বসিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যা আজ থেকে কার্যকর হয়েছে। এতে ট্রাম্পের নেতৃত্বে চলা বাণিজ্যযুদ্ধ আরো তীব্র হলো। খবর বিবিসি বাংলার।

ট্রাম্প মধ্যরাতে তার সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘এখন মধ্যরাত! বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের শুল্ক আমেরিকায় ঢুকছে!’

সবশেষ আলোচনার পর বাংলাদেশি পণ্যের ওপর আরোপিত বাড়তি শুল্কের হার ৩৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে আগে থেকে বাংলাদেশের পণ্যে গড়ে ১৬.৫ শতাংশ মার্কিন শুল্ক ছিল, ফলে এখন মোট শুল্কহার দাঁড়াবে ৩৬.৫ শতাংশে।

তবে বুধবার ট্রাম্প ভারতের ওপর শুল্ক আরো বাড়িয়ে মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন। কারণ তিনি চান বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম জ্বালানি আমদানিকারক দেশটি রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করুক।

ভারত এই সিদ্ধান্তকে ‘অন্যায়, অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন’ বলে জানিয়েছে। ভারতের ওপর এই শুল্ক ২৭ আগস্ট থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, যদি প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো আমেরিকায় বিনিয়োগ না করে তাহলে বিদেশে তৈরি কম্পিউটার চিপের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক বসানো হবে। এরপর অ্যাপল ঘোষণা দেয় তারা আমেরিকায় ১০০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ করবে।

এর আগে, ট্রাম্প প্রশাসন নতুন করে আমদানি পণ্যের তালিকা তৈরি করে এবং দেশগুলোকে চুক্তি করার সময় দেয় ৭ আগস্ট পর্যন্ত।

অনেক দেশ এখন আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে, যাতে শুল্ক কমানো বা বাদ দেওয়া যায়। ট্রাম্প মনে করেন, আমেরিকাকে বাকি দুনিয়া ঠিকমতো বাণিজ্যের সুযোগ দেয় না। এই শুল্ক আরোপের কারণে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ যেমন লাওস ও মিয়ানমার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের ওপর ৪০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেসব দেশের সঙ্গে চীনের ভালো ব্যবসায়িক সম্পর্ক আছে, ট্রাম্প সেসব দেশকেই টার্গেট করছেন।

তবে যুক্তরাজ্য, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়ার মতো কিছু বড় দেশ আগেই আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি করে শুল্ক কমিয়ে নিয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নও একটি চুক্তি করেছে, যেখানে তারা ১৫ শতাংশ শুল্ক মেনে নিয়েছে।

তাইওয়ানের ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে, তবে তাদের প্রেসিডেন্ট বলেছেন এটা অস্থায়ী এবং আলোচনাও চলছে। কানাডার ওপর শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩৫ শতাংশ করা হয়েছে, কারণ ট্রাম্প বলছেন, তারা মাদক পাচার ঠেকাতে সাহায্য করছে না।

তবে কানাডার বেশিরভাগ পণ্য আগের এক চুক্তির কারণে এই শুল্কের বাইরে থাকবে। মেক্সিকোর ওপর বাড়তি শুল্ক ৯০ দিনের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে, আলোচনা চলছে।

বুধবার ট্রাম্প বলেন, বিদেশে তৈরি সেমিকন্ডাক্টরের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক বসানো হবে। তবে যেসব কোম্পানি আমেরিকায় অনেক বিনিয়োগ করেছে, যেমন— টিএসএমসি, স্যামসাং, এসকে হাইনিক্স তারা এই শুল্ক থেকে রেহাই পাবে।

ব্রাজিলের ওপরও ৫০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। ট্রাম্প বলছেন, ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট আমেরিকার প্রযুক্তি কোম্পানিকে অন্যায়ভাবে আক্রমণ করছেন এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট বলসোনারোর বিরুদ্ধে মামলা চালানোকে উইচ হান্ট বলছেন।

চীন ও আমেরিকা একসঙ্গে বসে আলোচনা করছে যাতে ১২ আগস্ট শেষ হতে যাওয়া ৯০ দিনের শুল্ক বিরতির সময়সীমা বাড়ানো যায়।

কেন পদত্যাগ করব, আমরা তো হারিনি: মমতা

জাহাজে হামলা হলে কঠোর জবাব পাবে ইরান: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

হরমুজে ইরানের সঙ্গে সংঘর্ষ চায় না যুক্তরাষ্ট্র

নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় জ্বলছে পশ্চিমবঙ্গ

পশ্চিমবঙ্গে কে হচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী, বাছাই করতে আসছেন অমিত শাহ

পদত্যাগ না করার ঘোষণা মমতার

চীন সফরে যাচ্ছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অভিযানে যোগদানের বিষয় পর্যালোচনায় দক্ষিণ কোরিয়া

যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা নিয়ে যে শঙ্কার কথা জানালো নৌ বাণিজ্য সংস্থা

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আলোচনা ‘এগিয়ে যাচ্ছে’- আরাঘচি