ইসরাইলে হাজারো মানুষ শনিবার সকাল থেকেই তেল আবিবে পর্তুগিজ দূতাবাসের সামনে লম্বা লাইনে দাঁড়ান পর্তুগিজ নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে। টাইমস অব ইসরাইলের বরাতে বার্তা সংস্থা আনাদোলু এ তথ্য জানিয়েছে।
দূতাবাসের অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট ব্যবস্থায় অতিরিক্ত ভিড় সামাল দিতে বিশেষ আয়োজন “পুরনো দিনের মতো সরাসরি সাক্ষাৎকার দিবস” বিপুল আগ্রহ সৃষ্টি করে।
দূতাবাসের প্রবেশদ্বার থেকে ভূগর্ভস্থ পার্কিং পর্যন্ত বিস্তৃত দীর্ঘ লাইনে থাকা আবেদনকারীরা নাগরিকত্ব গ্রহণ বা পর্তুগিজ পাসপোর্ট নবায়নের জন্য অপেক্ষা করছিলেন।
২০১৫ সালে পর্তুগাল একটি আইন পাস করে, যার মাধ্যমে ১৬শ শতকের ইনকুইজিশনের সময়ে নির্যাতিত সেফার্দি ইহুদিদের নাগরিকত্বের আবেদন করার অধিকার দেয়া হয়।
তবে বিপুল সংখ্যক আবেদন জমা পড়ায় ২০২৩ সালে সরকার জানায়, এতে কঠোর শর্ত আরোপ করা হবে।
কেন ইসরাইলিরা পর্তুগিজ পাসপোর্ট চান?
ইসরাইলিরা পর্তুগিজ নাগরিকত্ব চাইছেন মূলত কিছু বিশেষ কারণে। যেমন—ইইউ দেশগুলোর ভেতরে অবাধ ভ্রমণ; তুলনামূলক কম জীবনযাত্রার খরচ; ইউরোপীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সহজে ভর্তির সুযোগ এবং কম টিউশন ফি।
এছাড়া অক্টোবর ২০২৩ সালে গাজায় সামরিক অভিযান শুরুর পর ইসরাইলে দ্বিতীয় পাসপোর্ট পাওয়ার চাহিদা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে।
দশ-হাজারের বেশি ইসরাইলি দেশ ছেড়েছেন, এবং পর্তুগিজ নাগরিকত্বে আগ্রহ এখনও অব্যাহতভাবে বাড়ছে।
এসআর