হোম > বিশ্ব

দ্বিতীয় দফায় কেন ওমানে হামলার হুমকি দিলেন ট্রাম্প

আল জাজিরার বিশ্লেষণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাইল ছবি

ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা ও ইসরাইলের যুদ্ধ বন্ধের প্রচেষ্টায় ওমান ‘বাধা হয়ে দাঁড়ালে’ দেশটিতে বোমা হামলার হুমকি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। উপসাগরীয় দেশ ওমান বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে। অন্যদিকে ইরান বারবার জানিয়েছে, হরমুজ নিয়ে আমেরিকার সঙ্গে সরাসরি কথা বলবে না তারা ।

সোমবার এমন এক সময় এ হুমকি দেওয়া হলো, যখন তেহরান মাসকটের সঙ্গে একটি চুক্তির কাছাকাছি রয়েছে এবং একই সঙ্গে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ৬০ দিনের সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) মেয়াদও শেষ হয়েছে। স্মারকটিতে শান্তি আলোচনার জন্য নির্দিষ্ট সময় বরাদ্দ থাকলেও তা শুরুতেই ভেস্তে যায়। এটি এখন নবায়নের আশা নেই বললেই চলে।

এটি প্রথমবার নয় যে ট্রাম্প ওমানকে হুমকি দিয়েছেন। ওমান আমেরিকার একটি মিত্র দেশ, যারা কখনো ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো সরাসরি সংঘাতে জড়ায়নি। ওমানের জলসীমার মধ্য দিয়েই বিতর্কিত হরমুজ প্রণালি বয়ে গেছে এবং দেশটি ইরান-আমেরিকা যুদ্ধে নিজের নিরপেক্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে। এতকিছুর পরও দেশটি ইরানের একাধিক হামলার শিকার হয়েছে। কারণ আমেরিকা-ইসরাইলের হামলার পাল্টা জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালায়।

এতদিন ইরান হামলা চালিয়েছে, এখন ট্রাম্পও ওমানে হামলা চালানোর হুমকি দিচ্ছেন। কেন ট্রাম্প ওমানে হামলার হুমকি দিচ্ছেন এ নিয়ে আল জাজিরার বিশ্লেষণে জানা গেছে, ট্রাম্প সোমবার আমেরিকার গণমাধ্যম ফক্স নিউজকে জানিয়েছেন, ইরানের উচিত আত্মসমর্পণ করা। এই অনুষ্ঠানেই তিনি দ্বিতীয় দফায় ওমানকে হামলার হুমকি দেন। তিনি বলেন, ‘যদি ওমান পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, আমরা তাদের ওপর বোমা মেরে ধ্বংস করে দেব।’

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর একজন মুখপাত্র ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার দাবি অস্বীকার করে ইরানের আধা-সরকারি তাসনিম নিউজকে বলেছেন, আইআরজিসি কর্মকর্তা এবং আমেরিকানদের মধ্যে কোনো আলোচনা হচ্ছে না। এবং ট্রাম্পের এই মিথ্যাচারটি যুদ্ধে পরাজয় ও হতাশার ফলে সৃষ্ট বিভ্রম ও দুঃস্বপ্ন।

গত মে মাসেও একবার ওমানকে হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। ২৭ মে মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে এক সাংবাদিক ট্রাম্পকে জিজ্ঞেস করেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে ওমান ও ইরানের যৌথ তত্ত্বাবধানে জাহাজ চলাচল করবে, এ সম্পর্কে তিনি কী ভাবছেন? এর জবাবে ট্রাম্প বলেছিলেন, কেউ এটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না। এটা আন্তর্জাতিক জলসীমা এবং ওমান অন্য সবার মতোই আচরণ করবে, নইলে তাদের উড়িয়ে দিতে হবে।

হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে ইরান-ওমানের মধ্যে একটি সম্ভাব্য সমঝোতা ওয়াশিংটনের অন্যতম প্রধান শর্তের বিপক্ষে যেতে পারে। যেমন যুদ্ধ শেষ করার শর্ত হিসেবে ইরানকে প্রণালিটির নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দিতে হবে বলে দাবি করেছে আমেরিকা। এ ধরনের একটি চুক্তি নিয়ন্ত্রণ কমানোর পরিবর্তে, ইরানের অবস্থানকে আনুষ্ঠানিক রূপ দিয়ে একে আরো বেশি বৈধতা দেবে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রণালি সম্পর্কিত এই চুক্তি থেকে আমেরিকাকে দৃশ্যত বাদ দেওয়ায় সম্ভবত এ নিয়েও ক্ষুব্ধ হয়েছেন ট্রাম্প।

ফ্রান্সের নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ নাকচ করল রাশিয়া

রাষ্ট্র হিসেবে অস্তিত্ব হারানোর ঝুঁকিতে ইসরাইল

বিজেপি থেকে মুখপাত্র শেহজাদের পদত্যাগ, দলের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান

আট মাসে ইমরান খানের সঙ্গে স্ত্রীর প্রথম দেখা, কথা হলো ৩৫ মিনিট

ইরান যুদ্ধে বদলেছে আঞ্চলিক নিরাপত্তা সমীকরণ: আরাগচি

একের পর এক সংকটে বাড়তি চাপে মার্কিন নৌবাহিনী

বিদেশি নাগরিকত্বের দিকে ঝুঁকছেন ভারতীয় ধনকুবেররা

ইসরাইলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান আরব লীগের

আমাদের কাছে কিছুই গোপন নেই, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে ইরানের সতর্কতা

সামরিক স্বনির্ভরতার আহ্বান দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের