হোম > বিশ্ব

ইথিওপিয়ায় ট্রাক উল্টে নিহত ২২ অভিবাসনপ্রত্যাশী

আমার দেশ অনলাইন

ফাইল ছবি

ইথিওপিয়ায় একটি ট্রাক উল্টে কমপক্ষে ২২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরো ৬৫ জন। মঙ্গলবার স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় আফার অঞ্চলের সেমেরায় প্রতিবেশী জিবুতি থেকে কয়েকশ কিলোমিটার পশ্চিমে এই সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। খবর আল জাজিরার।

কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানায়, ‘দালালদের খপ্পরে পড়ে বিভ্রান্ত হয়েছিলেন তারা এবং এই ভ্রমণ রুটের বিপদ সম্পর্কে তাদের কোনো পূর্ব ধারণা ছিল না।’

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘দুর্ঘটনা ঘটার পর থেকে আঞ্চলিক সরকার প্রয়োজনীয় সব কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এই মুহূর্তে আহতদের ডাউটি রেফারেল হাসপাতালে পূর্ণ চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।’ নিহতদের পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে সরকার।

‘হর্ন অব আফ্রিকা’ থেকে উপসাগরীয় দেশগুলোতে কাজের সন্ধানে যাওয়ার জন্য ইথিওপিয়া অন্যতম প্রধান রুট। সোমালিয়া, ইথিওপিয়া, ইরিত্রিয়া এবং জিবুতি— পূর্ব আফ্রিকার এই চার দেশকে একত্রে বলা হয় ‘হর্ন অব আফ্রিকা’।

হাজার হাজার আফ্রিকান অভিবাসনপ্রত্যাশী এই রুট ব্যবহার করেন। তারা বেশির ভাগ সময় জিবুতি থেকে ইয়েমেনে যান, তারপর ইয়েমেন থেকে সৌদি আরব ও উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশের উদ্দেশে রওনা হন।

তবে ইথিওপীয় অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জিবুতি যাওয়ার জন্য মানব পাচারকারীরা যে রুট ব্যবহার করে, সেটি বেশ বিপজ্জনক। জাতিসংঘের বৈশ্বিক অভিবাসনবিষয়ক অঙ্গ সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশনের (আইওএম) তথ্য অনুসারে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই রুটে প্রাণ হারিয়েছেন ৮৯০ জন। এই পথকে বিশ্বের সবচেয়ে ‘বিপৎসংকুল রুট’ বলে উল্লেখ করে করেছে।

আরএ/এসআই

রুশ হামলায় কিয়েভে হতাহত ১৬; দেশজুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র সতর্কতা

আফগানিস্তানের সঙ্গে শত্রুতা চায় না পাকিস্তান

কোকেন পাচার রোধে একসঙ্গে লড়বে যুক্তরাষ্ট্র ও কলম্বিয়া

মার্কিন চাপের মুখে ভেনেজুয়েলায় ‘বিপুলসংখ্যক’ রাজনৈতিক বন্দির মুক্তি

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন রুবিও

পশ্চিম তীরে ‘বৈষম্যের নীতি’ ফিলিস্তিনিদের শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থায় ফেলেছে

পাকিস্তানে ৫.৮ ভূমিকম্প অনুভূত

‘আমরা পরাধীন নই, কেই আত্মসমর্পণ করেনি’

মাদুরোকে আটকের পর তেল কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আজ ট্রাম্পের বৈঠক

ক্ষমতাধররা যা খুশি তাই করতে পারেন না: সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী