বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নানা আয়োজনে খ্রিষ্টীয় নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হচ্ছে। অন্ধকার ভেদ করে আতশবাজির বর্ণিল আলোয় আলোকিত হয়ে ওঠে বছরের প্রথম প্রহর। নতুন বছর ২০২৬কে স্বাগত জানাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দর্শনীয় স্থানগুলোতে হয় বিশাল জনসমাগম।
প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র কিরিবাতির কিরিটিমাতি প্রথম স্থান হিসেবে ২০২৬ সালে প্রবেশ করে। এরপর নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডে আতশবাজির আলোকচ্ছটায় খ্রিষ্টীয় নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়।
অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে নানা আয়োজনে নববর্ষকে বরণ করে নেওয়া হয়। নানা রঙের আতশবাজির আলোর ঝলকানিতে রঙিন হয়ে ওঠে রাতের আকাশ। সিডনি হারবার ব্রিজ এলাকায় জড়ো হন অসংখ্য মানুষ।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে হয় মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় আয়োজন। বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবন বুর্জ খলিফা আতশবাজির আলোকচ্ছটায় আলোকিত হয়ে ওঠে।
এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ডের ব্যাংকক মেতে ওঠে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর আনন্দে। নানা রঙের আতশবাজির আলোর ঝলকানিতে আলোকিত হয়ে ওঠে রাতের আকাশ।
ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধের মধ্যে নতুন আশায় নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়েছে রাশিয়ার মানুষ।
২০২৬ সালের আগমনকে বরণ করে নিয়েছে চীন। রাজধানী বেইজিংয়ে জড়ো হয়ে আনন্দ উল্লাসে মেতে ওঠেন হাজারো মানুষ।
এছাড়া, ব্রাজিল, ফ্রান্স, জার্মানি, স্পেনসহ বিশ্বের নানা প্রান্তের মানুষ নতুন বছরকে স্বাগত জানাচ্ছে।
আরএ
এসআই