হোম > বিশ্ব

গুয়াতেমালায় ক্রীড়া কমপ্লেক্সে দুর্নীতিবিরোধী কৌঁসুলিকে গুলি করে হত্যা

আলজাজিরা

গুয়াতেমালার পাবলিক মিনিস্ট্রির ফরেনসিক প্রসিকিউটররা আলামত সংগ্রহ করছেন। ছবি: এএফপি

গুয়াতেমালার রাজধানী গুয়াতেমালা সিটির একটি ক্রীড়া কমপ্লেক্সে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে দুর্নীতিবিরোধী সাবেক কৌঁসুলি হুয়ান ফ্রান্সিসকো সোলোরজানো ফোপ্পাকে।

গতকাল শনিবার ক্যাম্পো মার্তে ক্রীড়া কমপ্লেক্সে যাওয়ার পর দুই বন্দুকধারীর হামলায় ৪৩ বছর বয়সি এই আইনজীবী নিহত হন। তার সঙ্গে গুলিতে নিহত হয়েছেন আরো এক ব্যক্তি।

দেশটির সরকারি কৌঁসুলির কার্যালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

নিহত অপর ব্যক্তির নাম গুস্তাভো আদোলফো আগিলার গামারো। এ ঘটনায় পুলিশ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের কাছ থেকে কারবাইন ধরনের একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছেন গুয়াতেমালার প্রেসিডেন্ট বার্নার্দো আরেভালো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডের সরাসরি জড়িত ব্যক্তিদের পাশাপাশি যারা এ অপরাধের নির্দেশ দিয়েছে, তাদেরও আইনের পূর্ণ শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে সরকার।

প্রেসিডেন্ট আরো বলেন, যারা মনে করে সন্ত্রাস ছড়িয়ে মানুষ ও সরকারকে ভয় দেখানো যাবে, তারা ভুল করছে।

সোলোরজানো ফোপ্পা দুর্নীতির বিরুদ্ধে কাজ করার জন্য পরিচিত ছিলেন। তিনি একসময় দেশটির সরকারি কৌঁসুলির কার্যালয়ের অপরাধ তদন্ত বিভাগের প্রধান ছিলেন। পরে ২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত দেশটির কর কর্তৃপক্ষের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় প্রভাবশালী ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা পরিচালনা এবং বকেয়া কর আদায়ে ভূমিকা রাখেন তিনি।

২০২৫ সালে বারিও ১৮ নামের অপরাধী চক্রের সঙ্গে ন্যাশনাল ইউনিটি অব হোপ পার্টির কথিত সম্পর্ক এবং অপরাধী চক্রগুলোর সঙ্গে বিচার বিভাগের যোগসূত্র নিয়ে আলোচনায় তার নাম আসে।

২০২৩ সালে সাংবাদিক হোসে রুবেন জামোরার আইনজীবী দলের সঙ্গেও যুক্ত হয়েছিলেন ফোপ্পা। জামোরা মধ্য আমেরিকায় সাংবাদিকতার অপরাধীকরণ এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হওয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। তবে পরে এক কৌঁসুলি ফোপ্পার বিরুদ্ধে বিচারকাজে বাধা দেওয়া এবং তথ্য নষ্ট বা গোপন করার অভিযোগ আনেন। এ কারণে তাকে জামোরার আইনজীবী দল থেকে সরে যেতে হয়।

ফোপ্পা অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত সমঝোতার অংশ হিসেবে অভিযোগ মেনে নিতে রাজি হন। ওই সময় তিনি বলেছিলেন, তিনি মনে করেন না যে তার ন্যায্যবিচার পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

এএম

ইসরাইলের সঙ্গে ইউরোপের দূরত্ব বাড়ছে, নির্বাচনে কি বদলাবে সম্পর্ক

বিদেশি আগ্রাসনের কাছে মাথা নত করবে না ইরান: পেজেশকিয়ান

ইসরাইলের নির্বাচন: আরব ভোট ও নেতানিয়াহুর বর্জনের রাজনীতি

‘দুর্গাপুজো’ বনাম ‘শারদোৎসব’—পশ্চিমবঙ্গজুড়ে শারদীয় বুক স্টল ভাঙচুর ঘিরে উত্তেজনা

হরমুজে ক্রমাগত বাড়ছে জাহাজে হামলার ঘটনা

ভারতে আটক বিক্ষোভকারীদের বাড়ি ফেরাতে এআইয়ের সহায়তা নিচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবকেরা

মঙ্গলের উপগ্রহ থেকে নমুনা সংগ্রহে অভিযান শুরু করছে জাপান

বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে ইসরাইলকে ব্যবস্থা নিতে বললেন রুবিও

ইতিহাস শিক্ষা দিতে নীতিনির্ধারকদের প্রশিক্ষণ দিল ইউনেস্কো

সৌদিতে হামলায় হুথিদের গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে ইরান