ইসরাইলের প্রথম দূতাবাস খোলার প্রতিবাদে স্লোভেনিয়ার রাজধানী লুব্লিয়ানায় হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ করেছেন। বুধবারের এ বিক্ষোভ এমন সময়ে হলো, যখন স্লোভেনিয়ার জাতীয়তাবাদী প্রধানমন্ত্রী ইয়ানেজ ইয়ানশা ইসরাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছেন। এটি তার পূর্বসূরি রবার্ট গোলবের সরকারের নীতির সম্পূর্ণ বিপরীত। গোলবের সরকার গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিল।
ইয়ানশা জুলাইয়ে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন।
লিউব্লিয়ানায় বিক্ষোভকারীরা দূতাবাস উদ্বোধনের অনুষ্ঠান চলা হোটেলের পাশ দিয়ে মিছিল করেন। তাদের হাতে ছিল বিভিন্ন ব্যানার। এতে লেখা ছিল, ‘শান্তি ও ফিলিস্তিনের জন্য আমরা একসঙ্গে’ এবং ‘গণহত্যা আত্মরক্ষা নয়’।
৪৮ বছর বয়সি শিল্প-ইতিহাসবিদ উরশকা ব্রেজনিক ইয়ানশা সরকারকে ‘সহযোগিতাকারী সরকার’ বলে অভিহিত করেন। আরেক বিক্ষোভকারী মেলিনা সাহেরনিক এএফপিকে বলেন, ‘এতে স্লোভেনিয়ার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে।’
স্লোভেনিয়ার রাজনৈতিক বিশ্লেষক আন্দ্রাজ জোরকো অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে বলেন, সরকারের নীতিতে পরিবর্তন দেশটির জনমতের প্রবণতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
তিনি বলেন, ‘স্লোভেনিয়ার অধিকাংশ মানুষ হয় ইসরাইলের বিরোধী, নয়তো কোনো না কোনোভাবে নিরপেক্ষ অবস্থানে রয়েছে।’
সাবেক প্রধানমন্ত্রী গোলবের নেতৃত্বাধীন উদারপন্থি ফ্রিডম মুভমেন্ট বুধবার লেফট পার্টির সঙ্গে মিলে পার্লামেন্টে ইয়ানশাকে অভিশংসনের প্রস্তাব দেয়। এর প্রধান কারণ হিসেবে তারা এমন একটি পররাষ্ট্রনীতির কথা উল্লেখ করে, যা তাদের মতে একচেটিয়াভাবে ইসরাইলের স্বার্থ রক্ষা করছে।
সূত্র: আল জাজিরা
আরএ