যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার মধ্যে দায়িত্ব পেলেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। ইরানের প্রেসিডেন্ট, স্পিকার, পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সব রাজনৈতিক ও সামরিক প্রতিষ্ঠান নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির প্রতি জোরালো সমর্থন দিয়েছেন। তবে তার সামনে রয়েছে কঠিন চ্যালেঞ্জ।
যুদ্ধই যে একমাত্র সমস্যা, তা নয়। তেহরান থেকে আলজাজিরার তোহিদ আসাদি বলেন, বছরের পর বছর ধরে চলা আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এবং অভ্যন্তরীণ অব্যবস্থাপনার কারণে পঙ্গু এক অর্থনীতির মুখোমুখি হতে হবে নতুন নেতাকে।
দেশের অভ্যন্তরে সামাজিক দিক থেকে তাকে বিরোধী পক্ষকেও মোকাবিলা করতে হবে। তার নিয়োগ ঘোষণার পর থেকে নতুন নেতার প্রতি সমর্থন জানিয়ে তেহরানের বিভিন্ন অংশে লোকজন জড়ো হন। শহরের অন্যতম রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ইনকিলাব স্কয়ারেও জড়ো হন অনেকে। তবে তারা আক্রমণের শিকার হন।
তোহিদ আসাদি বলেন, এটি একটি মেরুকৃত সমাজ— বিষয়টি মনেরাখা জরুরি। ডিসেম্বরের শেষের দিকে, প্রাথমিকভাবে অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে ব্যাপক বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। তবে এর সঙ্গে যোগ হয় রাজনৈতিক ও সামাজিক দাবি।
দেশের নতুন সর্বোচ্চ নেতা কোনো পরিবর্তন আনবেন কি না এবং এসব জটিলতা মোকাবিলা করবেন কি না, তা আমাদের এখনো দেখার বিষয়।
আলজাজিরা