হোম > বিশ্ব

গাজা যুদ্ধ বন্ধ ও জিম্মি মুক্তি নিয়ে নতুন শর্ত দিলেন নেতানিয়াহু

আমার দেশ অনলাইন

ছবি: বিবিসি

ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, নিজেদের শর্তে গাজা যুদ্ধ বন্ধ ও বাকী জিম্মিদের মুক্তিতে হামাসের সাথে আলোচনা শুরু হবে। সেইসঙ্গে গাজা সিটি দখলে বড় ধরনের আক্রমণ পরিচালনা করতে পরিকল্পনা অনুমোদন দিয়েছে তার মন্ত্রিসভা। খবর বিবিসির।

সোমবার কাতার ও মিশরের মধ্যস্থতায় ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির জন্য আনা একটি প্রস্তাবে হামাস সম্মত হয়েছে। তবে এই প্রস্তাব গ্রহণ করেনি ইসরাইল। তারা নিজেদের শর্তে যুদ্ধবিরতিতে যাবে বলে জানিয়ে দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতে ইসরাইলে গাজা বিভাগের সদর দপ্তর পরিদর্শনকালে এক ভিডিও বিবৃতিতে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমাদের সকল জিম্মিদের মুক্তির জন্য অবিলম্বে আলোচনা শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমি গাজা সিটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার এবং হামাসকে পরাজিত করার জন্য ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর পরিকল্পনা অনুমোদন করেছি।’

নেতানিয়াহু আররো বলেন, ‘হামাসকে পরাজিত করা এবং আমাদের সকল জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া-এই দু’টি বিষয় একসাথে চলবে।’ তবে পরবর্তী পর্যায়ে আলোচনার কী হবে সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।

গত ১০ দিনে ইসরাইলি ট্যাংকগুলো গাজা শহরের কাছাকাছি আশার পর থেকেই হাজার হাজার ফিলিস্তিনি তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেছেন।

এই মাসে নেতানিয়াহুর সভাপতিত্বে ইসরাইলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা গাজা সিটি দখলের পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে যদিও ইসরাইলের ঘনিষ্ঠ অনেক মিত্র দেশ সরকারকে পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরাইলে হামাসের নেতৃত্বে পরিচালিত হামলার জবাবে ইসরাইলি সেনাবাহিনী গাজায় একটি অভিযান শুরু করে। তখন থেকে গাজায় কমপক্ষে ৬২ হাজার ১৯২ জন নিহত হয়েছেন।

আরএ

ভারতীয় বিমানের জন্য আকাশসীমা নিষেধাজ্ঞার সময় বাড়াল পাকিস্তান

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে কড়া অবস্থান ট্রাম্পের, বললেন পিছু হটার সুযোগ নেই

সিরিয়ার কারাগার থেকে পালিয়েছে ২০০ আইএস যোদ্ধা

সৌদি আরবে কর্মী নিয়োগে নতুন নিয়ম

সিরিয়ায় সরকার ও এসডিএফের মধ্যে যুদ্ধবিরতি

স্পেনে ফের ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা, চালক নিহত

গাজায় ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৪ হাজার আশ্রয়কেন্দ্র: জাতিসংঘ

গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করছে তুরস্ক: এরদোয়ান

ট্রাম্পের অভিবাসননীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিক্ষোভ

ট্রাম্প প্রশাসনের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মার্কিন ক্যাথলিক ধর্মযাজকেরা