ভেনেজুয়েলায় ৭ দশমিক ৫ এবং ৭ দশমিক ২ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে প্রাণহানির সংখ্যা লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ ও গবেষণা সংস্থা ইউএসজিএস।
ভেনিজুয়েলায় আঘাত হানা ভূমিকম্প দুটি দেশটির ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী কম্পন হলেও এগুলো বিশ্বব্যাপী রেকর্ড করা সবচেয়ে বড় ভূমিকম্পগুলোর তালিকায় পড়ে না।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের ইতিহাসে রেকর্ড করা সবচেয়ে শক্তিশালী ১০টি ভূমিকম্প এবং সেগুলোতে প্রাণহানির সংখ্যা নিচে দেওয়া হলো—
প্রথম স্থানে আছে ১৯৬০ সালের চিলি ভূমিকম্প, যার মাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৫। এই ভূমিকম্পে ১ হাজার ৬৫৫ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।
দ্বিতীয় স্থানে আছে ১৯৬৪ সালের আলাস্কা ভূমিকম্প, যার মাত্রা ছিল ৯ দশমিক ২। এতে ১৩০ জন মারা যান।
তৃতীয় স্থানে রয়েছে ২০০৪ সালের সুমাত্রা ভূমিকম্প। এর মাত্রা ছিল ৯ দশমিক ১। এই দুর্যোগে ২ লাখ ৮০ হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারান।
চতুর্থ স্থানে রয়েছে ২০১১ সালের জাপানের তোহুকু ভূমিকম্প। এর মাত্রা ছিল ৯ দশমিক ১। এতে ১৫ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়।
পঞ্চম স্থানে রয়েছে ১৯৫২ সালের রাশিয়ার কামচাটকা ভূমিকম্প। এর মাত্রা ছিল ৯। এই ভূমিকম্পে ১৫ হাজার পর্যন্ত মানুষ মারা যান।
ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে ২০২৫ সালের রাশিয়ার কামচাটকা ভূমিকম্প। এর মাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৮। এতে কোনো প্রাণহানি ঘটেনি।
সপ্তম স্থানে রয়েছে ২০১০ সালের চিলির বিওবিও’র ভূমিকম্প। এর মাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৮। এই কম্পনে ৫২৩ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।
অষ্টম স্থানে রয়েছে ১৯০৬ সালের ইকুয়েডর ভূমিকম্প। এর মাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৮। এতে ১ হাজার ৫০০ জন মারা যান।
নবম স্থানে রয়েছে ১৯৬৫ সালের আলাস্কা ভূমিকম্প। এর মাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৭। এই ভূমিকম্পে কোনো প্রাণহানি হয়নি।
দশম স্থানে রয়েছে ১৯৫০ সালের অরুণাচল প্রদেশের ভূমিকম্প। এর মাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৬। এতে ৭৮০ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।
সূত্র: আলজাজিরা
এএম