ইরান যুদ্ধে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত তিনটি প্রধান সমরাস্ত্রের মজুত পুনরায় পূরণ করতে কমপক্ষে তিন বছর সময় লাগবে। এরফলে ভবিষ্যতে চীনের সাথে যেকোনো সংঘাতে মার্কিন বাহিনীর যুদ্ধক্ষমতা সীমিত থাকবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে ।
অস্ত্র ব্যবস্থাগুলো হলো টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, যা শত্রুপক্ষের ভূখণ্ডের গভীরে থাকা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও আছে প্যাট্রিয়ট ও থাড ইন্টারসেপ্টর, যা ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন থেকে প্রতিরক্ষা প্রদান করে।
বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ জানিয়েছে, ‘ইরান যুদ্ধের যেকোনো সম্ভাব্য পরিস্থিতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পর্যাপ্ত গোলাবারুদ রয়েছে। কিন্তু মজুত কমে যাওয়ায় পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সম্ভাব্য সংঘাতের জন্য একটি দুর্বলতার সুযোগ তৈরি হয়েছে।’ এরফলে এই মজুত পুনরায় গড়ে তুলতে যে সময় লাগবে, তা একটি বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’
২০২৭ সালের মধ্যে প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করে তাইওয়ান দখল করার মতো সামরিক সক্ষমতা অর্জন করা চীনের একটি ঘোষিত লক্ষ্য। কিন্তু চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই মাসে সতর্ক করেছেন যে, ওয়াশিংটন যদি এই স্বশাসিত দ্বীপটির সঙ্গে সম্পর্ক সঠিকভাবে পরিচালনা করতে না পারে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে সংঘর্ষ বা এমনকি প্রকাশ্য সংঘাতও হতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘উৎপাদন ক্ষমতা বাড়াতে এবং এই জটিল ব্যবস্থাগুলো তৈরি করতে সময় লাগে। মজুত আগের পর্যায়ে ফিরে আসতে কয়েক বছর লাগবে।’
সূত্র: পিবিএস নিউজ
আরএ