গাজার স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার সবকিছু মেনে না নিলেও, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছে। যুদ্ধের অবসান ঘটাতে পশ্চিমা ও আরব বিশ্ব যেসব শর্তকে অগ্রাধিকার দিচ্ছিল, সেগুলোর প্রতি ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছে সংগঠনটি ।
হামাস জানিয়েছে, তাদের হাতে থাকা সব ইসরাইলি জিম্মিকে মুক্তি দিতে তারা রাজি। একইসঙ্গে তারা গাজা উপত্যকার প্রশাসন একটি প্রস্তাবিত স্বাধীন ফিলিস্তিনি সংস্থার কাছে হস্তান্তরে প্রস্তুত, যা পরিচালিত হবে টেকনোক্র্যাটদের মাধ্যমে। হামাসের ভাষ্য অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্ত ফিলিস্তিনি জাতীয় ঐকমত্য এবং আরব ও ইসলামী নেতাদের সমর্থনের ভিত্তিতে প্রশাসন হস্তান্তর করতেও রাজি আছে।
তবে হামাসের বিবৃতিতে নিরস্ত্রীকরণের প্রসঙ্গ তোলা হয়নি এবং ভবিষ্যতে গাজার শাসনব্যবস্থায় তাদের কোনো ভূমিকা থাকবে না—এমন প্রতিশ্রুতিও দেয়নি তারা। এ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থান কী হবে, তা এখনও পরিষ্কার নয়।
এদিকে, ২০২৩ সালের ৭ই অক্টোবরের হামলায় অংশ নেওয়া হামাসের মিত্র সংগঠন ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদ (পিআইজে) হামাসের এই প্রতিক্রিয়াকে সমর্থন জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, দুই বছর আগে ইসরাইল থেকে ধরে নেওয়া ২৫১ জন জিম্মির মধ্যে বর্তমানে ৪৮ জন হামাসের হাতে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তাদের মধ্যে মাত্র ২০ জনের জীবিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।