হোম > বিশ্ব

ইসরাইলের সঙ্গে ইউরোপের দূরত্ব বাড়ছে, নির্বাচনে কি বদলাবে সম্পর্ক

আলজাজিরা

জার্মানির বার্লিনে আয়োজিত ‘ইউনাইটেড ফর প্যালেস্টাইন’ বিক্ষোভে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে কৃত্রিম রক্তে মাখানো একটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চিত্র। ছবি: রয়টার্স

গাজায় ইসরাইলের ধ্বংসযজ্ঞ ও ফিলিস্তিনিদের ওপর নিপীড়নকে কেন্দ্র করে ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে দেশটির সম্পর্কের টানাপোড়েন বেড়েছে। একসময় ইউরোপের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত ইসরাইল এখন নানা ক্ষেত্রে সমালোচনা, নিষেধাজ্ঞা ও কূটনৈতিক চাপের মুখে। আগামী ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে ইসরাইলের ক্ষমতায় কারা আসবে, তার ওপর ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্কের ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করছে।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, সরকার বদলালেও সম্পর্কের ক্ষত সহজে সারবে না।

২০২৩ সালের ২৩ এপ্রিল ইসরাইলের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন দেশটির প্রতি সংহতি জানিয়েছিলেন।

তিনি বলেছিলেন, ‘ইউরোপ ও ইসরাইল বন্ধুত্বপূর্ণ দেশ ও মিত্র হিসেবে এক সূত্রে বাঁধা।’

এই বন্ধুত্ব শুধু কূটনীতিতে সীমাবদ্ধ ছিল না। ইউরোপে আন্তর্জাতিক ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশ নিত ইসরাইল। ইউরোভিশন সংগীত প্রতিযোগিতায়ও ছিল দেশটির অংশগ্রহণ। ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সরকারের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করত ইসরাইল। ইউরোপের অস্ত্র উৎপাদনব্যবস্থার সঙ্গেও যুক্ত ছিল দেশটির অস্ত্রশিল্প।

এসব সম্পর্ক এখনো পুরোপুরি ছিন্ন হয়নি। তবে গাজায় ইসরাইলের ধারাবাহিক ধ্বংসযজ্ঞে অন্তত ৭৪ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার পর সেসব সম্পর্কের অনেক ক্ষেত্রেই বিরোধ তৈরি হয়েছে। ইসরাইলের অংশগ্রহণের প্রতিবাদে ইউরোভিশন থেকে সরে দাঁড়িয়েছে ইউরোপের কয়েকটি দেশ। ইউরোপের কিছু ফুটবলার ইসরাইলি দলের বিপক্ষে খেলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। একসময় যে দেশগুলো ইসরাইলের সঙ্গে বন্ধুত্বের কথা বলত, তাদের কেউ কেউ এখন প্রকাশ্যে নিন্দা জানাচ্ছে।

ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলের নিপীড়নের সমালোচনায় দীর্ঘদিন ধরে সরব আয়ারল্যান্ড ও স্পেন। সম্প্রতি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মাইকেল মার্টিন বলেন, গাজায় ইসরাইলের কর্মকাণ্ড ‘বিশ্বকে লজ্জিত করবে’।

স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ বলেন, ‘গাজায় নেতানিয়াহু যে গণহত্যা চালিয়ে যাচ্ছেন, তার নিঃশর্ত নিন্দা জানাচ্ছি।’

তিন বছরে সম্পর্কের কতটা পরিবর্তন হয়েছে, তার আরেকটি উদাহরণ যুক্তরাজ্য। ইসরাইল প্রতিষ্ঠার ভিত্তি তৈরিতে ভূমিকা রাখা বেলফোর ঘোষণার সঙ্গে যুক্ত এই দেশ সম্প্রতি অবৈধ বসতি থেকে পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে জাতিগত নির্মূলের অভিযোগ তুলেছেন।

গতকাল শনিবার অধিকৃত পশ্চিম তীরের তাইবেহ গ্রামের কাছে ফিলিস্তিনি জলপাইচাষিদের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়া বেলজিয়াম, ফ্রান্স ও পোল্যান্ডের কূটনীতিক ও কর্মকর্তাদের ওপর হামলা চালান একদল ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী। এর এক দিন আগে রামাল্লার উত্তরে এক মার্কিন সাংবাদিকের ওপরও হামলা হয়েছিল। এসব ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক নিন্দা জানানো হয়।

নেতানিয়াহু ফিরলে ক্ষতি আরো বাড়তে পারে

বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপ ও ইসরাইলের সম্পর্কের যে ক্ষতি হয়েছে, তা হয়তো কখনোই পুরোপুরি মেরামত করা সম্ভব হবে না। আগামী ২৭ অক্টোবর ইসরাইলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। নির্বাচনের ফলাফল কী হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

লন্ডনের গবেষণাপ্রতিষ্ঠান চ্যাথাম হাউসের মধ্যপ্রাচ্য বিশ্লেষক ইয়োসি মেকেলবার্গ বলেন, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যদি উগ্রইহুদি দলগুলোর সমর্থন নিয়ে আবার ক্ষমতায় ফেরেন, তাহলে কিছু বিষয় আর আগের অবস্থায় ফিরবে না।

তার ভাষায়, ‘এই সরকারের কারণে যে ক্ষতি হয়েছে, তা গভীর।’

এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক নিকোলা পেরুজিনি সতর্ক করে বলেছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত নেতানিয়াহু আবার ক্ষমতায় এলে গাজার মানুষকে ‘বসবাসের অযোগ্য’ পরিস্থিতিতে আরো দীর্ঘ সময় কাটাতে হতে পারে।

নেতানিয়াহু যদি তুলনামূলক উদারপন্থি দলগুলোর সঙ্গে জোট সরকার গঠন করেন, তাহলে ইসরাইলি বসতি সম্প্রসারণের গতি কমতে পারে। কিন্তু আইসিসির গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত একজন প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় থাকলে ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্কের আরো অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তবে নেতানিয়াহুর বিদায় মানেই ইউরোপের সমালোচনার কারণ হয়ে ওঠা নীতিগুলোর পরিবর্তন নয়। নেতানিয়াহুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচিত মধ্যপন্থি ইয়াশার পার্টির নেতা ও সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকটও ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছেন।

ইসরাইলের মিতভিম ইনস্টিটিউটের গত বছরের এক জনমত জরিপে দেখা যায়, দেশটির ৬৭ শতাংশ মানুষ ইউরোপীয় ইউনিয়নকে (ইইউ) বন্ধু নয়, বরং প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখেন। মাত্র ১৪ শতাংশ ইইউকে বন্ধু মনে করেন।

মেকেলবার্গের মতে, তুলনামূলক উদারপন্থি সরকার ক্ষমতায় এলে ইউরোপের সঙ্গে আলোচনার পরিবেশ আরো যুক্তিসংগত হতে পারে। তবে রাতারাতি পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে না।

বিশ্লেষকদের ধারণা, ফিলিস্তিনিদের কাছে আরো মানবিক সহায়তা পৌঁছানো, বসতি সম্প্রসারণের গতি কমানো এবং ‘ই-ওয়ান’ পরিকল্পনা বাতিলের মতো পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

তবে চ্যাথাম হাউসের সহযোগী গবেষক জুলি এম নরম্যান মনে করেন, এসব পদক্ষেপ ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য যথেষ্ট নাও হতে পারে। ইউরোপের সরকারগুলো ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং দখলদারত্বের অবসানের দিকে বাস্তব অগ্রগতি দেখতে চাইবে।

নরম্যান বলেন, ‘কিন্তু বর্তমান সরকারের আমলে আমরা তেমন কিছু দেখছি না। সম্ভবত পরবর্তী সরকারের আমলেও তা দেখা যাবে না।’

জনমতের চাপে অবস্থান বদলাচ্ছে ইউরোপ

গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধের শুরুতে পশ্চিমা নেতারা দেশটির সামরিক অভিযানকে সমর্থন করেছিলেন। তবে গাজায় হামলা বন্ধ এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরে সহিংসতা থামানোর দাবিতে বিশ্বজুড়ে চাপ বাড়তে থাকে। নাগরিক অধিকার সংগঠন, আন্তর্জাতিক আদালত, শ্রমিক সংগঠন ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের পাশাপাশি লাখো মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।

বিশ্লেষকদের মতে, এই চাপের মুখে ইউরোপের সরকারগুলোও পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছে।

লন্ডনের কুইন মেরি বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবাধিকার আইনের ইসরাইলি অধ্যাপক নেভে গর্ডন আল–জাজিরাকে বলেন, ‘এখন কয়েকটি দেশের শাসকগোষ্ঠী জনমতের সঙ্গে নিজেদের অবস্থান মেলানোর চেষ্টা করছে।’

তার মতে, ফিলিস্তিনপন্থি আন্দোলন সরকারগুলোর প্রচলিত দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চ সেন্টারের জরিপেও ইউরোপে ইসরাইলের প্রতি বিরূপ মনোভাব বাড়ার চিত্র উঠে এসেছে। যুক্তরাজ্যে ইসরাইলকে নেতিবাচকভাবে দেখেন এমন মানুষের হার ২০২৫ সালের বসন্তে ৬১ শতাংশ ছিল, চলতি বছরের বসন্তে তা বেড়ে ৬৯ শতাংশ হয়েছে। ইতালিতে এই হার ৬৬ থেকে বেড়ে ৭৫ শতাংশ এবং জার্মানিতে ৬৪ থেকে বেড়ে ৭৩ শতাংশ হয়েছে। জার্মানি দীর্ঘদিন ধরে ইসরাইলের অন্যতম ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত।

ইতালির রাজনৈতিক বিশ্লেষক নাতালি তচি ইউরোপের নীতিতে পরিবর্তনের পেছনে জনমতের চাপকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া, ইইউ–ইসরাইল সহযোগিতা চুক্তি স্থগিতের উদ্যোগ এবং ইসরাইলি বসতি থেকে পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞার মতো পদক্ষেপের সঙ্গে এই চাপের সম্পর্ক রয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

তচি বলেন, ‘ইসরাইলের বিষয়ে ইউরোপের নীতিতে যদি কোনো কিছুর প্রভাব পড়ে থাকে, তা হলো গত কয়েক বছরে বিক্ষোভের ঢেউ।’

চ্যাথাম হাউসের গবেষক নরম্যান বলেন, ইউরোপের দেশগুলো প্রথমে ইসরাইলের উগ্রইহুদি মন্ত্রী ইতামার বেন গভির ও বেজালেল স্মোতরিচের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার মতো নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিয়েছিল। এখন তারা ইসরাইল রাষ্ট্রের কর্মকাণ্ড আরো বিস্তৃতভাবে পর্যালোচনার দিকে এগোচ্ছে।

তবে ইউরোপে ইসরাইলের প্রতি সমর্থন এখনো রয়েছে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জানিনা ডিল বলেন, জার্মানির পরপর দুটি সরকার ইসরাইলকে কূটনৈতিক ও বস্তুগত সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে দেশের ভেতরে ওঠা যৌক্তিক সমালোচনার পরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে একেবারেই অনিচ্ছুক ছিল।

ইসরাইলের প্রতি সমর্থন কমতে থাকায় দেশটির সরকার ইউরোপের উগ্র ডানপন্থি দলগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করেছে। জাতীয়তাবাদ ও ইসলামবিরোধী অবস্থানের মতো বিষয়ে তাদের মধ্যে মিল রয়েছে। তবে এসব সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইহুদিবিদ্বেষের ঐতিহাসিক ও বর্তমান যোগসূত্রও রয়েছে।

বার–ইলান বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক মেনাখেম ক্লেইন আলজাজিরাকে বলেন, বর্তমান সরকার বন্ধু ও মিত্রদের সঙ্গে ইসরাইলের সম্পর্কে ‘বিশাল ক্ষতি’ করেছে। সেই ক্ষত সারতে সময় লাগবে।

মেকেলবার্গের মতে, সম্পর্কের উন্নতির জন্য শান্তিপ্রক্রিয়ার দিকে বাস্তব পদক্ষেপ নিতে হবে এবং ফিলিস্তিনিদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করতে হবে। তারপরও অতীতের ক্ষতি থেকে যাবে।

ইসরাইলের বিচ্ছিন্নতা নির্বাচনে আলোচনার বাইরে

ইসরাইলের নির্বাচনী প্রচারে দেশটির আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতার চেয়ে নিরাপত্তার বিষয়টি বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। ফিলিস্তিনিদের হত্যা অব্যাহত রাখার নৈতিকতা কিংবা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরাইলের অবস্থান নিয়ে আলোচনা তুলনামূলকভাবে কম। দেশের বাইরে ইসরাইলের সামরিক অভিযানগুলোর প্রতি দেশটির ভেতরে ব্যাপক সমর্থন রয়েছে বলেও বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে।

ইসরাইল ডেমোক্রেসি ইনস্টিটিউটের এপ্রিলে করা এক জরিপে দেখা যায়, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সামরিক বাহিনীর ভূমিকার মূল্যায়নে ৯২ শতাংশ ইহুদি ইসরাইলি উচ্চ নম্বর দিয়েছেন। ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হলেও ৮০ শতাংশ হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে।

আর সেপ্টেম্বরে জিউইশ পিপল পলিসি ইনস্টিটিউটের এক জরিপে দেখা যায়, ৭২ শতাংশ ইহুদি ইসরাইলি গাজার সীমান্তে সেনা প্রত্যাহার করে সেখানকার ভেতরে ইসরাইলি নিরাপত্তাবলয় বজায় রাখার প্রস্তাব গ্রহণ করবেন না।

এমন পরিস্থিতিতে ইসরাইলের কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতা নির্বাচনের অন্যতম প্রধান ইস্যু হওয়ার কথা থাকলেও তা হচ্ছে না। চ্যাথাম হাউসে প্রকাশিত এক নিবন্ধে মধ্যপ্রাচ্য আমেরিকান ডায়ালগ ফোরামের সহপ্রতিষ্ঠাতা ইয়াকভ কাটজ লিখেছেন, বিষয়টি নির্বাচনী আলোচনায় ‘প্রায় অনুপস্থিত’।

বরং নির্বাচনী প্রচারে হামাসকে দুর্বল করা, হিজবুল্লাহ ও ইরানের শক্তি কমানোর বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে। বিরোধী দলগুলো জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, ৭ অক্টোবরের হামলার আগে ও পরে নিরাপত্তাব্যবস্থার ব্যর্থতা তদন্ত এবং অতি-অর্থডক্স ইহুদি সম্প্রদায়ের সদস্যদের সেনাবাহিনীতে নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।

কাৎজ লিখেছেন, ইসরাইলিরা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ, অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা, ইউরোপের বাড়তে থাকা নিষেধাজ্ঞা, ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা সম্পর্কে জানেন না, বিষয়টি এমন নয়। তবে ৭ অক্টোবরের হামলা ইসরাইলের জনমতকে এতটাই প্রভাবিত করেছে যে, বিদেশি কোনো সরকার ইসরাইলের সমালোচনা করলে অনেক ইসরাইলি সেটিকে হয় ইহুদিবিদ্বেষ, নয়তো অজ্ঞতা হিসেবে দেখেন।

এএম

ইউক্রেনের ১২৬টি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি রাশিয়ার

সরকারবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল আলবেনিয়া, পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ

দায়িত্ব নিয়েই যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি দিলেন ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

লিবিয়ায় অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভ, আতঙ্কে প্রবাসীরা

পাকিস্তানে ভারত সমর্থিত ৮ সন্ত্রাসী নিহত

নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিয়োগ দিল ইরান

ইসরাইলি সেনাদের নৃশংসতা নিয়ে অনুসন্ধানী প্রামাণ্যচিত্র নাজা

বিদেশি আগ্রাসনের কাছে মাথা নত করবে না ইরান: পেজেশকিয়ান

ইসরাইলের নির্বাচন: আরব ভোট ও নেতানিয়াহুর বর্জনের রাজনীতি

গুয়াতেমালায় ক্রীড়া কমপ্লেক্সে দুর্নীতিবিরোধী কৌঁসুলিকে গুলি করে হত্যা