গাজায় বর্তমানে ৬ লাখ ৬০ হাজারেরও বেশি শিশু স্কুলের বাইরে রয়েছে। এই অঞ্চলের আনুমানিক ৮১৫টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ৯৭ শতাংশই ক্ষতিগ্রস্ত বা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের শিক্ষা অধিকারের বিশেষ প্রতিবেদক ফারিদা শহীদ।
আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফারিদা শহীদ ইসরায়েলের যুদ্ধের ফলে গাজার শিক্ষাব্যবস্থার পতনকে “স্কলাস্টিসাইড (Scholasticide)” হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এই শব্দের মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন—শিক্ষা অবকাঠামোর ইচ্ছাকৃত ধ্বংস, বা শিক্ষক ও শিক্ষাবিদদের ওপর লক্ষ্যভিত্তিক আক্রমণ।
তিনি বলেন, ইসরাইলের কর্মকাণ্ড গাজার শিক্ষাব্যবস্থার “সম্পূর্ণ, পরিকল্পিত ও পদ্ধতিগত ধ্বংস” এবং এটি এক ধরনের “প্রজন্মগত যুদ্ধ”।
ফারিদা শহীদ আরও জানান, ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ (UNRWA)-কে পুনরায় কার্যকর করা গেলে গাজার শিশুদের জন্য শিক্ষার সুযোগ কিছুটা পুনঃস্থাপন সম্ভব হতে পারে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, “আমাদের ফিলিস্তিনের শিশু ও শিক্ষকদের কথা শুনতে হবে। তাদের অভিজ্ঞতা ও কণ্ঠই বাস্তব চিত্র তুলে ধরে।”
এসআর/