হোম > বিশ্ব

কাতার ও বাহরাইন থেকে শত শত মার্কিন সেনা প্রত্যাহার

আমার দেশ অনলাইন

ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য যুদ্ধের আশঙ্কায় কাতার ও বাহরাইনের প্রধান সামরিক ঘাঁটিগুলো থেকে শত শত মার্কিন সেনা সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার নিউ ইয়র্ক টাইমস পেন্টাগন সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাতারের আল উদেইদ বিমান ঘাঁটি থেকে কয়েকশ সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে। এছাড়া মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম ফ্লিট বাহরাইনে অবস্থিত, সেখান থেকেও বাহিনী সরিয়ে নেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে ইরাক, সিরিয়া, কুয়েত, সৌদি আরব, জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন সেনারা এখনো অবস্থান করছেন।

ইরানের ওপর সম্ভাব্য মার্কিন হামলার আশঙ্কায় এই পদক্ষেপকে একটি আগাম ‘সতর্কতামূলক ব্যবস্থা’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে তেহরান পাল্টা জবাব হিসেবে ওই অঞ্চলে মোতায়েন থাকা মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু বানাতে পারে।

বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানি মিশনের প্রধান স্পষ্টভাবে সতর্ক করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, যদি ইরান আক্রান্ত হয়, তাহলে ওই অঞ্চলে শত্রুবাহিনীর সকল ঘাঁটি, স্থাপনা ও সম্পদ বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে।

এর ফলে সৃষ্ট যেকোনো অপ্রত্যাশিত ও অনিয়ন্ত্রিত পরিণতির জন্য সম্পূর্ণ দায়ভার যুক্তরাষ্ট্রকে বহন করতে হবে।

উল্লেখ্য, কাতারের আল উদেইদ বিমান ঘাঁটিটি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম সামরিক ঘাঁটি। এখানে সাধারণত ১০ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করে এবং এটি এই অঞ্চলে মার্কিন বিমান অভিযানের মূল কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

সূত্র: আনাদোলু

ইরানের শর্ত পূরণ না হলে আলোচনা বাতিল হতে পারে

ইসরাইলি হামলায় লেবাননে আরও ৫ জন নিহত

হরমুজ দিয়ে নৌযান চলাচলের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের

রোববারও চলবে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা

ইরানকে অস্ত্র দিলে চীনকে ‘বড় সমস্যায়’ পড়তে হবে: ট্রাম্প

আমরা ইরানকে পুরোপুরি পরাজিত করেছি: ট্রাম্প

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় বড় পাঁচ ইস্যু

শক্তিশালী প্রতিনিধিদল নিয়ে পাকিস্তানে পৌঁছেছে আরও কয়েকটি ইরানি বিমান

ইরান চুক্তি করুক বা না করুক, আমরাই জিতব: ট্রাম্প