হোম > বিশ্ব

গুলশানে বিলাসবহুল ভবনের মালিকানা টিউলিপের

আমার দেশ ডেস্ক

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানার মেয়ে ও ব্রিটেনে লেবার দলীয় পার্লামেন্ট সদস্য টিউলিপ সিদ্দিকের নাম ঢাকার গুলশানে বিলাসবহুল এক ১০ তলা অ্যাপার্টমেন্ট ভবনের বাসিন্দা হিসেবে তালিকাভুক্ত ছিল। সম্পত্তিটির নামকরণ করা তার পরিবারের নামে। গত শনিবার ব্রিটেনের সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ভবনটির আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের পাশাপাশি বড় বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। ‘সিদ্দিকস’ নামে এই অ্যাপার্টমেন্ট ভবন ২০১৪ সালে টিউলিপের ‘স্থায়ী ঠিকানা’ ছিল বলে ধারণা করছেন ঢাকার কর্মকর্তারা। ওই সময় তিনি ব্রিটেনের উত্তর লন্ডনের ক্যামডেনের কাউন্সিলর ছিলেন।

গত বছরের জুলাইয়ে ব্রিটেনে লেবার পার্টি সরকার গঠন করার পর দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনীতিবিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান টিউলিপ। মন্ত্রী হিসেবে তার অর্থ মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতির বিষয়ে তদারকের দায়িত্ব ছিল। কিন্তু শেখ হাসিনার পতনের পর বাংলাদেশে বিভিন্ন খাতে অর্থ আত্মসাৎ এবং ব্রিটেনে তার গোপন সম্পত্তির বিষয়ে বিতর্কের জেরে গত ১৪ জানুয়ারি পদত্যাগ করেন তিনি।

আদালতের নথিপত্র বা সংবাদ প্রতিবেদনের তথ্যানুসারে, এ নিয়ে বাংলাদেশে টিউলিপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পঞ্চম সম্পত্তির খোঁজ পাওয়া গেল। তবে ব্রিটেনে লেবার পার্টির সূত্রগুলো বলছে, বাংলাদেশে টিউলিপের কোনো সম্পত্তি নেই। তাই এ বিষয়ে কোনো প্রশ্নের জবাব দেওয়ারও দায় নেই।

টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে বিতর্কের জেরে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর মানবিষয়ক উপদেষ্টা লাউরি ম্যাগনাস এ বিষয়ে তদন্ত করেন। তদন্তে তিনি দেখেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত এক ব্যক্তির কাছ থেকে উপহার পাওয়া একটি ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপ অসাবধানতাবশত জনগণকে বিভ্রান্ত করেছেন। এই তদন্তের জেরে টিউলিপ পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।

গাজীপুরের কানাইয়া এলাকায় ‘টিউলিপস টেরিটরি’ নামের প্লটসহ একটি পারিবারিক অবকাশযাপনের বাগানবাড়ি নিয়ে তদন্ত করছে বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন। এ তথ্য সামনে আসার পর গুলশানের সম্পত্তির সঙ্গে টিউলিপের যোগসূত্রের তথ্য জানতে পারে দ্য টেলিগ্রাফ। একটি আনুষ্ঠানিক নথিতে দেখা যায়, গুলশানের সম্পত্তিটি টিউলিপের ‘বর্তমান’ ও ‘স্থায়ী’ উভয় ঠিকানা হিসেবেই বিবেচিত হয়েছিল।

গুলশান এলাকার ১০ তলা এই অ্যাপার্টমেন্ট ভবন ২০১০ সালের দিকে নির্মিত হয়। একটি প্রচারমূলক ভিডিওর তথ্যানুসারে, ভবনে একটি খোলা ছাদ আছে। এ ছাড়া একাধিক বারান্দাযুক্ত দুই ও তিন বেডরুমের ফ্ল্যাট রয়েছে ভবনটিতে। ভবনটির মালিক টিউলিপের বাবা শফিক আহমেদ সিদ্দিক নাকি টিউলিপের দাদা নাকি পুরো পরিবার, তা স্পষ্ট নয়।

পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা এই সম্পত্তিসহ আদালতের নথিপত্র অনুসারে, গুলশানের অন্য একটি ঠিকানা ও ধানমন্ডিতে তার খালার বাড়ির সঙ্গে টিউলিপের যোগসূত্র আছে। গত ৫ ফেব্রুয়ারি শেখ হাসিনার বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ওই বাড়ি গুঁড়িয়ে দেন। টিউলিপের আগে পরিবারের আরেক সদস্যের সঙ্গে ঢাকায় একটি ফ্ল্যাটের মালিক ছিলেন, যার মূল্য এক লাখ পাউন্ডের বেশি। ব্রিটেনের পার্লামেন্টের রেজিস্ট্রার অব ইন্টারেস্টের তথ্যানুসারে ফ্ল্যাটটি ২০১৫ সালে বিক্রি করা হয়।

ইসরাইলের সঙ্গে মিলে কি ইরানে নতুন হামলার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র

কলম্বিয়ায় অবৈধ স্বর্ণখনি ধসে নিহত ১৪, নিখোঁজ ১৫

ইসরাইলে সাত বছরে ষষ্ঠ নির্বাচন, কপাল পুড়তে পারে নেতানিয়াহুর

যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে ভর্তিতে জাতিগত বৈষম্যের মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্ট

সুদানে ড্রোন হামলায় কয়েক দিনে ১৬০ জনের বেশি নিহত

নির্বাচনি জরিপে নেতানিয়াহুর চেয়ে এগিয়ে বিরোধী নেতা আইজেনকট

অস্ট্রেলীয় এমপিকে গাড়িচাপা দেওয়া ‘পরিকল্পিত’, বলছে পুলিশ

স্পেনে প্রবল বৃষ্টিতে বন্যা, ৪ জনের প্রাণহানি

ইউক্রেনকে রাশিয়ার কাছে আত্মসমর্পণে বাধ্য করছেন ট্রাম্প: জেলেনস্কি

ফ্রান্সের দাঙ্গা গভীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের বহিঃপ্রকাশ