পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় নৌযানে ফের হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সবশেষ হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন। মার্কিন দক্ষিণ কমান্ড (সাউথকম) দাবি করেছে, নৌযানটি অবৈধ মাদক চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ছিল। খবর আল জাজিরার।
সামাজিকমাধ্যমে দেয়া পোস্টে সাউথিকম জানায়, নৌযানটি মাদক পরিবহনে জড়িত ছিল এবং একটি পরিচিত মাদক পাচারের রুট দিয়ে চলাচল করছিল।
ওয়াশিংটনের বৃহত্তম এবং সবচেয়ে উন্নত বিমানবাহী রণতরী, ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড ক্যারিবিয়ান সাগরে পৌঁছানোর কয়েক ঘন্টা পরেই এই হামলার কথা জানানো হয়।
এই রণতরীটি মোতায়েনের ফলে ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে আসন্ন সামরিক পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসন এই অঞ্চলে সামরিক পদক্ষেপকে অবৈধ মাদক পাচার বন্ধের প্রচেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করছে। তবে কারাকাস একে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার অজুহাত হিসেবে দেখছে।
দিন দিন তীব্রতর হচ্ছে ভেনেজুয়েলার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বৈরিতা। উত্তর ক্যারিবীয় সাগর তীরবর্তী দেশটিতে এখনো সরাসরি হামলার ঘোষণা দেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে হামলার সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ হয়ে গেছে।
সম্প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ভেনেজুয়েলা ইস্যুতে তিনি ‘মনে মনে সিদ্ধান্ত’ নিয়েছেন। তবে বিষয়টি স্পষ্ট করেননি।
আরএ